০৯:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মালয়েশিয়ায় ‘অপস কুতিপ’ অভিযানে ১১৮ বাংলাদেশি আটক ২২,৩৫২ প্রবাসীর এনআইডি আবেদন বাতিল ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে কী করা যাবে: ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের নির্দেশনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ একটি ‘মাফিয়া পার্টি’ শিশু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের মূল: প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে বাংলাদেশ: রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনই একমাত্র টেকসই সমাধান বাজেট বিলে: প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ তথ্যমন্ত্রী: গণমাধ্যম সংস্কারে সরকার কেবল ‘সহায়ক’ থাকলেও কার্যকর পার্টনার হবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা দাবি করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যম সংস্কারে সরকার কেবল ‘সহায়ক’: তথ্যমন্ত্রী

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী আর নেই

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি ও মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার, ১৯ জুন, দুপুরে রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

প্রায় এক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। বার্ধক্যজনিত জটিলতা ও দীর্ঘদিনের হৃদরোগে ভুগছিলেন, যার ফলে শেষ ক’টা মাস তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা বেশ নাজুক ছিল।

কবিতা, উপন্যাস ও শিশুসাহিত্যে আল মুজাহিদীর অবদান নজিরবিহীন। ‘হেমলকের পেয়ালা’, ‘ধ্রুপদ ও টেরাকোটা’, ‘যুদ্ধ নাস্তি’—এই কালজয়ী কাব্যগ্রন্থগুলোর রচয়িতা ছিলেন তিনি। সাহিত্যে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি বহু সম্মাননা পেয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ ও সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ছাপ বাংলা সাহিত্যে গভীরভাবে রয়ে গেছে। সাহিত্যজনদের মধ্যে শোকক্লেশ দেখা দিয়েছে এবং তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী আর নেই

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি ও মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার, ১৯ জুন, দুপুরে রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

প্রায় এক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। বার্ধক্যজনিত জটিলতা ও দীর্ঘদিনের হৃদরোগে ভুগছিলেন, যার ফলে শেষ ক’টা মাস তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা বেশ নাজুক ছিল।

কবিতা, উপন্যাস ও শিশুসাহিত্যে আল মুজাহিদীর অবদান নজিরবিহীন। ‘হেমলকের পেয়ালা’, ‘ধ্রুপদ ও টেরাকোটা’, ‘যুদ্ধ নাস্তি’—এই কালজয়ী কাব্যগ্রন্থগুলোর রচয়িতা ছিলেন তিনি। সাহিত্যে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি বহু সম্মাননা পেয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ ও সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ছাপ বাংলা সাহিত্যে গভীরভাবে রয়ে গেছে। সাহিত্যজনদের মধ্যে শোকক্লেশ দেখা দিয়েছে এবং তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।