০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের কার্যকর প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নারী-শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টির মধ্যেও কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃষ্টি উপেক্ষা করে কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতে বাপেক্সকে পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে: ইকবাল হাসান মাহমুদ কুনমিং—চট্টগ্রাম সরাসরি সড়ক ও তিস্তায় ব্যারেজসহ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

ফতুল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, ৫ জন আহত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা অঞ্চলে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালীন পুলিশের ওপর সশস্ত্র হামলা ও গুলি চালার ঘটনা ঘটেছে; ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন।

শনিৗবার (১৩ জুন) দিবাগত রাতে মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে সাড়ে ১৫ কেজি গাঁজা জব্দ করে এবং ফাইটার মনির (৩৮), নাঈম (২৮) ও মাসুম (২৪) নামে তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ফতুল্লা মডেল থানার এসআই নন্দন সরকার।

গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফাইটার মনিরের সহযোগীরা তাদের ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশকে ঘিরে সংঘবদ্ধভাবে হামলা করে। হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রায় ১০-১২ রাউন্ড গুলি চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী আত্মরক্ষার প্রয়োজনে শটগান থেকে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়।

ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সূত্রগুলো বলছে, হামলাকারীদের ছোড়া গুলিতে গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে ফাইটার মনিরের পায়ে গুলিবিদ্ধের চিহ্ন দেখা গেছে। পুলিশের দফতরীয় বর্ণনায় বলা হয়েছে, হামলায় পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হলেও তারা কেউ গুলিবিদ্ধ হননি। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আছেন—এসআই নন্দন সরকার, এসআই মনির, এএসআই কামরুল হাসান, এএসআই মনির হোসাইন এবং কনস্টেবল আশিক; সকলকে খানপুর শহীদ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, সাইডনথক গোপন সংবাদের ওপর ভিত্তি করে অভিযান চালানো হয় এবং অভিযান থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর হামলাকারীরা পুলিশি প্রতিরোধে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে; তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের সহযোগী সন্দেহে খোঁজ দেখা হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ জনগণকে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন এবং যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দাঁড় করিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী

ফতুল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, ৫ জন আহত

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা অঞ্চলে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালীন পুলিশের ওপর সশস্ত্র হামলা ও গুলি চালার ঘটনা ঘটেছে; ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন।

শনিৗবার (১৩ জুন) দিবাগত রাতে মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে সাড়ে ১৫ কেজি গাঁজা জব্দ করে এবং ফাইটার মনির (৩৮), নাঈম (২৮) ও মাসুম (২৪) নামে তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ফতুল্লা মডেল থানার এসআই নন্দন সরকার।

গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফাইটার মনিরের সহযোগীরা তাদের ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশকে ঘিরে সংঘবদ্ধভাবে হামলা করে। হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রায় ১০-১২ রাউন্ড গুলি চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী আত্মরক্ষার প্রয়োজনে শটগান থেকে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়।

ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সূত্রগুলো বলছে, হামলাকারীদের ছোড়া গুলিতে গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে ফাইটার মনিরের পায়ে গুলিবিদ্ধের চিহ্ন দেখা গেছে। পুলিশের দফতরীয় বর্ণনায় বলা হয়েছে, হামলায় পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হলেও তারা কেউ গুলিবিদ্ধ হননি। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে আছেন—এসআই নন্দন সরকার, এসআই মনির, এএসআই কামরুল হাসান, এএসআই মনির হোসাইন এবং কনস্টেবল আশিক; সকলকে খানপুর শহীদ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, সাইডনথক গোপন সংবাদের ওপর ভিত্তি করে অভিযান চালানো হয় এবং অভিযান থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর হামলাকারীরা পুলিশি প্রতিরোধে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে; তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের সহযোগী সন্দেহে খোঁজ দেখা হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ জনগণকে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন এবং যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দাঁড় করিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।