০৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঈদযাত্রায় তেলের ভোগান্তি, বাসচালক ও পরিবহনকর্মীর দুর্ভোগ চলছেই ঢাকা থেকে ১৭ দিনে মধ্যপ্রাচ্যগামী ৫২৮টি ফ্লাইট বাতিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে স্নাতক পাস বাধ্যতামূলক ঘোষণা প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে দিন-রাত কাজ করবে সরকার: তারেক রহমান র‍্যাব ও পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৈষম্য তদন্তে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, মাসিক ক্ষতি প্রায় ১৫৬ কোটি টাকা ডা. জাহেদ উর রহমানকে তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লাইলাতুল কদর: প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা

শবে কদর, ঈদ ও স্বাধীনতা দিবসে হিলি স্থলবন্দর ১০ দিন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর এবং স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে টানা ১০ দিন সব বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হিলি কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত বন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি ও সমস্ত ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় ২৮ মার্চ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী সোমবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

এই সংক্রান্ত নোটিশ ইতিমধ্যে হিলি স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, বিজিবি এবং ভারতের সংশ্লিষ্ট কাস্টমস ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীসহ দুই দেশের পরিবহন ও শ্রমিক সংগঠনগুলোকে পাঠানো হয়েছে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নাজমুল হাসান বলেন, “পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে বন্দরকে ১০ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ২৮ মার্চ থেকে পক্ষাকালীনভাবে কার্যক্রমে ফিরবে।”

বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত বন্ধ থাকবে না—হিলি স্থলবন্দর পুলিশের এসআই ফরিদুর রহমান জানান, বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিকভাবে চলবে। হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী বলেন, ছুটির সময়ে কাস্টমসের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলমান রাখা হচ্ছে যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে লেনদেন পরিচালনা করা যায়।

এই দীর্ঘ ছুটির মূল কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও বন্দরের শ্রমিকরা সুবিধা করে উৎসব পালনের সুযোগ পাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা থেকে ১৭ দিনে মধ্যপ্রাচ্যগামী ৫২৮টি ফ্লাইট বাতিল

শবে কদর, ঈদ ও স্বাধীনতা দিবসে হিলি স্থলবন্দর ১০ দিন বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর এবং স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে টানা ১০ দিন সব বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হিলি কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৮ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত বন্দরে পণ্য আমদানি-রপ্তানি ও সমস্ত ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় ২৮ মার্চ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী সোমবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

এই সংক্রান্ত নোটিশ ইতিমধ্যে হিলি স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, বিজিবি এবং ভারতের সংশ্লিষ্ট কাস্টমস ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীসহ দুই দেশের পরিবহন ও শ্রমিক সংগঠনগুলোকে পাঠানো হয়েছে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. নাজমুল হাসান বলেন, “পবিত্র শবে কদর, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতে বন্দরকে ১০ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ২৮ মার্চ থেকে পক্ষাকালীনভাবে কার্যক্রমে ফিরবে।”

বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত বন্ধ থাকবে না—হিলি স্থলবন্দর পুলিশের এসআই ফরিদুর রহমান জানান, বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের পারাপার অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিকভাবে চলবে। হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী বলেন, ছুটির সময়ে কাস্টমসের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলমান রাখা হচ্ছে যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে লেনদেন পরিচালনা করা যায়।

এই দীর্ঘ ছুটির মূল কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও বন্দরের শ্রমিকরা সুবিধা করে উৎসব পালনের সুযোগ পাবে।