০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের উদ্বেগ বাড়ছে: সংঘাত, ভিসা ও ফ্লাইট সমস্যায় রেমিট্যান্স শঙ্কা চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন জ্বালানি সংকটে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা চেয়েছে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীর তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বদলি যুক্তরাজ্য নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার পদত্যাগ প্রধানমন্ত্রী সরানোর নির্দেশ দিলেন অভিনন্দনবাণী সহ বিলবোর্ড ও ব্যানার দ্রুত অপসারণের অভিনন্দনবাহী বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মুক্তপ্রাণ মানবিক কবি আবদুল হাই মাশরেকীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

বাংলা গানের জনপ্রিয় ধারার নির্মাতা, কিংবদন্তি কবি ও গীতিকার আবদুল হাই মাশরেকীর ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে ‘কবি আবদুল হাই মাশরেকী’ গবেষণা কেন্দ্র ও মাসিক জনপ্রশাসন পত্রিকা भाग নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এবং সভাপতিত্ব করেন চিত্রশিল্পী ও সমাজসেবী সন্তু সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. গোলাম শফিক—কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার; প্রফেসর গাউসুর রহমান—গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কবি; মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম—প্রাবন্ধিক ও ইতিহাসবিদ; দৈনিক বাংলার সমাচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ এবং উত্তরাঞ্চলের ঈশ্বরগঞ্জ ফোরামের সভাপতি মজিবুর রহমান।

বক্তারা উল্লেখ করেন, আবদুল হাই মাশরেকী ছিলেন এক মুক্তপ্রাণ মানবিক রেনেসাঁর কবি। তিনি ছিলেন মাটির কাছাকাছি থাকার মতো একজন ভূমিপুত্র, যিনি মানুষের প্রয়োজনের প্রতি গুরুত্ব দিতেন। প্রয়োজনে নিজের লেখা ও সৃষ্টিকর্ম বিনা পারিশ্রমিকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেন। তারা বলছেন, তাঁর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদান যথাযথ মূল্যায়ন না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সাংস্কৃতিকভাবে বঞ্চিত হবে।

আলোচনা শুরু হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও নানে রাসুল পরিবেশনের মাধ্যমে, যা গজলশিল্পী ওস্তাদ জামাল হাসান ও তাঁর সহশিল্পীরা পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কবি গোলাম কাদের, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার আকবর সিরাজী, কবির সন্তান নঈম মাশরেকী, শহীদুল ইসলাম সেলিম, মো. রুহুল আমিন বাদল প্রমুখ।

আলোচনায় আবদুল হাই মাশরেকীর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও গণতান্ত্রিক চেতনায় তাঁর অবদান বিশদভাবে আলোচিত হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের উদ্বেগ বাড়ছে: সংঘাত, ভিসা ও ফ্লাইট সমস্যায় রেমিট্যান্স শঙ্কা

মুক্তপ্রাণ মানবিক কবি আবদুল হাই মাশরেকীর স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিতঃ ১১:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলা গানের জনপ্রিয় ধারার নির্মাতা, কিংবদন্তি কবি ও গীতিকার আবদুল হাই মাশরেকীর ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে ‘কবি আবদুল হাই মাশরেকী’ গবেষণা কেন্দ্র ও মাসিক জনপ্রশাসন পত্রিকা भाग নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, এবং সভাপতিত্ব করেন চিত্রশিল্পী ও সমাজসেবী সন্তু সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. গোলাম শফিক—কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার; প্রফেসর গাউসুর রহমান—গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কবি; মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম—প্রাবন্ধিক ও ইতিহাসবিদ; দৈনিক বাংলার সমাচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ এবং উত্তরাঞ্চলের ঈশ্বরগঞ্জ ফোরামের সভাপতি মজিবুর রহমান।

বক্তারা উল্লেখ করেন, আবদুল হাই মাশরেকী ছিলেন এক মুক্তপ্রাণ মানবিক রেনেসাঁর কবি। তিনি ছিলেন মাটির কাছাকাছি থাকার মতো একজন ভূমিপুত্র, যিনি মানুষের প্রয়োজনের প্রতি গুরুত্ব দিতেন। প্রয়োজনে নিজের লেখা ও সৃষ্টিকর্ম বিনা পারিশ্রমিকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেন। তারা বলছেন, তাঁর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অবদান যথাযথ মূল্যায়ন না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সাংস্কৃতিকভাবে বঞ্চিত হবে।

আলোচনা শুরু হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও নানে রাসুল পরিবেশনের মাধ্যমে, যা গজলশিল্পী ওস্তাদ জামাল হাসান ও তাঁর সহশিল্পীরা পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কবি গোলাম কাদের, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার আকবর সিরাজী, কবির সন্তান নঈম মাশরেকী, শহীদুল ইসলাম সেলিম, মো. রুহুল আমিন বাদল প্রমুখ।

আলোচনায় আবদুল হাই মাশরেকীর জীবন, সাহিত্যকর্ম ও গণতান্ত্রিক চেতনায় তাঁর অবদান বিশদভাবে আলোচিত হয়।