০৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এনআইডি সংশোধন সহজ করতে ইসি গঠন করল পাঁচ সদস্যের কমিটি ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত ১০, আক্রান্ত ৫ হাজার ৩৯ গাঁজা অভিযোগে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের তীব্র সংঘর্ষ,多人 আহত চলতি অর্থবছরে বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি: তথ্যমন্ত্রী ঢাকা-সহ ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আর্জি: বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলুন সিপিডি: প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্ন আয়ের ওপর করের বোঝা অনুপাতে বেশি বেড়েছে আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য ভাগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পানিসম্পদ মন্ত্রী সরকার এনবিআরকে দুইভাগ করে নীতি ও ব্যবস্থাপনা আলাদা করবে: অর্থমন্ত্রী পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার শিক্ষামন্ত্রীকে উপহার দিলেন এক হাজার ফুটবল

ট্রাম্প: সমঝোতা ব্যর্থ হলে হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় সমঝোতা না হলে বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র গ্রহণ করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে প্রণালী বন্ধের যেকোনো উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ফক্স নিউজের সঙ্গে প্রায় ২০ মিনিটব্যাপী এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি আলাপ-আলোচনায় না আসে তবে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না। তিনি বলেন, ‘‘প্রয়োজনে আমরা হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ নেব; সেখানে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায় করাও বিবেচনায় আসতে পারে।’’

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত ইরানের জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে এবং এ নিয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সরাসরি সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ইসরায়েলকে দায়ী করে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা দেয়। ঘটনার প্রেক্ষাপট এবং ওই ঘোষণার পরে ট্রাম্পের মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সরগরমি সৃষ্টি করেছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে প্রণালীটির নিরাপত্তা ও তদারকির দায়িত্ব নিতে সক্ষম এবং ওই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত তেলের একটি অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে এই মন্তব্যের বাস্তব অর্থ, নীতি-নির্ধারণ ও করণীয় কী—এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি; খবরদাতা সংস্থা সিএনএন হোয়াইট হাউসকে যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এর পাশাপাশি ট্রাম্প লেবাননে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে সতর্ক করেছেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি বলেছেন, লেবাননে তাদের উসকানিমূলক কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, নাহলে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, বহুদিনের উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের শান্তিচুক্তি আলোচনা রোববার সুইজারল্যান্ডে শুরু হয়েছে; মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আলোচনার মাঝেই ট্রাম্পের কড়া ভাষ্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন ও বিতর্ক উষ্মাগ্রস্ত করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত ১০, আক্রান্ত ৫ হাজার ৩৯

ট্রাম্প: সমঝোতা ব্যর্থ হলে হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিতঃ ০২:২৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় সমঝোতা না হলে বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র গ্রহণ করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে প্রণালী বন্ধের যেকোনো উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ফক্স নিউজের সঙ্গে প্রায় ২০ মিনিটব্যাপী এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি আলাপ-আলোচনায় না আসে তবে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না। তিনি বলেন, ‘‘প্রয়োজনে আমরা হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ নেব; সেখানে চলাচলকারী জাহাজ থেকে টোল আদায় করাও বিবেচনায় আসতে পারে।’’

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত ইরানের জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে এবং এ নিয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সরাসরি সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ইসরায়েলকে দায়ী করে হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা দেয়। ঘটনার প্রেক্ষাপট এবং ওই ঘোষণার পরে ট্রাম্পের মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সরগরমি সৃষ্টি করেছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে প্রণালীটির নিরাপত্তা ও তদারকির দায়িত্ব নিতে সক্ষম এবং ওই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত তেলের একটি অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে এই মন্তব্যের বাস্তব অর্থ, নীতি-নির্ধারণ ও করণীয় কী—এই বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি; খবরদাতা সংস্থা সিএনএন হোয়াইট হাউসকে যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

এর পাশাপাশি ট্রাম্প লেবাননে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে সতর্ক করেছেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি বলেছেন, লেবাননে তাদের উসকানিমূলক কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, নাহলে ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, বহুদিনের উত্তেজনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের শান্তিচুক্তি আলোচনা রোববার সুইজারল্যান্ডে শুরু হয়েছে; মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আলোচনার মাঝেই ট্রাম্পের কড়া ভাষ্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন ও বিতর্ক উষ্মাগ্রস্ত করেছে।