০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

নরসিংদীতে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের মহাধুমধাম

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতি এখন শীতের আঁচে কাঁপছে। এক সময় শীতের শুরুতে বাংলার ঘরে ঘরে শুরু হতো নানা ধরনের পিঠা তৈরির খামখেয়ালী। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে আড়ালে চলে গেছে সেই ঐতিহ্য, ধীরে ধীরে বিলুপ্তপ্রায় হয়ে উঠছে। তবে নরসিংদীর পলাশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে এক মনমুগ্ধকর গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাংলার প্রাচীন পিঠার ঐতিহ্যসহ পরিচিত করানো। শীতের সূচনা লগ্নে, গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, আর বাঙালির মাতৃভূমির আবেগপ্রবণতা এই পিঠা উৎসবের মাধ্যমে ধ্বনিত হয়েছে। আজকের দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করে পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজ।

উৎসবে স্থান পেয়েছে বহু প্রাচীন ও বিলুপ্তপ্রায় পিঠার রকমফের। এতে ছিল দুধচিতই, দুধপুলি, কমলা পুলি, ইলিশ পিঠা, বউ পিঠা, পুলি পিঠা, নিমপাতা পিঠা, নকশি পিঠা, পানতুয়া পিঠাসহ মোট শতাধিক ধরনের পিঠা। বিশেষ করে এই উৎসবে অংশ নিয়েছে ১০টি স্টল, শুরু হয়েছে সকাল ১১টায় এবং চলেছে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বিলুপ্তপ্রায় পিঠাগুলোকে নতুন রূপে দেখতে পেয়ে অনেকেই খুবই খুশি হয়ে সবাই অপার আনন্দে মেতে উঠেছেন। শীতের ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এলাকার সাধারণ মানুষ, সুধীজন এবং রাজনীতিবিদরা মিলেই এই উৎসবের প্রাণোচ্ছ্বলতা বাড়িয়েছেন।

অতিথিরা নানা পেশার মানুষ, কেউ দেখছিলেন, কেউ পছন্দের পিঠা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। একসঙ্গে এত পিঠা দেখার সুযোগ পেয়ে অনেকের পুরনো স্মৃতির ঝলক ধরে গেছে। পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ আরিফ পাঠানের মতে, এই পিঠা উৎসবের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন ও প্রবৃদ্ধি করা। এটি বাঙালির শত শত বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা পরম স্পৃহায় পরিবেশিত হয়েছে এই ধরণের উৎসব মাধ্যমে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

নরসিংদীতে ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের মহাধুমধাম

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতি এখন শীতের আঁচে কাঁপছে। এক সময় শীতের শুরুতে বাংলার ঘরে ঘরে শুরু হতো নানা ধরনের পিঠা তৈরির খামখেয়ালী। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে আড়ালে চলে গেছে সেই ঐতিহ্য, ধীরে ধীরে বিলুপ্তপ্রায় হয়ে উঠছে। তবে নরসিংদীর পলাশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে এক মনমুগ্ধকর গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাংলার প্রাচীন পিঠার ঐতিহ্যসহ পরিচিত করানো। শীতের সূচনা লগ্নে, গ্রামবাংলার সংস্কৃতি, আর বাঙালির মাতৃভূমির আবেগপ্রবণতা এই পিঠা উৎসবের মাধ্যমে ধ্বনিত হয়েছে। আজকের দিনব্যাপী এ উৎসবের আয়োজন করে পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজ।

উৎসবে স্থান পেয়েছে বহু প্রাচীন ও বিলুপ্তপ্রায় পিঠার রকমফের। এতে ছিল দুধচিতই, দুধপুলি, কমলা পুলি, ইলিশ পিঠা, বউ পিঠা, পুলি পিঠা, নিমপাতা পিঠা, নকশি পিঠা, পানতুয়া পিঠাসহ মোট শতাধিক ধরনের পিঠা। বিশেষ করে এই উৎসবে অংশ নিয়েছে ১০টি স্টল, শুরু হয়েছে সকাল ১১টায় এবং চলেছে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। বিলুপ্তপ্রায় পিঠাগুলোকে নতুন রূপে দেখতে পেয়ে অনেকেই খুবই খুশি হয়ে সবাই অপার আনন্দে মেতে উঠেছেন। শীতের ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এলাকার সাধারণ মানুষ, সুধীজন এবং রাজনীতিবিদরা মিলেই এই উৎসবের প্রাণোচ্ছ্বলতা বাড়িয়েছেন।

অতিথিরা নানা পেশার মানুষ, কেউ দেখছিলেন, কেউ পছন্দের পিঠা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। একসঙ্গে এত পিঠা দেখার সুযোগ পেয়ে অনেকের পুরনো স্মৃতির ঝলক ধরে গেছে। পলাশ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ আরিফ পাঠানের মতে, এই পিঠা উৎসবের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন ও প্রবৃদ্ধি করা। এটি বাঙালির শত শত বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা পরম স্পৃহায় পরিবেশিত হয়েছে এই ধরণের উৎসব মাধ্যমে।