সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার দেশের দুইটি প্রধান স্টকবাজারে সূচক ও লেনদেন দু’পক্ষেই ব্যাপক ধাক্কা লেগেছে। ঢাকায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রামে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয় প্রতিষ্ঠানের বড় অংশে দরপতনের ফলে বাজারে মন্দা ছড়িয়ে পড়ে।
ডিএসইতে দিনের প্রথমার্ধে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর বাড়ায় সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তবে শেষে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক বিক্রির চাপ দেখা যাওয়ায় অনেক শেয়ার দরপতনের তালিকায় যুক্ত হয়। দিনের শেষে মাত্র ৭১টি প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের দর বাড়ে, বিপরীতে ২৯৮টি প্রতিষ্ঠানের দর লড়ে যায় এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত থাকে। মানসম্মত বা ভালো লভ্যাংশপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৫টির দাম বাড়লেও ১৪৩টির দর নামেছে। লভ্যাংশ না দেওয়া ‘জেড’ গ্রুপের কোম্পানির মধ্যে ১১টির দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ৯৭টির দরপতন হয়েছে। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডেরও বেশিরভাগের দাম হ্রাস পেয়েছে।
সূচকের পরিস্থিতি নিম্নরূপ: ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৬৩৯ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট নেমে ১ হাজার ১৪৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়। তুলনায় বাছাই করা ৩০টি ভালো কোম্পানির নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক সামান্য বেড়ে ২ পয়েন্টে ২ হাজার ১৪৫ পয়েন্টে উঠে। বাজারটিতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৯৪ কোটি টাকারও বেশি কম। লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস যার শেয়ারের হাতবদল মূল্য ছিল ৫০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা; শীর্ষ তালিকায় ছিল সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, রবি ও এনসিসি ব্যাংক।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও খারাপ ছায়া ছিটিয়ে পড়ে। সিএসইর সাধারণ সূচক সিএএসপিআই ১০৪ পয়েন্ট হারায়। সার্বিকভাবে বাজারে লেনদেন হওয়া ২২৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৬৯টির, আর ১৩৬টির দর কমেছে। সিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৮৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকার তুলনায় অনেক কম।
সংক্ষেপে, রবিবার পুঁজিবাজারে বিক্রির চাপ সবার ওপর ভর করে সূচক ও লেনদেন দুই অংশেই নমনীয়তা দেখা গেছে, যদিও কিছু বড় কোম্পানির শেয়ারের দর কিছুটা স্থিতিশীলতা বা বাড়তি আঘাত রোধ করেছে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























