০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৪৫ নেতাকর্মীর পদত্যাগ

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৪৫ নেতাকর্মী একযোগে পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হামিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

হামিদুল ইসলাম জানান, বুধবার (৬ এপ্রিল) ৪৫ নেতাকর্মীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনার প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে পদত্যাগী সাধারণ সম্পাদক টি এম মোস্তফা জয় জানান, ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক খান দীর্ঘদিন যাবত সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন। কিছুদিন আগে তার নিজস্ব বাহিনী দ্বারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলামকে অপহরণ করে নির্জন জায়গায় নিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে। সহ-সভাপতি আনিছুর রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং অপর সহ-সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান বাবুকে প্রকাশ্য দিবালোকে মারপিট করে আহত করেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস ছালামসহ ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছেন।

মোস্তফা জয় আরো জানান, আব্দুল মালেক খানের বিরুদ্ধে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের কারণে গত ৪ এপ্রিল ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সভায় মোট ৬৪ জন সদস্যের মধ্যে ৫০ জন উপস্থিতিতে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করে ৪৫ জন একযোগে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক খান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। সব অভিযোগ মিথ্যা। মূলত এ কমিটির দুই গ্রুপের মধ্যে বালুমহাল নিয়ে জটিলতা চলছে। আমি বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা করেছি বলে তারা সবাই এ মিথ্যা অভিযোগ করেছে। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমিই নেতাকর্মীদের সহায়তা করে থাকি।’

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান জানান, আমি আজ একটি পদত্যাগপত্র হাতে পেয়েছি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৪৫ নেতাকর্মীর পদত্যাগ

প্রকাশিতঃ ০১:৩৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০২২

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৪৫ নেতাকর্মী একযোগে পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হামিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

হামিদুল ইসলাম জানান, বুধবার (৬ এপ্রিল) ৪৫ নেতাকর্মীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনার প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে পদত্যাগী সাধারণ সম্পাদক টি এম মোস্তফা জয় জানান, ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক খান দীর্ঘদিন যাবত সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন। কিছুদিন আগে তার নিজস্ব বাহিনী দ্বারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নজরুল ইসলামকে অপহরণ করে নির্জন জায়গায় নিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে। সহ-সভাপতি আনিছুর রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং অপর সহ-সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান বাবুকে প্রকাশ্য দিবালোকে মারপিট করে আহত করেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস ছালামসহ ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছেন।

মোস্তফা জয় আরো জানান, আব্দুল মালেক খানের বিরুদ্ধে সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপের কারণে গত ৪ এপ্রিল ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সভায় মোট ৬৪ জন সদস্যের মধ্যে ৫০ জন উপস্থিতিতে সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করে ৪৫ জন একযোগে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়ে ভদ্রঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক খান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। সব অভিযোগ মিথ্যা। মূলত এ কমিটির দুই গ্রুপের মধ্যে বালুমহাল নিয়ে জটিলতা চলছে। আমি বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা করেছি বলে তারা সবাই এ মিথ্যা অভিযোগ করেছে। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমিই নেতাকর্মীদের সহায়তা করে থাকি।’

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান জানান, আমি আজ একটি পদত্যাগপত্র হাতে পেয়েছি।