১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক বাতিল করল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, জহিরকে প্রশাসক নিয়োগ নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে আটকে পড়ায় সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ভারতের আপত্তিতে নেপাল থেকে বাংলাদেশへの অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি স্থগিত অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের কার্যকর প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নারী-শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টির মধ্যেও কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে হাজির

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞ সংক্রান্ত মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালেই কারাগার থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের সামনে।

প্রসিকিউশন পূর্বে ৭ মে অনুপস্থিতির কারণে তিনজনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়্যারেন্ট চেয়ে আবেদন করে। সেই অনুযায়ী তাদের হাজির করতেই আজকের দিন ধার্য করা হয়।

ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন ডা. দীপু মনি। তিনি তখন আন্তর্জাতিকভাবে দাবি করেছিলেন যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ‘উচ্ছৃঙ্খল’ একদলকে নির্মূল করেছে। পাশাপাশি প্রসিকিউটর জানান, শুরু থেকেই হেফাজতের সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার হিসেবে একাত্তর টিভির মাধ্যমে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু তাদের ভাষণ সম্প্রচার করেছেন।

মামলাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত কর্মকর্তা আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানানো হয়েছে।

এ মামলায় ইতোমধ্যেই ছয় জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন — সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ.কে.এম. শহিদুল হক, সাবেক পুলিশ উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্লা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশের সময় ঢাকাসহ চারটি স্থানে মোট ৫৮ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজন—এমনটি তদন্ত সংস্থার শনাক্ত করা তথ্য।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে আটকে পড়ায় সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু ট্রাইব্যুনালে হাজির

প্রকাশিতঃ ১০:৪২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে ঘটে যাওয়া হত্যাযজ্ঞ সংক্রান্ত মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালেই কারাগার থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের সামনে।

প্রসিকিউশন পূর্বে ৭ মে অনুপস্থিতির কারণে তিনজনের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়্যারেন্ট চেয়ে আবেদন করে। সেই অনুযায়ী তাদের হাজির করতেই আজকের দিন ধার্য করা হয়।

ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন ডা. দীপু মনি। তিনি তখন আন্তর্জাতিকভাবে দাবি করেছিলেন যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ‘উচ্ছৃঙ্খল’ একদলকে নির্মূল করেছে। পাশাপাশি প্রসিকিউটর জানান, শুরু থেকেই হেফাজতের সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার হিসেবে একাত্তর টিভির মাধ্যমে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু তাদের ভাষণ সম্প্রচার করেছেন।

মামলাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত কর্মকর্তা আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানানো হয়েছে।

এ মামলায় ইতোমধ্যেই ছয় জন আসামি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন — সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ.কে.এম. শহিদুল হক, সাবেক পুলিশ উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্লা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশের সময় ঢাকাসহ চারটি স্থানে মোট ৫৮ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজন—এমনটি তদন্ত সংস্থার শনাক্ত করা তথ্য।