০৮:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এনআইডি সংশোধন সহজ করতে ইসি গঠন করল পাঁচ সদস্যের কমিটি ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত ১০, আক্রান্ত ৫ হাজার ৩৯ গাঁজা অভিযোগে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের তীব্র সংঘর্ষ,多人 আহত চলতি অর্থবছরে বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি: তথ্যমন্ত্রী ঢাকা-সহ ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আর্জি: বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলুন সিপিডি: প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্ন আয়ের ওপর করের বোঝা অনুপাতে বেশি বেড়েছে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য ভাগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পানিসম্পদ মন্ত্রী সরকার এনবিআরকে দুইভাগ করে নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করবে: অর্থমন্ত্রী পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার শিক্ষামন্ত্রীকে উপহার দিলেন এক হাজার ফুটবল

ড. শফিকুল: নির্বাচনের আগে আমার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ফ্ল্যাট কেনার জন্য ঋণ নিয়েছেন

মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে বিবাদ নিয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করা হয়েছিল, নির্বাচনের আগে বিনা জামানতে তাঁর স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। প্রশ্ন ছিল—এর মধ্যে কি সত্যতা আছে কি না। এ প্রশ্নের জবাবে মাসুদ বলেছেন, হ্যাঁ, তাঁর স্ত্রী ঋণ নিয়েছেন।

মাসুদ বলেন, তাঁর স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ এবং তিনি নিয়ম মেনে একটি হোম লোন নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের হয়ে দুই কোটি টাকার মতো ঋণ নেওয়া নিয়ে বিশেষ কোনও আলোচনা হওয়ার কথা নয়।’’ তিনি জোর দিয়ে বলেন যে লোন নেওয়া পুরোপুরি নিয়মিতভাবে হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সূত্রে বলা হয়েছিলো ওই ঋণের পরিমাণ সম্পর্কেও বিভ্রান্তি দেখা দ্যেছে—এক দিকে বলা হয়েছে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা, আবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন ২ কোটি টাকা বিনা জামানতে দেওয়া হয়েছে। রাশেদ আরও লেখেন যে জামায়াতের নেতারা নিজের নামে নয়, আত্মীয়-স্বজন বা সহযোগীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন, ফলে তাদের ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপী হিসেবে দেখানোর সুযোগ নেই এবং তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী তারা কোটি কোটি টাকা ঋণ পান।

এ প্রসঙ্গে একটি বিস্তৃত অভিযোগও উঠে এসেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন যে নির্বাচনী বৈতরণী পার করাতে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে একটি দলকে ১১ হাজার কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।

মাসুদ এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসায় আনা বলে দাবি করেছেন এবং বলেছেন যে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগভিত্তিক ও রঙচঙে প্রচারণামূলক। তিনি পুনরায় দাবি করেছেন যে স্ত্রী নির্দিষ্টভাবে হোম লোন নিয়েছেন এবং সেই বিষয়ে যোগ্যতার সীমার মধ্যে সবকিছু স্বচ্ছভাবে হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত ১০, আক্রান্ত ৫ হাজার ৩৯

ড. শফিকুল: নির্বাচনের আগে আমার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ফ্ল্যাট কেনার জন্য ঋণ নিয়েছেন

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে বিবাদ নিয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করা হয়েছিল, নির্বাচনের আগে বিনা জামানতে তাঁর স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। প্রশ্ন ছিল—এর মধ্যে কি সত্যতা আছে কি না। এ প্রশ্নের জবাবে মাসুদ বলেছেন, হ্যাঁ, তাঁর স্ত্রী ঋণ নিয়েছেন।

মাসুদ বলেন, তাঁর স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ এবং তিনি নিয়ম মেনে একটি হোম লোন নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের হয়ে দুই কোটি টাকার মতো ঋণ নেওয়া নিয়ে বিশেষ কোনও আলোচনা হওয়ার কথা নয়।’’ তিনি জোর দিয়ে বলেন যে লোন নেওয়া পুরোপুরি নিয়মিতভাবে হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সূত্রে বলা হয়েছিলো ওই ঋণের পরিমাণ সম্পর্কেও বিভ্রান্তি দেখা দ্যেছে—এক দিকে বলা হয়েছে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা, আবার বিএনপি নেতা রাশেদ খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন ২ কোটি টাকা বিনা জামানতে দেওয়া হয়েছে। রাশেদ আরও লেখেন যে জামায়াতের নেতারা নিজের নামে নয়, আত্মীয়-স্বজন বা সহযোগীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেন, ফলে তাদের ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপী হিসেবে দেখানোর সুযোগ নেই এবং তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী তারা কোটি কোটি টাকা ঋণ পান।

এ প্রসঙ্গে একটি বিস্তৃত অভিযোগও উঠে এসেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন যে নির্বাচনী বৈতরণী পার করাতে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে একটি দলকে ১১ হাজার কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।

মাসুদ এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসায় আনা বলে দাবি করেছেন এবং বলেছেন যে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগভিত্তিক ও রঙচঙে প্রচারণামূলক। তিনি পুনরায় দাবি করেছেন যে স্ত্রী নির্দিষ্টভাবে হোম লোন নিয়েছেন এবং সেই বিষয়ে যোগ্যতার সীমার মধ্যে সবকিছু স্বচ্ছভাবে হয়েছে।