গত মঙ্গলবার ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের মাধ্যমে দেশের পুঁজিবাজার দীর্ঘ সময় পর সম্পূর্ণ ফ্লোর মুক্ত হয়। কিন্তু আজ (১৪ জুন) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দুই শীর্ষস্থানীয় কোম্পানির—ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেড—শেয়ারে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন মনোভাব।
ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রথম কয়েক দিনে উভয় কোম্পানির শেয়ারে ক্রেতার সংকট দেখা গেলেও আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চিত্রটাই পাল্টে যায়। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে প্রচুর ক্রয় আদেশ থাকায় বিক্রেতার অনুপস্থিতিতে দাম উঠে সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারের সীমায় পৌঁছায়। শেয়ারের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বা ২ টাকা ৯০ পয়সা বেড়ে ৩২ টাকায় লেনদেন শেষ হয়। হল্ট হওয়ার আগে প্রায় ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে।
অন্য দিকে বেক্সিমকো লিমিটেডে ঠিক উল্টো পরিস্থিতি দেখা গেছে। ফ্লোর প্রত্যাহরের পর থেকে বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ার সংকেত মিলছে; আজ দুপুরে শেয়ারে ব্যাপক বিক্রয় আদেশ থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে কোম্পানির শেয়ারদর সর্বনিম্ন সার্কিট বা ১০ শতাংশ (প্রায় ৮ টাকা) কমে ৭২ টাকা ৩০ পয়সায় থামে। লেনদেনও ছিল খুবই নগণ্য—মাত্র ৫৭ বার লেনদেনে মোট মূল্য প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইসলামী ব্যাংকের দিকে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাবর্তন বাজারের জন্য ইতিবাচক সঙ্কেত, যা সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে। তবে বেক্সিমকোর দরপতন কিছু বিনিয়োগকারীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরী করেছে।
গ্রাহক ও ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সব কোম্পানি ফ্লোর মুক্ত হওয়ায় বাজার ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক গতি ফিরে পাবে। আগামী কয়েক কার্যদিবসই নয়, বরং ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণই দেখাবে নতুন মূল্য সীমা এবং বিনিয়োগকারীর মনোভাব কেমন স্থায়িত্ব পাচ্ছে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























