০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিঠামইনে বল্লমে আঘাত করে বড় ভাইকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে দুই ছোট ভাইকে বাঁধা রেখে বড় ভাইকে বল্লমে আঘাত করে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার মুশুরিয়া এলাকার ঘোড়াউত্রা নদীতে এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সাইদুর রহমান (৩০) মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের ধলাই গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাইদুর নিজের দুই ভাই আনিছুর রহমান ও আতাউর রহমানকে নিয়ে ঘোড়াউত্রা নদীতে রিংজাল নিয়ে মাছ ধরছিলেন।

সেই সময় মুখোশ পরা চারজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র — বল্লম ও দা — নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে আনিছুর ও আতাউরকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলেন। পরে সাইদুরকে লক্ষ্য করে বল্লম দিয়ে আঘাত করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

উদ্ধারকারীরা তাকে তৎক্ষণাত উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডান পাশের ফুসফুসের উপরের অংশে গুরুতর আঘাতের লক্ষণ ছিল।

নিহতের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান অভিযোগ করেন, ঘটনার কিছু দিন আগে জাল ফেলাকে কেন্দ্র করে মুশুরিয়া গ্রামের নোয়াব মিয়া ও কয়েকজনের সঙ্গে সাইদুরের বাকবিতণ্ডা হয়েছিল; তখন নোয়াব মিয়া স্থানীয়ভাবে ঝামেলার হুমকি দিয়েছিলেন। হাবিবুরের ধারণা অন্যান্য বিরোধ থেকেই সম্ভাব্য এই প্রতিহিংসার কারণ হতে পারে। অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিয়াকত আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে; জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নিহত সাইদুর রহমানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কারাগারের চার দেয়ালে ১৬১ ‘ভিআইপি’র ঈদ

মিঠামইনে বল্লমে আঘাত করে বড় ভাইকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে দুই ছোট ভাইকে বাঁধা রেখে বড় ভাইকে বল্লমে আঘাত করে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার মুশুরিয়া এলাকার ঘোড়াউত্রা নদীতে এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সাইদুর রহমান (৩০) মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের ধলাই গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাইদুর নিজের দুই ভাই আনিছুর রহমান ও আতাউর রহমানকে নিয়ে ঘোড়াউত্রা নদীতে রিংজাল নিয়ে মাছ ধরছিলেন।

সেই সময় মুখোশ পরা চারজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র — বল্লম ও দা — নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে আনিছুর ও আতাউরকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলেন। পরে সাইদুরকে লক্ষ্য করে বল্লম দিয়ে আঘাত করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

উদ্ধারকারীরা তাকে তৎক্ষণাত উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডান পাশের ফুসফুসের উপরের অংশে গুরুতর আঘাতের লক্ষণ ছিল।

নিহতের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান অভিযোগ করেন, ঘটনার কিছু দিন আগে জাল ফেলাকে কেন্দ্র করে মুশুরিয়া গ্রামের নোয়াব মিয়া ও কয়েকজনের সঙ্গে সাইদুরের বাকবিতণ্ডা হয়েছিল; তখন নোয়াব মিয়া স্থানীয়ভাবে ঝামেলার হুমকি দিয়েছিলেন। হাবিবুরের ধারণা অন্যান্য বিরোধ থেকেই সম্ভাব্য এই প্রতিহিংসার কারণ হতে পারে। অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিয়াকত আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে; জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নিহত সাইদুর রহমানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।