১১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

বিজয় থালাপতির বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং রাজনীতিবিদ বিজয় থালাপতির বাড়ির নিরাপত্তা কঠোর করেছে চেন্নাই পুলিশ। তার বাড়ির 주변 এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সাদা পোশাকের কর্মকর্তারাও টহল দিচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, চেন্নাই পুলিশ হঠাৎ এক ব্যক্তি থেকে ফোন পায়, যিনি धमকি দিয়ে বলেন— ভবিষ্যতে যদি বিজয় জনসভা করেন, তাহলে তার বাড়ি বোমা মারার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ফোনটি কন্যাকুমারী জেল থেকে আসা বলে জানা যায়। এরপরই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিজয় থালাপতির বাড়িতে তল্লাশি চালায়, কিন্তু সেখানে কোনও বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, হুমকিদাতার অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা, এই হুমকি ভুয়া বা প্র্যাঙ্ক কল হতে পারে। এই ঘটনার পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক একটি বড় দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট। গত সপ্তাহে বিজয় পরিচালিত তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) দলের এক সমাবেশে পদপিষ্ট হয়ে ৪১ জন নিহত হন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এই ঘটনাটির পর থেকে বিজয় ও তার দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয় সেইদিন সমাবেশস্থলে প্রায় সাত ঘণ্টা দেরিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। দুপুরের পর থেকেই হাজার হাজার মানুষ সমাবেশে সমাগম করতে থাকেন। আয়োজকেরা দাবি করছেন, যেখানে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মানুষ উপস্থিত হওয়ার অনুমতি ছিল, সেখানে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ভিড় করেন। এর ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপেক্ষা করা হয়, পর্যাপ্ত পানি ও খাবার ছিল না, পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা না থাকার কারণে ভিড়ের চাপে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এমনকি এম্বুলেন্সও ভেন্যুর ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনি। দুর্ঘটনার পর বিজয় গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। তবে টিভিকে দলের নেতারা দাবি করেন, “আমরা এর আগে বহু বড় সমাবেশ আয়োজন করেছি, কখনও এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি।” এই পরিস্থিতিতে তার বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি তামিলনাড়ু জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

বিজয় থালাপতির বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার

প্রকাশিতঃ ১০:৫২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং রাজনীতিবিদ বিজয় থালাপতির বাড়ির নিরাপত্তা কঠোর করেছে চেন্নাই পুলিশ। তার বাড়ির 주변 এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সাদা পোশাকের কর্মকর্তারাও টহল দিচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, চেন্নাই পুলিশ হঠাৎ এক ব্যক্তি থেকে ফোন পায়, যিনি धमকি দিয়ে বলেন— ভবিষ্যতে যদি বিজয় জনসভা করেন, তাহলে তার বাড়ি বোমা মারার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ফোনটি কন্যাকুমারী জেল থেকে আসা বলে জানা যায়। এরপরই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিজয় থালাপতির বাড়িতে তল্লাশি চালায়, কিন্তু সেখানে কোনও বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, হুমকিদাতার অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা, এই হুমকি ভুয়া বা প্র্যাঙ্ক কল হতে পারে। এই ঘটনার পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক একটি বড় দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট। গত সপ্তাহে বিজয় পরিচালিত তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) দলের এক সমাবেশে পদপিষ্ট হয়ে ৪১ জন নিহত হন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এই ঘটনাটির পর থেকে বিজয় ও তার দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয় সেইদিন সমাবেশস্থলে প্রায় সাত ঘণ্টা দেরিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। দুপুরের পর থেকেই হাজার হাজার মানুষ সমাবেশে সমাগম করতে থাকেন। আয়োজকেরা দাবি করছেন, যেখানে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মানুষ উপস্থিত হওয়ার অনুমতি ছিল, সেখানে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ভিড় করেন। এর ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপেক্ষা করা হয়, পর্যাপ্ত পানি ও খাবার ছিল না, পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা না থাকার কারণে ভিড়ের চাপে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এমনকি এম্বুলেন্সও ভেন্যুর ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনি। দুর্ঘটনার পর বিজয় গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। তবে টিভিকে দলের নেতারা দাবি করেন, “আমরা এর আগে বহু বড় সমাবেশ আয়োজন করেছি, কখনও এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি।” এই পরিস্থিতিতে তার বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি তামিলনাড়ু জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।