০৬:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

ছোট সুমন বাহিনীর প্রধানসহ ৭ বনদস্যু অস্ত্র-গুলি জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ

সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু ‘ছোট সুমন’ নেতৃত্বে থাকা সাত সদস্যের একটি দল বহুবর্ষ পর আবারও অস্ত্র-গুলি জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মसमর্পণ করেছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের চত্বরে জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেজবা উল ইসলামের কাছে তারা ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৫ রাউন্ড তাজা গুলি জমা দেন।

আত্মসমর্পণের সময় কোস্ট গার্ড, বিওজিপি, পুলিশ, বন বিভাগ, র‍্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আহত পারিপার্শ্বিকতায় বলা হয়েছে, এই বাহিনীটি এর আগেও ২০১৮ সালে একবার র‍্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল।

কোস্ট গার্ড বলছে, সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলে তারা ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। তীব্র সচেষ্টতার ফলে গত ১৭ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মোংলার নন্দবালা খাল সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ডের কাছে ওই বাহিনী অনানুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। ওই সময়ে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ৩টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ২টি দেশীয় পাইপগান, ২৫ রাউন্ড তাজা গুলি এবং ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের মধ্যে রয়েছেন মোংলার বাসিন্দা বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার (৩২), রবিউল মল্লিক (২৫), রফিক শেখ (২৯), সিদ্দিক হাওলাদার (৪০), গোলাম মল্লিক (৩৮), ইসমাইল খান (৩১) ও রামপালের মাহফুজ মল্লিক (৩৪)।

বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার দাবি করেন, ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য করছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করছিলেন। কিন্তু বিগত ৫ আগস্টের পরে নানা ধরনের হামলা, মামলা ও জেল-জুলুমের শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে আবার এই পথে নামতে হয়েছিল। এখন সুযোগ পেয়ে তারা ফিরে এসে আত্মসমর্পণ করেছে এবং সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছে যেন তাদের মামলা সমূহ সহজ করা হয় এবং নতুন করে হয়রানির শিকার না হতে দেওয়া হয়, যেন তারা শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন করতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

ছোট সুমন বাহিনীর প্রধানসহ ৭ বনদস্যু অস্ত্র-গুলি জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু ‘ছোট সুমন’ নেতৃত্বে থাকা সাত সদস্যের একটি দল বহুবর্ষ পর আবারও অস্ত্র-গুলি জমা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মसमর্পণ করেছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের চত্বরে জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মেজবা উল ইসলামের কাছে তারা ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৫ রাউন্ড তাজা গুলি জমা দেন।

আত্মসমর্পণের সময় কোস্ট গার্ড, বিওজিপি, পুলিশ, বন বিভাগ, র‍্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আহত পারিপার্শ্বিকতায় বলা হয়েছে, এই বাহিনীটি এর আগেও ২০১৮ সালে একবার র‍্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল।

কোস্ট গার্ড বলছে, সুন্দরবনে বনদস্যু নির্মূলে তারা ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। তীব্র সচেষ্টতার ফলে গত ১৭ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মোংলার নন্দবালা খাল সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ডের কাছে ওই বাহিনী অনানুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। ওই সময়ে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ৩টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ২টি দেশীয় পাইপগান, ২৫ রাউন্ড তাজা গুলি এবং ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের মধ্যে রয়েছেন মোংলার বাসিন্দা বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার (৩২), রবিউল মল্লিক (২৫), রফিক শেখ (২৯), সিদ্দিক হাওলাদার (৪০), গোলাম মল্লিক (৩৮), ইসমাইল খান (৩১) ও রামপালের মাহফুজ মল্লিক (৩৪)।

বাহিনীর প্রধান সুমন হাওলাদার দাবি করেন, ২০১৮ সালে আত্মসমর্পণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য করছিলেন এবং স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করছিলেন। কিন্তু বিগত ৫ আগস্টের পরে নানা ধরনের হামলা, মামলা ও জেল-জুলুমের শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে আবার এই পথে নামতে হয়েছিল। এখন সুযোগ পেয়ে তারা ফিরে এসে আত্মসমর্পণ করেছে এবং সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছে যেন তাদের মামলা সমূহ সহজ করা হয় এবং নতুন করে হয়রানির শিকার না হতে দেওয়া হয়, যেন তারা শান্তিপূর্ণভাবে জীবনযাপন করতে পারে।