০৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ডেঙ্গু মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক ডিজিটাল অর্থনীতির চূড়ান্ত ধাপে বাংলাদেশ: বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর সিন্দুক-পাহারা নয়, সাইবার নিরাপত্তা এখন বেশি জরুরি: তথ্যমন্ত্রী বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে শ্রদ্ধাভরে শেষ বিদায় সাইবার নিরাপত্তা সিন্দুক পাহারার চেয়ে বেশি জরুরি: তথ্যমন্ত্রী শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারকে শেষ বিদায় মুস্তাফা মনোয়ার ছিলেন অনন্য বহুমুখী শিল্পী: তথ্যমন্ত্রী নাম বদল বা তৃণমূল—কোনওভাবেই কার্যক্রম চালাতে পারবে না আওয়ামী লীগ: তথ্য উপদেষ্টা সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ পাস — অনলাইন বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ৫ কোটি জরিমানা, ১০ বছর কারাদণ্ড ইসি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল

ডিজিটাল অর্থনীতির চূড়ান্ত ধাপে বাংলাদেশ: বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর

নগদ লেনদেন কমিয়ে পুরো দেশকে ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে ধাবিত করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিদিনই ব্যবহারযোগ্য ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধান অনুযায়ী বুধবার ১ জুলাই থেকে দেশের প্রতিটি বাণিজ্যিক স্থানে সার্বজনীন আন্তঃলেনদেন ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী গ্রাহকের প্রতি হাজার টাকার লেনদেনে সর্বোচ্চ চার্জ হবে সাড়ে ১১ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই সার্বজনীন কিউআর ব্যবস্থার ফলে আর্থিক লেনদেনে প্রতারণা কমবে এবং লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে।

ব্যাংকাররা বলছেন, ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর হলে দুর্নীতি কমবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। একেবারে কার্যকর হলে অর্থ টাকার ছাপা ও তার ব্যবস্থাপনার খরচ—যা বর্তমানে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা—তাতে বড় পরিমাণে সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে তাদের ধারণা।

নতুন নিয়ম অনুসারে দোকানগুলোকে আলাদা আলাদা ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) কিউআর কোড ঝুলিয়ে রাখার ঝঞ্ঝাট থেকে মুক্তি মিলবে। একটিমাত্র ‘বাংলা কিউআর’ থাকলেই যেকোনো ব্যাংকিং বা এমএফএস অ্যাপ থেকে সরাসরি বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে মুহূর্তেই টাকা স্থানান্তর করা যাবে। ফলে ব্যবসায়ীরা এক কোডেই সব ধরনের পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন।

সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, এটা যদি ব্যাপকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে বড় শপিংমল ও সুপারশপের বাইরে ফুটপাতের চায়ের দোকান থেকে গ্রামের খামারের মুদি দোকান পর্যন্ত ‘বাংলা কিউআর’ পৌঁছে যাবে। তখন মানিব্যাগ বা ছেঁড়া নোটের ব্যবহার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক পূর্বেই ১ এপ্রিল সকল ব্যাংক ও আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিল যে ৩০ জুনের মধ্যে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ‘বাংলা কিউআর’ স্থাপন করতে হবে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী এক জুলাই থেকে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ডেঙ্গু মহাবিপর্যয়ের শঙ্কা: দেশে বাড়ছে আতঙ্ক

ডিজিটাল অর্থনীতির চূড়ান্ত ধাপে বাংলাদেশ: বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর

প্রকাশিতঃ ০৭:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

নগদ লেনদেন কমিয়ে পুরো দেশকে ক্যাশলেস অর্থনীতির দিকে ধাবিত করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিদিনই ব্যবহারযোগ্য ‘বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধান অনুযায়ী বুধবার ১ জুলাই থেকে দেশের প্রতিটি বাণিজ্যিক স্থানে সার্বজনীন আন্তঃলেনদেন ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’ চালু করা হয়েছে।

নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী গ্রাহকের প্রতি হাজার টাকার লেনদেনে সর্বোচ্চ চার্জ হবে সাড়ে ১১ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই সার্বজনীন কিউআর ব্যবস্থার ফলে আর্থিক লেনদেনে প্রতারণা কমবে এবং লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে।

ব্যাংকাররা বলছেন, ‘বাংলা কিউআর’ কার্যকর হলে দুর্নীতি কমবে এবং সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। একেবারে কার্যকর হলে অর্থ টাকার ছাপা ও তার ব্যবস্থাপনার খরচ—যা বর্তমানে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা—তাতে বড় পরিমাণে সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে তাদের ধারণা।

নতুন নিয়ম অনুসারে দোকানগুলোকে আলাদা আলাদা ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) কিউআর কোড ঝুলিয়ে রাখার ঝঞ্ঝাট থেকে মুক্তি মিলবে। একটিমাত্র ‘বাংলা কিউআর’ থাকলেই যেকোনো ব্যাংকিং বা এমএফএস অ্যাপ থেকে সরাসরি বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে মুহূর্তেই টাকা স্থানান্তর করা যাবে। ফলে ব্যবসায়ীরা এক কোডেই সব ধরনের পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন।

সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, এটা যদি ব্যাপকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে বড় শপিংমল ও সুপারশপের বাইরে ফুটপাতের চায়ের দোকান থেকে গ্রামের খামারের মুদি দোকান পর্যন্ত ‘বাংলা কিউআর’ পৌঁছে যাবে। তখন মানিব্যাগ বা ছেঁড়া নোটের ব্যবহার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে যাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক পূর্বেই ১ এপ্রিল সকল ব্যাংক ও আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছিল যে ৩০ জুনের মধ্যে তাদের নিজস্ব কিউআর কোড সরিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ‘বাংলা কিউআর’ স্থাপন করতে হবে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী এক জুলাই থেকে নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে।