০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সাড়ে চার মাস পর হরমুজ পার হলো পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ঢাকা ওয়াসার ২০২৪-২৫ বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ আ.লীগকে ঘিরে ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার চার মাস পর হরমুজ পেরিয়ে এগোচ্ছে জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ এনআইডি সংশোধন সহজ করতে ইসি গঠন করল পাঁচ সদস্যের কমিটি ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত ১০, আক্রান্ত ৫ হাজার ৩৯ গাঁজা অভিযোগে সিনিয়র-জুনিয়র শিক্ষার্থীদের তীব্র সংঘর্ষ,多人 আহত চলতি অর্থবছরে বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি: তথ্যমন্ত্রী ঢাকা-সহ ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আর্জি: বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলুন

ইয়েন ৪০ বছরে সর্বনিম্নে — জাপান মুদ্রাবাজারে কঠোর হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি

মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের মান ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে আসায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাপান সরকার। অর্থমন্ত্রী সাতসুকি কাটায়ামা বার্তাসংস্থা এএফপির বরাতে জানান, ইয়েনের ধারাবাহিক দরপতন রুখতে এবং মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজন হলে জাপান ‘‘যেকোনো কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ’’ নিতে প্রস্তুত থাকবে।

কাটায়ামা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এক উচ্চস্তরের কর্মকর্তার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এ বিষয়ে স্পষ্ট সমঝোতা হয়েছে এবং মুদ্রা অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে দুই দেশের একটি যৌথ দৃঢ় মনোভাব রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করছেন এই মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে জাপান আবারও বড় ধরনের বাইরের হস্তক্ষেপ করতে পারে — গত মাসে এ উদ্দেশ্যে দেশটি ৭০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করেছিল।

সাম্প্রতিক দরপতনের পিছনে মাঝরাতে মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং মার্কিন ও জাপানের সুদের হারের বিশাল ব্যবধান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। একপর্যায়ে ইয়েন প্রতি ডলারে ১৬১.৯৩-এ নেমে আসলো, যা ১৯৯৬ সালের পরে প্রায় রেকর্ড নিম্ন স্তর; পরবর্তী торে টোকিওয়াতে লেনদেন চলার সময়ে দাম ছিল ১৬১.৬০ ইয়েন প্রতি ডলার।

দুর্বল ইয়েন জাপানের জন্য দ্বিধাবিভক্ত ফলাফল নিয়ে এসেছে। আমদানিনির্ভর হওয়ায় তেল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের খরচ বাড়ছে, যা ভোক্তা ও ব্যবসার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, দুর্বল মুদ্রার ফলে বিদেশি পর্যটকদের জন্য জাপান আরও সাশ্রয়ী হয়ে উঠায় পর্যটন খাতের ব্যপ্তি ও রাজস্ব বাড়ছে।

সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জাপানের জন্য অগ্রাধিকার — তাই প্রমাণিত প্রয়োজনে তারা দ্রুত ও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে। সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের নজর এখন ইয়েনের গতিপ্রকৃতি ও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির ওপর।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইয়েন ৪০ বছরে সর্বনিম্নে — জাপান মুদ্রাবাজারে কঠোর হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মার্কিন ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের মান ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে আসায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাপান সরকার। অর্থমন্ত্রী সাতসুকি কাটায়ামা বার্তাসংস্থা এএফপির বরাতে জানান, ইয়েনের ধারাবাহিক দরপতন রুখতে এবং মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজন হলে জাপান ‘‘যেকোনো কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ’’ নিতে প্রস্তুত থাকবে।

কাটায়ামা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এক উচ্চস্তরের কর্মকর্তার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় এ বিষয়ে স্পষ্ট সমঝোতা হয়েছে এবং মুদ্রা অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে দুই দেশের একটি যৌথ দৃঢ় মনোভাব রয়েছে। বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করছেন এই মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে জাপান আবারও বড় ধরনের বাইরের হস্তক্ষেপ করতে পারে — গত মাসে এ উদ্দেশ্যে দেশটি ৭০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করেছিল।

সাম্প্রতিক দরপতনের পিছনে মাঝরাতে মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং মার্কিন ও জাপানের সুদের হারের বিশাল ব্যবধান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। একপর্যায়ে ইয়েন প্রতি ডলারে ১৬১.৯৩-এ নেমে আসলো, যা ১৯৯৬ সালের পরে প্রায় রেকর্ড নিম্ন স্তর; পরবর্তী торে টোকিওয়াতে লেনদেন চলার সময়ে দাম ছিল ১৬১.৬০ ইয়েন প্রতি ডলার।

দুর্বল ইয়েন জাপানের জন্য দ্বিধাবিভক্ত ফলাফল নিয়ে এসেছে। আমদানিনির্ভর হওয়ায় তেল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের খরচ বাড়ছে, যা ভোক্তা ও ব্যবসার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে, দুর্বল মুদ্রার ফলে বিদেশি পর্যটকদের জন্য জাপান আরও সাশ্রয়ী হয়ে উঠায় পর্যটন খাতের ব্যপ্তি ও রাজস্ব বাড়ছে।

সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জাপানের জন্য অগ্রাধিকার — তাই প্রমাণিত প্রয়োজনে তারা দ্রুত ও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে। সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের নজর এখন ইয়েনের গতিপ্রকৃতি ও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির ওপর।