০৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রস্তুতি ও সচেতনতা কর্মসূচি শুরু

ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চালু পূর্ব প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং এর জন্য ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি কাজ চালানো যাচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় ব্যাপক প্রচারণামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও রাশিয়ার রোসাটম, যা সাধারণ মানুষকে প্রকল্পের প্রকৃতি, নিরাপত্তা ও গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দিতে উৎসাহিত করছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ঈশ্বরদী শহরে এই প্রচারণার অংশ হিসাবে নিউক্লিয়ার বাস ট্যুর, উঠান বৈঠক, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আগামী ২০ ডিসেম্বর আরও একটি ‘গম্ভীরা’ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সচেতনতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক পরিচালিত হবে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণ প্রকল্পের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সরাসরি জানার এবং প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রূপপুর প্রকল্প দেশের সর্ববৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে গর্বের একটি নিদর্শন। বিশেষ করে পাবনাবাসীর জন্য এর গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রকল্পের নানা প্রশ্ন, ভুল ধারণা ও উদ্বেগ দূর করতে সহজ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপনক্রে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে, রূপপুরে নিউক্লিয়ার বাস ট্যুরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে থাকেন, পাশাপাশি নিরাপত্তা, পরিবেশ, প্রযুক্তিগত ও অর্থ-সামাজিক দিক সম্পর্কে অবহিত হন। এ ছাড়া, পারমাণবিক প্রযুক্তি বিষয়ক বিতর্ক ও প্রশ্নোত্তর পর্বসহ বিভিন্ন আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আসন্ন পর্যায়ে আরও দুটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে — তাতে রয়েছে বিভিন্ন উঠান বৈঠক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেন স্থানীয় মানুষগুলো প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও গুণাগুণে সম্পূর্ণ সচেতন হন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জনসাধারণের মধ্যে বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করা ও তাদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করা। এছাড়া, ধারাবাহিক ও অংশগ্রহণমূলক সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এদিকে, ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কার্যক্ষম হতে যাচ্ছে, যা দেশের গ্রিডে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করবে। এই বিপুল ক্ষমতার সংযুক্তি দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রস্তুতি ও সচেতনতা কর্মসূচি শুরু

প্রকাশিতঃ ১১:৫৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চালু পূর্ব প্রস্তুতি শুরু হয়েছে এবং এর জন্য ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি কাজ চালানো যাচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় ব্যাপক প্রচারণামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও রাশিয়ার রোসাটম, যা সাধারণ মানুষকে প্রকল্পের প্রকৃতি, নিরাপত্তা ও গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দিতে উৎসাহিত করছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ঈশ্বরদী শহরে এই প্রচারণার অংশ হিসাবে নিউক্লিয়ার বাস ট্যুর, উঠান বৈঠক, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আগামী ২০ ডিসেম্বর আরও একটি ‘গম্ভীরা’ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সচেতনতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক পরিচালিত হবে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনসাধারণ প্রকল্পের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সরাসরি জানার এবং প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রূপপুর প্রকল্প দেশের সর্ববৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে গর্বের একটি নিদর্শন। বিশেষ করে পাবনাবাসীর জন্য এর গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রকল্পের নানা প্রশ্ন, ভুল ধারণা ও উদ্বেগ দূর করতে সহজ ও নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপনক্রে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে, রূপপুরে নিউক্লিয়ার বাস ট্যুরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে থাকেন, পাশাপাশি নিরাপত্তা, পরিবেশ, প্রযুক্তিগত ও অর্থ-সামাজিক দিক সম্পর্কে অবহিত হন। এ ছাড়া, পারমাণবিক প্রযুক্তি বিষয়ক বিতর্ক ও প্রশ্নোত্তর পর্বসহ বিভিন্ন আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আসন্ন পর্যায়ে আরও দুটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে — তাতে রয়েছে বিভিন্ন উঠান বৈঠক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেন স্থানীয় মানুষগুলো প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও গুণাগুণে সম্পূর্ণ সচেতন হন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জনসাধারণের মধ্যে বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করা ও তাদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করা। এছাড়া, ধারাবাহিক ও অংশগ্রহণমূলক সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে জনগণের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এদিকে, ফুয়েল লোডিংয়ের মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কার্যক্ষম হতে যাচ্ছে, যা দেশের গ্রিডে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করবে। এই বিপুল ক্ষমতার সংযুক্তি দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে মনে করা হচ্ছে।