০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ডেঙ্গু মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক ডিজিটাল অর্থনীতির চূড়ান্ত ধাপে বাংলাদেশ: বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর সিন্দুক-পাহারা নয়, সাইবার নিরাপত্তা এখন বেশি জরুরি: তথ্যমন্ত্রী বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে শ্রদ্ধাভরে শেষ বিদায় সাইবার নিরাপত্তা সিন্দুক পাহারার চেয়ে বেশি জরুরি: তথ্যমন্ত্রী শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে শেষ বিদায় মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন অনন্য বহুমুখী শিল্পী: তথ্যমন্ত্রী নাম বদল বা তৃণমূল—কোনওভাবেই কার্যক্রম চালাতে পারবে না আওয়ামী লীগ: তথ্য উপদেষ্টা সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস — অনলাইন বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ৫ কোটি জরিমানা, ১০ বছর কারাদণ্ড ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল

মেক্সিকো ও উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় ভূকম্পন — যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে অনুভূত তরঙ্গ

উত্তর আমেরিকার দুই প্রান্তে একই দিনে শক্তিশালী ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরে রিখটার স্কেলে ৬.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, এই কম্পনের উৎপত্তি মেক্সিকোর এল প্রোগ্রেসো শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে হয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে বড় ধরনের হতাহত বা বৈপ্লবিক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

একই সময় সাগরের উল্টোদিকে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার রেডউড ভ্যালির কাছাকাছি ৫.৬ মাত্রার একটি মাঝারি তীব্রতার ভূকম্পন অনুভূত হয়। ইউএসজিএস জানায়, মেনডোসিনো কাউন্টিতে এই কম্পন ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫ মাইল (প্রায় ৮ কিলোমিটার) গভীরে উৎপন্ন হয়েছিল।

বিশ্বজুড়ে সাম্প্রতিকভাবে ভূকম্পনের পরিমাণ বাড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ইউএসজিএস-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৯ থেকে ২৬ জুনের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে আকারে ৪.৫ বা তার বেশি মাত্রার অন্তত ৯৩টি ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে, যা ভূতাত্ত্বিক অস্থিরতার ইঙ্গিত বহন করে।

বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী ‘‘ডাবলেট’’ ভূকম্পন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন—সেখানে মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী কম্পন ঘটে, যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। ‘‘ডাবলেট’’ বলতে সাধারণত প্রায় একই সময়ে ও নিকটবর্তী স্থানে ঘটে এমন দুইটি কাছাকাছি মাত্রার ভূকম্পনকে বোঝায়; এই ধরনের সংকরণ সাধারণ ভূকম্পনের তুলনায় ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেক্সিকো ও ক্যালিফোর্নিয়ার সাম্প্রতিক কম্পনগুলো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক সক্রিয়তার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জরুরি সেবা বিষয়ক সংস্থাগুলো পরিস্থিতি নজরদারি করছে এবং জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। আরও তদন্ত ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এবং প্রভাব নিরূপণ করা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ডেঙ্গু মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক

মেক্সিকো ও উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় ভূকম্পন — যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে অনুভূত তরঙ্গ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

উত্তর আমেরিকার দুই প্রান্তে একই দিনে শক্তিশালী ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ক্যালিফোর্নিয়া উপসাগরে রিখটার স্কেলে ৬.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, এই কম্পনের উৎপত্তি মেক্সিকোর এল প্রোগ্রেসো শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে হয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টে বড় ধরনের হতাহত বা বৈপ্লবিক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

একই সময় সাগরের উল্টোদিকে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার রেডউড ভ্যালির কাছাকাছি ৫.৬ মাত্রার একটি মাঝারি তীব্রতার ভূকম্পন অনুভূত হয়। ইউএসজিএস জানায়, মেনডোসিনো কাউন্টিতে এই কম্পন ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫ মাইল (প্রায় ৮ কিলোমিটার) গভীরে উৎপন্ন হয়েছিল।

বিশ্বজুড়ে সাম্প্রতিকভাবে ভূকম্পনের পরিমাণ বাড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। ইউএসজিএস-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ১৯ থেকে ২৬ জুনের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে আকারে ৪.৫ বা তার বেশি মাত্রার অন্তত ৯৩টি ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে, যা ভূতাত্ত্বিক অস্থিরতার ইঙ্গিত বহন করে।

বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী ‘‘ডাবলেট’’ ভূকম্পন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন—সেখানে মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী কম্পন ঘটে, যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। ‘‘ডাবলেট’’ বলতে সাধারণত প্রায় একই সময়ে ও নিকটবর্তী স্থানে ঘটে এমন দুইটি কাছাকাছি মাত্রার ভূকম্পনকে বোঝায়; এই ধরনের সংকরণ সাধারণ ভূকম্পনের তুলনায় ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেক্সিকো ও ক্যালিফোর্নিয়ার সাম্প্রতিক কম্পনগুলো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূতাত্ত্বিক সক্রিয়তার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও জরুরি সেবা বিষয়ক সংস্থাগুলো পরিস্থিতি নজরদারি করছে এবং জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। আরও তদন্ত ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এবং প্রভাব নিরূপণ করা হবে।