০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের কার্যকর প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী নারী-শিশু অধিকার রক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ জরুরি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী দেশকে শিল্পসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নেবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টির মধ্যেও কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃষ্টি উপেক্ষা করে কক্সবাজারে একদিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমাতে বাপেক্সকে পুনরুজ্জীবিত করা হচ্ছে: ইকবাল হাসান মাহমুদ কুনমিং—চট্টগ্রাম সরাসরি সড়ক ও তিস্তায় ব্যারেজসহ চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

ফ্লোর প্রত্যাহারের পর ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর বিপরীতচিত্র

শেয়ারবাজারের আলোচিত দুই কোম্পানি—ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেড—ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পরে সম্পূর্ণ ভিন্নমুখী আন্দোলন দেখিয়েছে। গত মঙ্গলবার ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর বাজারে ফ্লোর মুক্তি আসলেও আজ (১৪ জুন) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দুই কোম্পানির শেয়ারের গতিপথ ছিল প্রত্যেকের জন্য আলাদা।

ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রথম কয়েক দিনে উভয়ে ক্রেতা সংকট দেখা গেলেও আজ দুপুরে পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো; বিক্রেতার কোন উপস্থিতি ছিল না বলে রিপোর্ট করা হয়েছে। ফলে শেয়ারটি সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে প্রায় ১০ শতাংশ বা ২.৯০ টাকায় বেড়ে ৩২ টাকায় বন্ধ হয়েছে। হল্টের আগে কোম্পানির প্রায় ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ারের লেনদেন ছিল। বিনিয়োগকারীদের আগমনকে বাজার বিশ্লেষকরা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

আবার বেক্সিমকো লিমিটেডে একেবারেই উল্টো চিত্র দেখা গেছে। ফ্লোর প্রত্যাহারের পর থেকে শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের মুখে পড়েছে—আজ দুপুরে বিপুল বিক্রয় চাপের মধ্যে ক্রেতা প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে শেয়ারটি সার্কিট ব্রেকারের নিম্ন সীমা স্পর্শ করে ১০ শতাংশ বা ৮ টাকায় দাম কমে ৭২.৩০ টাকায় অবস্থান নিয়েছে। লেনদেনও খুবই নগণ্য; মাত্র ৫৭ টি ট্রানজেকশনে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার আদানপ্রদান হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইসলামী ব্যাংকে পুনরায় বিনিয়োগকারীর আগমন সামগ্রিক বাজারের জন্য দিশারী হতে পারে, যেখানে বেক্সিমকোর তীব্র দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সব কোম্পানি ফ্লোর মুক্ত হওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন যে বাজার ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনবে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, কোম্পানি ও বাজারভিত্তিক খবর, কন্ট্রাক্ট পজিশন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবেশকে নজরে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইতিহাস সঠিকভাবে বললে বিকৃতকারীরা হেলিকপ্টারে পালাতে বাধ্য হন: তথ্যমন্ত্রী

ফ্লোর প্রত্যাহারের পর ইসলামী ব্যাংক ও বেক্সিমকোর বিপরীতচিত্র

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

শেয়ারবাজারের আলোচিত দুই কোম্পানি—ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও বেক্সিমকো লিমিটেড—ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পরে সম্পূর্ণ ভিন্নমুখী আন্দোলন দেখিয়েছে। গত মঙ্গলবার ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর বাজারে ফ্লোর মুক্তি আসলেও আজ (১৪ জুন) নতুন সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দুই কোম্পানির শেয়ারের গতিপথ ছিল প্রত্যেকের জন্য আলাদা।

ফ্লোর প্রত্যাহারের প্রথম কয়েক দিনে উভয়ে ক্রেতা সংকট দেখা গেলেও আজ দুপুরে পরিস্থিতি বদলে গেছে। ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো; বিক্রেতার কোন উপস্থিতি ছিল না বলে রিপোর্ট করা হয়েছে। ফলে শেয়ারটি সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে প্রায় ১০ শতাংশ বা ২.৯০ টাকায় বেড়ে ৩২ টাকায় বন্ধ হয়েছে। হল্টের আগে কোম্পানির প্রায় ৮৫ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ারের লেনদেন ছিল। বিনিয়োগকারীদের আগমনকে বাজার বিশ্লেষকরা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

আবার বেক্সিমকো লিমিটেডে একেবারেই উল্টো চিত্র দেখা গেছে। ফ্লোর প্রত্যাহারের পর থেকে শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের অনাগ্রহের মুখে পড়েছে—আজ দুপুরে বিপুল বিক্রয় চাপের মধ্যে ক্রেতা প্রায় নেই বললেই চলে। ফলে শেয়ারটি সার্কিট ব্রেকারের নিম্ন সীমা স্পর্শ করে ১০ শতাংশ বা ৮ টাকায় দাম কমে ৭২.৩০ টাকায় অবস্থান নিয়েছে। লেনদেনও খুবই নগণ্য; মাত্র ৫৭ টি ট্রানজেকশনে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার আদানপ্রদান হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইসলামী ব্যাংকে পুনরায় বিনিয়োগকারীর আগমন সামগ্রিক বাজারের জন্য দিশারী হতে পারে, যেখানে বেক্সিমকোর তীব্র দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সব কোম্পানি ফ্লোর মুক্ত হওয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন যে বাজার ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনবে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, কোম্পানি ও বাজারভিত্তিক খবর, কন্ট্রাক্ট পজিশন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবেশকে নজরে রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।