০৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ভারতের আপত্তিতে নেপাল থেকে বাংলাদেশへの অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি স্থগিত অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের কার্যকর প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নারী-শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টির মধ্যেও কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃষ্টি উপেক্ষা করে কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খুলনায় মসজিদের ভেতরে গুলি: ফজরের নামাজ শেষে দুই মুসল্লি আহত, একর অবস্থা সংকটাপন্ন

খুলনা নগরীর দৌলতপুর এলাকায় একটি মসজিদের ভেতরে ফজরের নামাজ শেষে দুই মুসল্লিকে গুলি করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার পর, দৌলতপুর ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জামে মসজিদে। গুলিবিদ্ধরা হলেন লোকমান ও আলম; লোকমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে, আর আলম বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নামাজ শেষে মসজিদের ভেতরে মুসল্লিরা যখন বসে ছিলেন, সে সময় কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি হঠাৎ প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, লোকমান নামাজ শেষে মসজিদের ভেতরে বসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করছিলেন; ঠিক তখনই হামলাকারীরা গুলি চালায়।

গুলির আওয়াজ শুনে মসজিদে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আহতদ двухকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা লোকমানের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানান। পরবর্তীতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।

ঘটনার পর দৌলতপুর থানা ও অন্যান্য ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। দৌলতপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ফজরের নামাজ শেষে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মসজিদের ভেতরে এসে গুলি চালায়; দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদেঘাটনে কাজ করছে। হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং হামলার পিছনে পূর্বশত্রুতা, আধিপত্য বিস্তার কিংবা অন্য কোনো উদ্বেগজনক উদ্দেশ্য আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার পূর্ণ চিত্র এবং জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে এ ধরনের সশস্ত্র হামলার সংবাদে স্থানীয়রা চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পুলিশও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অর্থ ও আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন

খুলনায় মসজিদের ভেতরে গুলি: ফজরের নামাজ শেষে দুই মুসল্লি আহত, একর অবস্থা সংকটাপন্ন

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

খুলনা নগরীর দৌলতপুর এলাকায় একটি মসজিদের ভেতরে ফজরের নামাজ শেষে দুই মুসল্লিকে গুলি করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার পর, দৌলতপুর ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির জামে মসজিদে। গুলিবিদ্ধরা হলেন লোকমান ও আলম; লোকমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে, আর আলম বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নামাজ শেষে মসজিদের ভেতরে মুসল্লিরা যখন বসে ছিলেন, সে সময় কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি হঠাৎ প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, লোকমান নামাজ শেষে মসজিদের ভেতরে বসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করছিলেন; ঠিক তখনই হামলাকারীরা গুলি চালায়।

গুলির আওয়াজ শুনে মসজিদে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আহতদ двухকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা লোকমানের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানান। পরবর্তীতে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়।

ঘটনার পর দৌলতপুর থানা ও অন্যান্য ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। দৌলতপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ফজরের নামাজ শেষে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মসজিদের ভেতরে এসে গুলি চালায়; দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদেঘাটনে কাজ করছে। হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং হামলার পিছনে পূর্বশত্রুতা, আধিপত্য বিস্তার কিংবা অন্য কোনো উদ্বেগজনক উদ্দেশ্য আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার পূর্ণ চিত্র এবং জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে এ ধরনের সশস্ত্র হামলার সংবাদে স্থানীয়রা চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পুলিশও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছে।