১২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক বাতিল করল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ, জহিরকে প্রশাসক নিয়োগ নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে আটকে পড়ায় সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ভারতের আপত্তিতে নেপাল থেকে বাংলাদেশへの অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি স্থগিত অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের কার্যকর প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নারী-শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টির মধ্যেও কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বেসরকারি ল্যাবে আমদানি পণ্যের রাসায়নিক পরীক্ষা অনুমোদন দিল এনবিআর

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আমদানি পণ্যের খালাস প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক পরীক্ষা করার অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য কাস্টমস নীতি শাখা থেকে সম্প্রতি একটি আদেশ জারি করা হয়েছে।

এনবিআর নির্দেশে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি আমদানিকারকদের ঘোষিত পণ্যের মান ও গুণগততা যাচাইয়ের জন্য কাস্টমস নিয়মিতভাবে রাসায়নিক পরীক্ষা করে থাকে। পূর্বে এসব পরীক্ষা প্রধানত কাস্টমস হাউসের নিজস্ব ল্যাব বা নির্দিষ্ট সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে করা হতো। কিন্তু সরকারি ল্যাবগুলোর সীমিত সক্ষমতার কারণে পরীক্ষার ফল পাওয়ার সময় দীর্ঘতর হতো, ফলে পণ্য খালাসে বিলম্ব ও অতিরিক্ত খরচ দেখা যেত।

সমস্যা নিরসনের অংশ হিসেবে এখন থেকে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) ও আন্তর্জাতিক মান সংস্থা আইএসও কর্তৃক স্বীকৃত বেসরকারি ল্যাবরেটরিগুলোতেও আমদানি পণ্যের নমুনা পাঠানো যাবে। এসব বেসরকারি ল্যাব থেকে পাওয়া পরীক্ষার প্রতিবেদনকে শুল্কায়ন ও খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

তবে এনবিআর কিছু শর্তও আরোপ করেছে। বেসরকারি ল্যাবগুলোকে অবশ্যই বিএবি অনুমোদিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও মানদণ্ড অনুসরণ করে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া আমদানি নীতি আদেশে যেখানে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের জন্য বিশেষ সরকারি ল্যাবের নাম নির্ধারিত আছে, সেই সব ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে না এবং সেসব পণ্যের পরীক্ষা আগের নিয়মেই নির্ধারিত সরকারি ল্যাবে করাতে হবে।

এনবিআরের এই পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে আমদানিকারকদের দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তি কমবে, পণ্য খালাস দ্রুততর হবে এবং ব্যবসায়িক সময় ও খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে আটকে পড়ায় সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান

বেসরকারি ল্যাবে আমদানি পণ্যের রাসায়নিক পরীক্ষা অনুমোদন দিল এনবিআর

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আমদানি পণ্যের খালাস প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে রাসায়নিক পরীক্ষা করার অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য কাস্টমস নীতি শাখা থেকে সম্প্রতি একটি আদেশ জারি করা হয়েছে।

এনবিআর নির্দেশে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি আমদানিকারকদের ঘোষিত পণ্যের মান ও গুণগততা যাচাইয়ের জন্য কাস্টমস নিয়মিতভাবে রাসায়নিক পরীক্ষা করে থাকে। পূর্বে এসব পরীক্ষা প্রধানত কাস্টমস হাউসের নিজস্ব ল্যাব বা নির্দিষ্ট সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে করা হতো। কিন্তু সরকারি ল্যাবগুলোর সীমিত সক্ষমতার কারণে পরীক্ষার ফল পাওয়ার সময় দীর্ঘতর হতো, ফলে পণ্য খালাসে বিলম্ব ও অতিরিক্ত খরচ দেখা যেত।

সমস্যা নিরসনের অংশ হিসেবে এখন থেকে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) ও আন্তর্জাতিক মান সংস্থা আইএসও কর্তৃক স্বীকৃত বেসরকারি ল্যাবরেটরিগুলোতেও আমদানি পণ্যের নমুনা পাঠানো যাবে। এসব বেসরকারি ল্যাব থেকে পাওয়া পরীক্ষার প্রতিবেদনকে শুল্কায়ন ও খালাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

তবে এনবিআর কিছু শর্তও আরোপ করেছে। বেসরকারি ল্যাবগুলোকে অবশ্যই বিএবি অনুমোদিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ও মানদণ্ড অনুসরণ করে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া আমদানি নীতি আদেশে যেখানে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের জন্য বিশেষ সরকারি ল্যাবের নাম নির্ধারিত আছে, সেই সব ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে না এবং সেসব পণ্যের পরীক্ষা আগের নিয়মেই নির্ধারিত সরকারি ল্যাবে করাতে হবে।

এনবিআরের এই পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে আমদানিকারকদের দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তি কমবে, পণ্য খালাস দ্রুততর হবে এবং ব্যবসায়িক সময় ও খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।