০৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ফ্লোর প্রত্যাহারের পর ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর বিপরীতচিত্র

শেয়ারবাজারের আলোচিত দুই কোম্পানি—ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেড—ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পরে সম্পূর্ণ ভিন্নমুখী আন্দোলন দেখিয়েছে। গত মঙ্গলবার ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর বাজারে ফ্লোর মুক্তি আসলেও আজ (১৪ জুন) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দুই কোম্পানির শেয়ারের গতিপথ ছিল প্রত্যেকের জন্য আলাদা।

ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রথম কয়েক দিনে উভয়ে ক্রেতা সংকট দেখা গেলেও আজ দুপুরে পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো; বিক্রেতার কোন উপস্থিতি ছিল না বলে রিপোর্ট করা হয়েছে। ফলে শেয়ারটি সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে প্রায় ১০ শতাংশ বা ২.৯০ টাকায় বেড়ে ৩২ টাকায় বন্ধ হয়েছে। হল্টের আগে কোম্পানির প্রায় ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ারের লেনদেন ছিল। বিনিয়োগকারীদের আগমনকে বাজার বিশ্লেষকরা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

আবার বেক্সিমকো লিমিটেডে একেবারেই উল্টো চিত্র দেখা গেছে। ফ্লোর প্রত্যাহারের পর থেকে শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের মুখে পড়েছে—আজ দুপুরে বিপুল বিক্রয় চাপের মধ্যে ক্রেতা প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে শেয়ারটি সার্কিট ব্রেকারের নিম্ন সীমা স্পর্শ করে ১০ শতাংশ বা ৮ টাকায় দাম কমে ৭২.৩০ টাকায় অবস্থান নিয়েছে। লেনদেনও খুবই নগণ্য; মাত্র ৫৭ টি ট্রানজেকশনে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার আদানপ্রদান হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইসলামী ব্যাংকে পুনরায় বিনিয়োগকারীর আগমন সামগ্রিক বাজারের জন্য দিশারী হতে পারে, যেখানে বেক্সিমকোর তীব্র দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সব কোম্পানি ফ্লোর মুক্ত হওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন যে বাজার ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনবে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, কোম্পানি ও বাজারভিত্তিক খবর, কন্ট্রাক্ট পজিশন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবেশকে নজরে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ফ্লোর প্রত্যাহারের পর ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর বিপরীতচিত্র

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

শেয়ারবাজারের আলোচিত দুই কোম্পানি—ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেড—ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পরে সম্পূর্ণ ভিন্নমুখী আন্দোলন দেখিয়েছে। গত মঙ্গলবার ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর বাজারে ফ্লোর মুক্তি আসলেও আজ (১৪ জুন) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দুই কোম্পানির শেয়ারের গতিপথ ছিল প্রত্যেকের জন্য আলাদা।

ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রথম কয়েক দিনে উভয়ে ক্রেতা সংকট দেখা গেলেও আজ দুপুরে পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো; বিক্রেতার কোন উপস্থিতি ছিল না বলে রিপোর্ট করা হয়েছে। ফলে শেয়ারটি সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে প্রায় ১০ শতাংশ বা ২.৯০ টাকায় বেড়ে ৩২ টাকায় বন্ধ হয়েছে। হল্টের আগে কোম্পানির প্রায় ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ারের লেনদেন ছিল। বিনিয়োগকারীদের আগমনকে বাজার বিশ্লেষকরা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

আবার বেক্সিমকো লিমিটেডে একেবারেই উল্টো চিত্র দেখা গেছে। ফ্লোর প্রত্যাহারের পর থেকে শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের মুখে পড়েছে—আজ দুপুরে বিপুল বিক্রয় চাপের মধ্যে ক্রেতা প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে শেয়ারটি সার্কিট ব্রেকারের নিম্ন সীমা স্পর্শ করে ১০ শতাংশ বা ৮ টাকায় দাম কমে ৭২.৩০ টাকায় অবস্থান নিয়েছে। লেনদেনও খুবই নগণ্য; মাত্র ৫৭ টি ট্রানজেকশনে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার আদানপ্রদান হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইসলামী ব্যাংকে পুনরায় বিনিয়োগকারীর আগমন সামগ্রিক বাজারের জন্য দিশারী হতে পারে, যেখানে বেক্সিমকোর তীব্র দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সব কোম্পানি ফ্লোর মুক্ত হওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন যে বাজার ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনবে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, কোম্পানি ও বাজারভিত্তিক খবর, কন্ট্রাক্ট পজিশন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবেশকে নজরে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।