ইন্দোনেশিয়ার পরিকল্পিত ‘বি৫০’ বায়োডিজেল নীতির কারণে গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে পাম তেলের দাম তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাড়েছে। স্থানীয়ভাবে পাম অয়েলের ব্যবহার বাড়ার আশঙ্কায় সরবরাহ সংকটের সম্ভাবনা দেখা দেয়; বাজার বিশ্লেষকরা এই পূর্বাভাস তুলে ধরায় ফিউচার বাজারে প্রতিক্রিয়া আসে। এ বিষয়ে তথ্য দিয়েছে অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম ‘‘বিজনেস রেকর্ডার’’।
প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশ ইন্দোনেশিয়া আগামী ১ জুলাই থেকে ‘বি৫০’ ম্যান্ডেট কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী বাহলিল লাহাদালিয়া আনুষ্ঠানিক ঘোষণাটি দেন। ‘বি৫০’ মিশ্রণে জ্বালানি তেলের ৫০ শতাংশ হবে পাম অয়েলভিত্তিক বায়োডিজেল এবং বাকি ৫০ শতাংশ হবে প্রচলিত খনিজ ডিজেল। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে আমদানিভিত্তিক খনিজ জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং কার্বন নির্গমন হ্রাস করা।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জ (BMD)-এ সেপ্টেম্বর সরবরাহ চুক্তির পাম অয়েলের দাম গত সপ্তাহে প্রতি টনে ৭২ রিঙ্গিত বা প্রায় ১.৫৭ শতাংশ বাড়ে। বর্তমানে ওই চুক্তির মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রতি টন ৪ হাজার ৬৪৫ রিঙ্গিত, যা ডলারে প্রায় ১,১২৩.৬১। তবে ডালিয়ান এবং শিকাগো স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর সরকারি ছুটির কারণে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বাজার চিত্র পাওয়া যায়নি; তাই আরও বিস্তারিত স্থিতি পরে পরিষ্কার হবে বলে বিশেষজ্ঞরা বলেন।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, যদি ইন্দোনেশিয়া ভেতরে পাম অয়েলের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম দীর্ঘমেয়াদে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তেলশিল্প ও খাদ্যসামগ্রী মুদ্রাবৃদ্ধি, আমদানি-রপ্তানি ভারসাম্য ও ভোক্তা দর কিছুমাত্র বিষয়গুলোতে এতে প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























