১২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

বিজয় থালাপতির বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং রাজনীতিবিদ বিজয় থালাপতির বাড়ির নিরাপত্তা কঠোর করেছে চেন্নাই পুলিশ। তার বাড়ির 주변 এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সাদা পোশাকের কর্মকর্তারাও টহল দিচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, চেন্নাই পুলিশ হঠাৎ এক ব্যক্তি থেকে ফোন পায়, যিনি धमকি দিয়ে বলেন— ভবিষ্যতে যদি বিজয় জনসভা করেন, তাহলে তার বাড়ি বোমা মারার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ফোনটি কন্যাকুমারী জেল থেকে আসা বলে জানা যায়। এরপরই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিজয় থালাপতির বাড়িতে তল্লাশি চালায়, কিন্তু সেখানে কোনও বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, হুমকিদাতার অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা, এই হুমকি ভুয়া বা প্র্যাঙ্ক কল হতে পারে। এই ঘটনার পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক একটি বড় দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট। গত সপ্তাহে বিজয় পরিচালিত তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) দলের এক সমাবেশে পদপিষ্ট হয়ে ৪১ জন নিহত হন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এই ঘটনাটির পর থেকে বিজয় ও তার দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয় সেইদিন সমাবেশস্থলে প্রায় সাত ঘণ্টা দেরিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। দুপুরের পর থেকেই হাজার হাজার মানুষ সমাবেশে সমাগম করতে থাকেন। আয়োজকেরা দাবি করছেন, যেখানে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মানুষ উপস্থিত হওয়ার অনুমতি ছিল, সেখানে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ভিড় করেন। এর ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপেক্ষা করা হয়, পর্যাপ্ত পানি ও খাবার ছিল না, পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা না থাকার কারণে ভিড়ের চাপে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এমনকি এম্বুলেন্সও ভেন্যুর ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনি। দুর্ঘটনার পর বিজয় গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। তবে টিভিকে দলের নেতারা দাবি করেন, “আমরা এর আগে বহু বড় সমাবেশ আয়োজন করেছি, কখনও এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি।” এই পরিস্থিতিতে তার বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি তামিলনাড়ু জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

বিজয় থালাপতির বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তা জোরদার

প্রকাশিতঃ ১০:৫২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং রাজনীতিবিদ বিজয় থালাপতির বাড়ির নিরাপত্তা কঠোর করেছে চেন্নাই পুলিশ। তার বাড়ির 주변 এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সাদা পোশাকের কর্মকর্তারাও টহল দিচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, চেন্নাই পুলিশ হঠাৎ এক ব্যক্তি থেকে ফোন পায়, যিনি धमকি দিয়ে বলেন— ভবিষ্যতে যদি বিজয় জনসভা করেন, তাহলে তার বাড়ি বোমা মারার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ফোনটি কন্যাকুমারী জেল থেকে আসা বলে জানা যায়। এরপরই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিজয় থালাপতির বাড়িতে তল্লাশি চালায়, কিন্তু সেখানে কোনও বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, হুমকিদাতার অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা, এই হুমকি ভুয়া বা প্র্যাঙ্ক কল হতে পারে। এই ঘটনার পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক একটি বড় দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপট। গত সপ্তাহে বিজয় পরিচালিত তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) দলের এক সমাবেশে পদপিষ্ট হয়ে ৪১ জন নিহত হন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এই ঘটনাটির পর থেকে বিজয় ও তার দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয় সেইদিন সমাবেশস্থলে প্রায় সাত ঘণ্টা দেরিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। দুপুরের পর থেকেই হাজার হাজার মানুষ সমাবেশে সমাগম করতে থাকেন। আয়োজকেরা দাবি করছেন, যেখানে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মানুষ উপস্থিত হওয়ার অনুমতি ছিল, সেখানে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ভিড় করেন। এর ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপেক্ষা করা হয়, পর্যাপ্ত পানি ও খাবার ছিল না, পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা না থাকার কারণে ভিড়ের চাপে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এমনকি এম্বুলেন্সও ভেন্যুর ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনি। দুর্ঘটনার পর বিজয় গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন। তবে টিভিকে দলের নেতারা দাবি করেন, “আমরা এর আগে বহু বড় সমাবেশ আয়োজন করেছি, কখনও এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি।” এই পরিস্থিতিতে তার বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি তামিলনাড়ু জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।