০২:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

তেলেঙ্গানা সরকারে নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন

ভারতের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় নেতা মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন সম্প্রতি তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে নজর কাড়ে। গতকাল শুক্রবার রাজ্যের গভর্নর জিশ্নু দেব বর্মা রাজভবনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথবাক্য পাঠ করান। বর্তমানে তিনি কোন দপ্তরের দায়িত্ব পাবেন, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে তার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যটির মন্ত্রিসভায় শূন্যতা দূর হলো। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের এই রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনি প্রথম মুসলিম প্রতিনিধি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন।

আজহারউদ্দিনের এই মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কিছুটা সমালোচনাও দেখা গেছে। বিরোধীদল বিজেপি তার এ যোগদ্বকে রাজনৈতিক একটা বিদ্যমান লক্ষ্য হিসেবে দেখছে। তারা বলছে, আগামী ১১ নভেম্বর জুবিলি হিলস আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে। কারণ, ওই আসনে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটার রয়েছে।

শাসক দল তেলেঙ্গানা কংগ্রেস অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে সামাজিক ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখছে। দলের রাজ্যপ্রধান মহেশ গৌদ বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিনের মুসলিম প্রতিনিধি থাকার অসমতা দূর করতে পেরে খুশি। আমাদের দল সংখ্যালঘুদের সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং পাওয়াও গেছে।’ আরো তিনি জানান, কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

অবশ্য, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন এখনও পর্যন্ত বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য নন, যা তেলেঙ্গানায় একজন মন্ত্রীর জন্য আবশ্যক। তবে গভর্নরের শরিক হয়েই তাকে ইতিমধ্যে বিধানসভা কাউন্সিলে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায়। একবার যদি তিনি মন্ত্রিসভার পদে থাকেন, তাহলে ছয় মাসের মধ্যে তাকে বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য হতে হবে, যাতে তিনি স্থায়িত্বের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

তেলেঙ্গানা সরকারে নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন

প্রকাশিতঃ ১১:৫৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

ভারতের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় নেতা মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন সম্প্রতি তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে নজর কাড়ে। গতকাল শুক্রবার রাজ্যের গভর্নর জিশ্নু দেব বর্মা রাজভবনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথবাক্য পাঠ করান। বর্তমানে তিনি কোন দপ্তরের দায়িত্ব পাবেন, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে তার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যটির মন্ত্রিসভায় শূন্যতা দূর হলো। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের এই রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনি প্রথম মুসলিম প্রতিনিধি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন।

আজহারউদ্দিনের এই মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কিছুটা সমালোচনাও দেখা গেছে। বিরোধীদল বিজেপি তার এ যোগদ্বকে রাজনৈতিক একটা বিদ্যমান লক্ষ্য হিসেবে দেখছে। তারা বলছে, আগামী ১১ নভেম্বর জুবিলি হিলস আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে। কারণ, ওই আসনে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটার রয়েছে।

শাসক দল তেলেঙ্গানা কংগ্রেস অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে সামাজিক ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখছে। দলের রাজ্যপ্রধান মহেশ গৌদ বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিনের মুসলিম প্রতিনিধি থাকার অসমতা দূর করতে পেরে খুশি। আমাদের দল সংখ্যালঘুদের সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং পাওয়াও গেছে।’ আরো তিনি জানান, কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

অবশ্য, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন এখনও পর্যন্ত বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য নন, যা তেলেঙ্গানায় একজন মন্ত্রীর জন্য আবশ্যক। তবে গভর্নরের শরিক হয়েই তাকে ইতিমধ্যে বিধানসভা কাউন্সিলে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায়। একবার যদি তিনি মন্ত্রিসভার পদে থাকেন, তাহলে ছয় মাসের মধ্যে তাকে বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য হতে হবে, যাতে তিনি স্থায়িত্বের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেন।