০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বললেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করেছেন, তিনি তাঁর জীবন পর্যন্ত কোনো অবস্থায় মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালেও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তারা, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, তিনি আগে থেকেই জানতেন যে নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে তাঁদের শপথ গ্রহণ করতেই হবে। এরপরও তিনি এই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন, কারণ তাঁর মূল লক্ষ্য হলো জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে তিনি প্রস্তুত।

সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়বদ্ধতা অনুযায়ী নিয়মিত কাজ করতে হবে, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিজেকে মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে দূরে রেখেই সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চান তিনি। এই সিদ্ধান্তে কোনও রাজনৈতিক মান-অভিমান নেই, বরং এটি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও ঘোষণা করেন, সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন আনতে এলাকার উন্নয়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা ও সমন্বিত কাজ তার দায়িত্ব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদের কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন এক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু তৈরি করেছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই সিদ্ধান্ত তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও দলের মাঝে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বললেন, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না

প্রকাশিতঃ ১০:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঘোষণা করেছেন, তিনি তাঁর জীবন পর্যন্ত কোনো অবস্থায় মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেবেন না। মঙ্গলবার সকালেও কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তারা, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, তিনি আগে থেকেই জানতেন যে নতুন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে তাঁদের শপথ গ্রহণ করতেই হবে। এরপরও তিনি এই সিদ্ধান্তে অটল থাকবেন, কারণ তাঁর মূল লক্ষ্য হলো জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা। তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে তিনি প্রস্তুত।

সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়বদ্ধতা অনুযায়ী নিয়মিত কাজ করতে হবে, স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিজেকে মন্ত্রিত্বের মোহ থেকে দূরে রেখেই সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চান তিনি। এই সিদ্ধান্তে কোনও রাজনৈতিক মান-অভিমান নেই, বরং এটি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও ঘোষণা করেন, সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন আনতে এলাকার উন্নয়ন, শৃঙ্খলা রক্ষা ও সমন্বিত কাজ তার দায়িত্ব।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, উপজেলা প্রাণিসম্পদের কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার বেগ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া ও আফতাব আহমেদসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। এই ঘোষণা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন এক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু তৈরি করেছে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এই সিদ্ধান্ত তাদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও দলের মাঝে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করেছে।