০৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ডেঙ্গু মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক ডিজিটাল অর্থনীতির চূড়ান্ত ধাপে বাংলাদেশ: বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর সিন্দুক-পাহারা নয়, সাইবার নিরাপত্তা এখন বেশি জরুরি: তথ্যমন্ত্রী বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে শ্রদ্ধাভরে শেষ বিদায় সাইবার নিরাপত্তা সিন্দুক পাহারার চেয়ে বেশি জরুরি: তথ্যমন্ত্রী শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে শেষ বিদায় মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন অনন্য বহুমুখী শিল্পী: তথ্যমন্ত্রী নাম বদল বা তৃণমূল—কোনওভাবেই কার্যক্রম চালাতে পারবে না আওয়ামী লীগ: তথ্য উপদেষ্টা সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস — অনলাইন বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ৫ কোটি জরিমানা, ১০ বছর কারাদণ্ড ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল

যুক্তরাষ্ট্রে তুলা রপ্তানিতে মন্দা, আন্তর্জাতিক চাহিদা কমেছে

বিশ্বের শীর্ষ তুলা-রফতানিকারক যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সপ্তাহে তুলার বাজারে স্পষ্ট মন্দা দেখা গেছে। ইউএসডিএ-র (যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বিভাগ) ১৮ জুন শেষ হওয়া সপ্তাহের রিপোর্ট বলছে—আপল্যান্ড ও পিমা উভয় জাতের তুলার আন্তর্জাতিক চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, ফলে বাজারে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে চলতি ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে আপল্যান্ড তুলার নিট সাপ্তাহিক বিক্রি ৫৩ শতাংশ কমে মাত্র ৮৩,৯০০ রানিং বেলে নেমে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় একক ক্রেতা হয়েছে ভিয়েতনাম, যা ৩১,৩০০ রানিং বেল কিনেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভারত (১৪,৩০০ বেল), তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ (১৪,২০০ বেল)। চীন ৭,৬০০ বেল এবং দক্ষিণ কোরিয়া ৪,৫০০ বেল ক্রয় করেছে। তবে নিকারাগুয়াসহ কিছু গন্তব্য থেকে আগের অর্ডার বাতিল হওয়ায় সামগ্রিক বিক্রির পরিসংখ্যানকে প্রভাবিত করেছে।

বিক্রিতে ধস দেখা গেলেও সরবরাহে কিছুটা বাড়তি সরবরাহের চিত্র বিরাজ করেছে। মোট আপল্যান্ড তুলার সরবরাহ ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩ লাখ ২০০ রানিং বেলে পৌঁছায়, যার মধ্যে ভিয়েতনাম পেয়েছে সবচেয়ে বেশি—১ লাখ ২,৮০০ রানিং বেল। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ যথাক্রমে ৪৮,৬০০ ও ২৫,৯০০ বেল আমদানি করেছে।

উচ্চমানের পিমা তুলায় চাহিদাও কমেছে; পিমার চাহিদা ২১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে মাত্র ৪,৩০০ রানিং বেলে নেমেছে। পিমা কেনায় ভারত শীর্ষে ২,০০০ বেল নিয়ে আছে, আর বাংলাদেশ মাত্র ৩০০ বেল পিমা আমদানি করেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ব পোশাক-শিল্পের চাহিদার ওঠানামি এবং কিছু পুরনো অর্ডারের বাতিলের কারণে মার্কিন তুলার কেনাবেচা সাময়িকভাবে মন্থর হয়েছে। তবু বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামসহ বড় ক্রেতাদের নিয়মিত বুকিং থাকার কারণে মার্কিন তুলার বাজার বড় ধরনের বিপর্যয়ে পড়েনি। বিপণন বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, যদি বৈশ্বিক পোশাক চাহিদা স্থিতিশীল থাকে তবে তুলার বাজারও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ডেঙ্গু মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক

যুক্তরাষ্ট্রে তুলা রপ্তানিতে মন্দা, আন্তর্জাতিক চাহিদা কমেছে

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের শীর্ষ তুলা-রফতানিকারক যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক সপ্তাহে তুলার বাজারে স্পষ্ট মন্দা দেখা গেছে। ইউএসডিএ-র (যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বিভাগ) ১৮ জুন শেষ হওয়া সপ্তাহের রিপোর্ট বলছে—আপল্যান্ড ও পিমা উভয় জাতের তুলার আন্তর্জাতিক চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, ফলে বাজারে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে চলতি ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে আপল্যান্ড তুলার নিট সাপ্তাহিক বিক্রি ৫৩ শতাংশ কমে মাত্র ৮৩,৯০০ রানিং বেলে নেমে এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় একক ক্রেতা হয়েছে ভিয়েতনাম, যা ৩১,৩০০ রানিং বেল কিনেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভারত (১৪,৩০০ বেল), তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ (১৪,২০০ বেল)। চীন ৭,৬০০ বেল এবং দক্ষিণ কোরিয়া ৪,৫০০ বেল ক্রয় করেছে। তবে নিকারাগুয়াসহ কিছু গন্তব্য থেকে আগের অর্ডার বাতিল হওয়ায় সামগ্রিক বিক্রির পরিসংখ্যানকে প্রভাবিত করেছে।

বিক্রিতে ধস দেখা গেলেও সরবরাহে কিছুটা বাড়তি সরবরাহের চিত্র বিরাজ করেছে। মোট আপল্যান্ড তুলার সরবরাহ ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩ লাখ ২০০ রানিং বেলে পৌঁছায়, যার মধ্যে ভিয়েতনাম পেয়েছে সবচেয়ে বেশি—১ লাখ ২,৮০০ রানিং বেল। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ যথাক্রমে ৪৮,৬০০ ও ২৫,৯০০ বেল আমদানি করেছে।

উচ্চমানের পিমা তুলায় চাহিদাও কমেছে; পিমার চাহিদা ২১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে মাত্র ৪,৩০০ রানিং বেলে নেমেছে। পিমা কেনায় ভারত শীর্ষে ২,০০০ বেল নিয়ে আছে, আর বাংলাদেশ মাত্র ৩০০ বেল পিমা আমদানি করেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ব পোশাক-শিল্পের চাহিদার ওঠানামি এবং কিছু পুরনো অর্ডারের বাতিলের কারণে মার্কিন তুলার কেনাবেচা সাময়িকভাবে মন্থর হয়েছে। তবু বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামসহ বড় ক্রেতাদের নিয়মিত বুকিং থাকার কারণে মার্কিন তুলার বাজার বড় ধরনের বিপর্যয়ে পড়েনি। বিপণন বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, যদি বৈশ্বিক পোশাক চাহিদা স্থিতিশীল থাকে তবে তুলার বাজারও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।