১০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউ জিল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের জগতে प्रवेश

বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগের জনপ্রিয়তা অনেক বছরই ধরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই লিগগুলোতে আলো-ঝলকানির খেলা, দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়, বিদেশি বিনিয়োগ এবং দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। আইপিএলের সফলতায় অনুপ্রাণিত হয়ে, প্রায় প্রতিটি ক্রিকেট-মুখর দেশের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালুর চেষ্টা করছে।

তবে এত দিন নিউজিল্যান্ড এই খেলাধুলার দিক থেকে একটু আলাদা ছিল। তবে বর্তমানে তারা גם সেই পথে হাটার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিউইরা এখন নিজেদের দেশের জন্য একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগ চালুর পরিকল্পনা করছে, যা ২০২৭ সাল থেকে শুরু হওয়ার লক্ষ্য। এই লিগটি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) মডেল অনুসরণ করে পরিচালিত হবে।

বর্তমানে নিউজিল্যান্ডে একমাত্র ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা হলো সুপার স্ম্যাশ। তবে আন্তর্জাতিক তারকা না থাকার, দর্শকদের আকর্ষণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে এই লিগটির জনপ্রিয়তা দিন দিন কমছে। ফলশ্রুতিতে, দেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন এনজেড-২০ প্রকল্পের প্রধান ডন ম্যাককিনন।

তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে সুপার স্ম্যাশের বাইরে ভাবার। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, “আন্তর্জাতিক বাজারে সফল হতে হলে নিউজিল্যান্ডকে নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ তৈরি করতে হবে। এই লিগটি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মতো মডেলে পরিচালিত হবে, যেখানে টুর্নামেন্টের লাইসেন্স থাকবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেসি) হাতে, তবে পরিচালনা স্বতন্ত্রভাবে হবে।”

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এখনো এই প্রস্তাবে সবুজ সংকেত দেয়নি। তবে অনুমোদন মিললে, এই নতুন লিগটি সুপার স্ম্যাশের পাশাপাশি জনপ্রিয়তা লাভ করবে বলে মনে করছেন ম্যাককিনন।

অতীতে ২০১৪ সালে, এনজেসি এই ধরনের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। সেই সময় বোর্ড মনে করেছিল, আইপিএল বা বিগব্যাশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা খুবই কঠিন হবে।

ম্যাককিননের মতে, এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। নিউজিল্যান্ডের নিজস্ব টি-টোয়েন্টি ব্র্যান্ড তৈরির এটি সবাইের জন্যই একটি সুযোগ। স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের মতো কিংবদন্তি ডাক্তারি লিগের পক্ষে মত দিয়েছেন। অনুমান করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যেই এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াবে। শেষ কয়েক মাস ধরে বোর্ডের সঙ্গে এই প্রকল্পের জন্য নিয়মিত আলোচনা চালাচ্ছেন প্রকল্পের প্রধান।

তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সময়সূচি নির্ধারণ, যাতে বিগব্যাশ (বিবিএল), আইপিএল, এসএ২০ বা আইএলটি২০ এর সঙ্গে সংঘাত না হয়। কারণ অনেক কিউই ক্রিকেটার এই লিগগুলোতে নিয়মিত খেলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিউ জিল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের জগতে प्रवेश

প্রকাশিতঃ ১১:৫৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

বিশ্ব ক্রিকেটে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগের জনপ্রিয়তা অনেক বছরই ধরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই লিগগুলোতে আলো-ঝলকানির খেলা, দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়, বিদেশি বিনিয়োগ এবং দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। আইপিএলের সফলতায় অনুপ্রাণিত হয়ে, প্রায় প্রতিটি ক্রিকেট-মুখর দেশের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চালুর চেষ্টা করছে।

তবে এত দিন নিউজিল্যান্ড এই খেলাধুলার দিক থেকে একটু আলাদা ছিল। তবে বর্তমানে তারা גם সেই পথে হাটার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিউইরা এখন নিজেদের দেশের জন্য একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগ চালুর পরিকল্পনা করছে, যা ২০২৭ সাল থেকে শুরু হওয়ার লক্ষ্য। এই লিগটি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) মডেল অনুসরণ করে পরিচালিত হবে।

বর্তমানে নিউজিল্যান্ডে একমাত্র ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা হলো সুপার স্ম্যাশ। তবে আন্তর্জাতিক তারকা না থাকার, দর্শকদের আকর্ষণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে এই লিগটির জনপ্রিয়তা দিন দিন কমছে। ফলশ্রুতিতে, দেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন এনজেড-২০ প্রকল্পের প্রধান ডন ম্যাককিনন।

তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে সুপার স্ম্যাশের বাইরে ভাবার। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, “আন্তর্জাতিক বাজারে সফল হতে হলে নিউজিল্যান্ডকে নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ তৈরি করতে হবে। এই লিগটি ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মতো মডেলে পরিচালিত হবে, যেখানে টুর্নামেন্টের লাইসেন্স থাকবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেসি) হাতে, তবে পরিচালনা স্বতন্ত্রভাবে হবে।”

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড এখনো এই প্রস্তাবে সবুজ সংকেত দেয়নি। তবে অনুমোদন মিললে, এই নতুন লিগটি সুপার স্ম্যাশের পাশাপাশি জনপ্রিয়তা লাভ করবে বলে মনে করছেন ম্যাককিনন।

অতীতে ২০১৪ সালে, এনজেসি এই ধরনের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। সেই সময় বোর্ড মনে করেছিল, আইপিএল বা বিগব্যাশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা খুবই কঠিন হবে।

ম্যাককিননের মতে, এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। নিউজিল্যান্ডের নিজস্ব টি-টোয়েন্টি ব্র্যান্ড তৈরির এটি সবাইের জন্যই একটি সুযোগ। স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের মতো কিংবদন্তি ডাক্তারি লিগের পক্ষে মত দিয়েছেন। অনুমান করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যেই এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াবে। শেষ কয়েক মাস ধরে বোর্ডের সঙ্গে এই প্রকল্পের জন্য নিয়মিত আলোচনা চালাচ্ছেন প্রকল্পের প্রধান।

তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সময়সূচি নির্ধারণ, যাতে বিগব্যাশ (বিবিএল), আইপিএল, এসএ২০ বা আইএলটি২০ এর সঙ্গে সংঘাত না হয়। কারণ অনেক কিউই ক্রিকেটার এই লিগগুলোতে নিয়মিত খেলেন।