০৩:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

তেলেঙ্গানা সরকারে নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন

ভারতের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় নেতা মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন সম্প্রতি তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে নজর কাড়ে। গতকাল শুক্রবার রাজ্যের গভর্নর জিশ্নু দেব বর্মা রাজভবনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথবাক্য পাঠ করান। বর্তমানে তিনি কোন দপ্তরের দায়িত্ব পাবেন, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে তার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যটির মন্ত্রিসভায় শূন্যতা দূর হলো। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের এই রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনি প্রথম মুসলিম প্রতিনিধি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন।

আজহারউদ্দিনের এই মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কিছুটা সমালোচনাও দেখা গেছে। বিরোধীদল বিজেপি তার এ যোগদ্বকে রাজনৈতিক একটা বিদ্যমান লক্ষ্য হিসেবে দেখছে। তারা বলছে, আগামী ১১ নভেম্বর জুবিলি হিলস আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে। কারণ, ওই আসনে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটার রয়েছে।

শাসক দল তেলেঙ্গানা কংগ্রেস অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে সামাজিক ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখছে। দলের রাজ্যপ্রধান মহেশ গৌদ বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিনের মুসলিম প্রতিনিধি থাকার অসমতা দূর করতে পেরে খুশি। আমাদের দল সংখ্যালঘুদের সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং পাওয়াও গেছে।’ আরো তিনি জানান, কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

অবশ্য, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন এখনও পর্যন্ত বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য নন, যা তেলেঙ্গানায় একজন মন্ত্রীর জন্য আবশ্যক। তবে গভর্নরের শরিক হয়েই তাকে ইতিমধ্যে বিধানসভা কাউন্সিলে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায়। একবার যদি তিনি মন্ত্রিসভার পদে থাকেন, তাহলে ছয় মাসের মধ্যে তাকে বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য হতে হবে, যাতে তিনি স্থায়িত্বের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

তেলেঙ্গানা সরকারে নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন

প্রকাশিতঃ ১১:৫৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

ভারতের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় নেতা মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন সম্প্রতি তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিয়ে নজর কাড়ে। গতকাল শুক্রবার রাজ্যের গভর্নর জিশ্নু দেব বর্মা রাজভবনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথবাক্য পাঠ করান। বর্তমানে তিনি কোন দপ্তরের দায়িত্ব পাবেন, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। তবে তার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যটির মন্ত্রিসভায় শূন্যতা দূর হলো। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের এই রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনি প্রথম মুসলিম প্রতিনিধি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন।

আজহারউদ্দিনের এই মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কিছুটা সমালোচনাও দেখা গেছে। বিরোধীদল বিজেপি তার এ যোগদ্বকে রাজনৈতিক একটা বিদ্যমান লক্ষ্য হিসেবে দেখছে। তারা বলছে, আগামী ১১ নভেম্বর জুবিলি হিলস আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে তার মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে। কারণ, ওই আসনে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটার রয়েছে।

শাসক দল তেলেঙ্গানা কংগ্রেস অবশ্য এই সিদ্ধান্তকে সামাজিক ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখছে। দলের রাজ্যপ্রধান মহেশ গৌদ বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিনের মুসলিম প্রতিনিধি থাকার অসমতা দূর করতে পেরে খুশি। আমাদের দল সংখ্যালঘুদের সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং পাওয়াও গেছে।’ আরো তিনি জানান, কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

অবশ্য, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন এখনও পর্যন্ত বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য নন, যা তেলেঙ্গানায় একজন মন্ত্রীর জন্য আবশ্যক। তবে গভর্নরের শরিক হয়েই তাকে ইতিমধ্যে বিধানসভা কাউন্সিলে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায়। একবার যদি তিনি মন্ত্রিসভার পদে থাকেন, তাহলে ছয় মাসের মধ্যে তাকে বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য হতে হবে, যাতে তিনি স্থায়িত্বের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেন।