০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ভারতের আপত্তিতে নেপাল থেকে বাংলাদেশへの অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি স্থগিত অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের কার্যকর প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নারী-শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টির মধ্যেও কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃষ্টি উপেক্ষা করে কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাবি শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব অপহরণ: আদাবর-শ্যামলী চক্রের ৯ জন গ্রেপ্তার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী সাদমান সাকিবকে অপহরণের ঘটনায় রাজধানীর আদাবর-শ্যামলী এলাকার একটি অপহরণ ও ছিনতাই চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে।

গ্রেপ্তাররা হলেন: জাহিদ হোসেন (২০), হোসাইন আহ্মদ ওরফে সিফাত (২৫), ইয়াছিন ওরফে আজমান (২৭), আরিফুল ইসলাম (২৩), মাহিম চৌধুরী আকাশ (২০), সাকিব (২৪), সোহেল রানা (২৪), মো. নাঈম (২৩) ও মো. মর্তুজা তামিম (২৬)।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার কিছু দিন আগে রাত সাড়ে ১১টার দিকে শ্যামলী বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে সাদমান সাকিবকে অপহরণ করা হয়। অভিযুক্তরা তিন–চারজন হয়ে দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে তাকে একটি সরু গলিতে নিয়ে যায় এবং তার মুঠোফোন, মানিব্যাগ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে পরিবারের কাছে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম জানান, ঘটনার সময় পাশের এলাকায় টহল দিচ্ছিল সরকারি পুলিশ। ভুক্তভোগী চিৎকার করলে পুলিশ দ্রুত সেখানে পৌঁছে গেলে হামলাকারীরা পালাতে শুরু করে; কিন্তু জাহিদ হোসেনকে আটক করা যায়। জাহিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরে আরও আটজনকে ধাওয়া করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ফজলুল করিম আরও বলেন, এই চক্রটি মূলত ভোরে মোহাম্মদপুর-আদাবর এলাকায় সক্রিয় ছিল—বাজারে মালামাল আনতে গেলে বিশেষ করে একা থাকা ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে তারা অপহরণ করত। তিনি জানান, চক্রটির মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদ এবং তার বিরুদ্ধে জড়িত আরও দুইজনের নামেও রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা করেছে পুলিশ। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। পুলিশ চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তারা শহরের অন্য কোথাও একই ধরনের অপরাধ করেছে কিনা এবং আরও কোনো ভুক্তভোগী আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন

ঢাবি শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব অপহরণ: আদাবর-শ্যামলী চক্রের ৯ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী সাদমান সাকিবকে অপহরণের ঘটনায় রাজধানীর আদাবর-শ্যামলী এলাকার একটি অপহরণ ও ছিনতাই চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম বৃহস্পতিবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে।

গ্রেপ্তাররা হলেন: জাহিদ হোসেন (২০), হোসাইন আহ্মদ ওরফে সিফাত (২৫), ইয়াছিন ওরফে আজমান (২৭), আরিফুল ইসলাম (২৩), মাহিম চৌধুরী আকাশ (২০), সাকিব (২৪), সোহেল রানা (২৪), মো. নাঈম (২৩) ও মো. মর্তুজা তামিম (২৬)।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার কিছু দিন আগে রাত সাড়ে ১১টার দিকে শ্যামলী বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে সাদমান সাকিবকে অপহরণ করা হয়। অভিযুক্তরা তিন–চারজন হয়ে দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে তাকে একটি সরু গলিতে নিয়ে যায় এবং তার মুঠোফোন, মানিব্যাগ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে পরিবারের কাছে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম জানান, ঘটনার সময় পাশের এলাকায় টহল দিচ্ছিল সরকারি পুলিশ। ভুক্তভোগী চিৎকার করলে পুলিশ দ্রুত সেখানে পৌঁছে গেলে হামলাকারীরা পালাতে শুরু করে; কিন্তু জাহিদ হোসেনকে আটক করা যায়। জাহিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরে আরও আটজনকে ধাওয়া করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ফজলুল করিম আরও বলেন, এই চক্রটি মূলত ভোরে মোহাম্মদপুর-আদাবর এলাকায় সক্রিয় ছিল—বাজারে মালামাল আনতে গেলে বিশেষ করে একা থাকা ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে তারা অপহরণ করত। তিনি জানান, চক্রটির মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদ এবং তার বিরুদ্ধে জড়িত আরও দুইজনের নামেও রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা করেছে পুলিশ। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। পুলিশ চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তারা শহরের অন্য কোথাও একই ধরনের অপরাধ করেছে কিনা এবং আরও কোনো ভুক্তভোগী আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে।