১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন

সরকার গঠনের পরে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনাে ভারতের আগ্রহ

বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ বিষয়ক এখনো কোনো আলোচনা শুরু হয়নি বলে ভারত সরকার উল্লেখ করেছে। তবে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে তাদের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তিটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, যা ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর ডিসেম্বরে শেষ হবে। শুক্রবার লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মালা রায়ের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গার পানের বণ্টন নিয়ে কোনো আলোচনা শুরু হয়নি। তবে তিনি জানিয়েছেন, পানির প্রয়োজনীয়তা, বিশেষ করে পানীয় ও শিল্পের জন্য, এর গুরুত্ব নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সরকারের মতকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গেও আলোচনা চালানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন যে, রাজ্যের মতামত না নেওয়াই হয়তো ভারতের গঙ্গা পানির চুক্তির পুনর্নবীকরণে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে ভারতের সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সূত্রের খবর, ইতোমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মতামত জানিয়েছে। এরপরেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার একটি খসড়া প্রস্তুত করে রেখেছে।

২০২৫ সালের মার্চে, ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন, বাংলাদেশের একটি যৌথ দল এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞদের একটি দল গঙ্গার পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণে ফারাক্কা ব্যারেজে পৃথকভাবে পরিদর্শন করে, যেখানে তারা ১৯৯৬ সালের চুক্তির কার্যকারিতা এবং প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করে। এই পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

সরকার গঠনের পরে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনাে ভারতের আগ্রহ

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ বিষয়ক এখনো কোনো আলোচনা শুরু হয়নি বলে ভারত সরকার উল্লেখ করেছে। তবে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে তাদের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তিটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, যা ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মেয়াদ চলতি বছর ডিসেম্বরে শেষ হবে। শুক্রবার লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মালা রায়ের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং বলেন, এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গার পানের বণ্টন নিয়ে কোনো আলোচনা শুরু হয়নি। তবে তিনি জানিয়েছেন, পানির প্রয়োজনীয়তা, বিশেষ করে পানীয় ও শিল্পের জন্য, এর গুরুত্ব নিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত নেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সরকারের মতকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গেও আলোচনা চালানো হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন যে, রাজ্যের মতামত না নেওয়াই হয়তো ভারতের গঙ্গা পানির চুক্তির পুনর্নবীকরণে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে ভারতের সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সূত্রের খবর, ইতোমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মতামত জানিয়েছে। এরপরেই ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার একটি খসড়া প্রস্তুত করে রেখেছে।

২০২৫ সালের মার্চে, ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন, বাংলাদেশের একটি যৌথ দল এবং কারিগরি বিশেষজ্ঞদের একটি দল গঙ্গার পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণে ফারাক্কা ব্যারেজে পৃথকভাবে পরিদর্শন করে, যেখানে তারা ১৯৯৬ সালের চুক্তির কার্যকারিতা এবং প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করে। এই পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।