১০:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঈদযাত্রায় তেলের ভোগান্তি, বাসচালক ও পরিবহনকর্মীর দুর্ভোগ চলছেই ঢাকা থেকে ১৭ দিনে মধ্যপ্রাচ্যগামী ৫২৮টি ফ্লাইট বাতিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে স্নাতক পাস বাধ্যতামূলক ঘোষণা প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে দিন-রাত কাজ করবে সরকার: তারেক রহমান র‍্যাব ও পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৈষম্য তদন্তে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, মাসিক ক্ষতি প্রায় ১৫৬ কোটি টাকা ডা. জাহেদ উর রহমানকে তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাইলাতুল কদর: প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা

ঈদের ছুটিতেও সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের আমদানি-রপ্তানি এবং শিল্পখাতে বেতন-বোনাস পরিশোধ নির্বিঘ্ন রাখতে আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির সময় সীমিতভাবে ব্যাংক শাখা খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে। দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও জরুরি ব্যাংকিং সেবা চালু রাখাই বিশেষ ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য।

সোমবার (১৬ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদের দিন ব্যতীত ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর সংলগ্ন ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথ প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা রাখা হবে। এই নির্দেশনা সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও প্রযোজ্য হবে।

পোশাক ও শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য জরুরি অর্থপ্রবাহ নিশ্চিতে ১৮ ও ১৯ মার্চ বিশেষ ব্যবস্থায় কিছু শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাভার, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলের নির্দিষ্ট শাখাগুলো সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি লেনদেনের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের জন্য বিরতি রাখা হবে। মূলত শিল্প এলাকায় শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধের চাপ বিবেচনা করেই এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বন্দরসংলগ্ন ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে আলাদা নির্দেশনা রয়েছে। ১৭ মার্চ এবং ২০ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত বন্দর সংলগ্ন শাখাগুলোর লেনদেনের সময়সূচি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো নিজেদের ব্যবস্থাপনায় নির্ধারণ করবে। একথা উল্লেখ্য, ২১ মার্চ চাঁদ দেখা সাপেক্ষে যদি পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়, তাহলে ওই দিন দেশের সব ব্যাংক বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই বিশেষ ব্যবস্থার ফলে দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও বৈদেশিক বাণিজ্য, রেমিট্যান্স এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের অর্থপরিশোধে বিরতি বা জটিলতা সৃষ্টি হবে না। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোরকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে ছুটির দিনেও গ্রাহক ও ব্যবসায়ীরা জরুরি ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা থেকে ১৭ দিনে মধ্যপ্রাচ্যগামী ৫২৮টি ফ্লাইট বাতিল

ঈদের ছুটিতেও সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ

প্রকাশিতঃ ১০:৪০:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের আমদানি-রপ্তানি এবং শিল্পখাতে বেতন-বোনাস পরিশোধ নির্বিঘ্ন রাখতে আসন্ন ঈদুল ফিতরের ছুটির সময় সীমিতভাবে ব্যাংক শাখা খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে। দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও জরুরি ব্যাংকিং সেবা চালু রাখাই বিশেষ ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য।

সোমবার (১৬ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদের দিন ব্যতীত ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর সংলগ্ন ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথ প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা রাখা হবে। এই নির্দেশনা সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও প্রযোজ্য হবে।

পোশাক ও শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য জরুরি অর্থপ্রবাহ নিশ্চিতে ১৮ ও ১৯ মার্চ বিশেষ ব্যবস্থায় কিছু শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাভার, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলের নির্দিষ্ট শাখাগুলো সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি লেনদেনের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জোহরের নামাজের জন্য বিরতি রাখা হবে। মূলত শিল্প এলাকায় শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধের চাপ বিবেচনা করেই এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বন্দরসংলগ্ন ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কে আলাদা নির্দেশনা রয়েছে। ১৭ মার্চ এবং ২০ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত বন্দর সংলগ্ন শাখাগুলোর লেনদেনের সময়সূচি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো নিজেদের ব্যবস্থাপনায় নির্ধারণ করবে। একথা উল্লেখ্য, ২১ মার্চ চাঁদ দেখা সাপেক্ষে যদি পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়, তাহলে ওই দিন দেশের সব ব্যাংক বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এই বিশেষ ব্যবস্থার ফলে দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও বৈদেশিক বাণিজ্য, রেমিট্যান্স এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের অর্থপরিশোধে বিরতি বা জটিলতা সৃষ্টি হবে না। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোরকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে ছুটির দিনেও গ্রাহক ও ব্যবসায়ীরা জরুরি ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারেন।