১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আন্তর্জাতিকভাবে দাবি জানানোয় বন্দিদের মুক্তি ঘোষণা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর দোয়ার আবেদন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমারও: তারেক রহমান মৌসুমি সবজি বাজারে ভরপুর, দাম কমে গেছে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য ভর্তুকির দাবি আরব আমিরাতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ২৪ ব্যক্তির মুক্তি আসছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা মনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দ্বন্দ্ব: তারেক রহমানের মন্তব্য বাজারে মৌসুমি সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি ও দাম কমে যাচ্ছে

গোলবারে আর্জেন্টিনার ভরসার নাম মার্টিনেজ

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে তাদের নানা কীর্তি রয়েছে। দুইবার হয়েছে বিশ্বসেরাও। একবার ১৯৯৮ এবং ১৯৮৬ এরপর লম্বা সময় ধরে আর বিশ্বকাপ ট্রফির মুখ দেখেনি। আর্জেন্টাইন দলে প্রতিবারেই সব পজিশনে ভালো খেলোয়াড় নিয়ে আসলেও বিপত্তি ঠেকতো গোলবারের দায়িত্ব পালনকারীর ভুলে। কিন্তু ধীরে ধিরে যেন সেটাও কাটাতে শুরু করেছে। এবারের বিশ্বকাপ আসরে আর্জেন্টিনা সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে তাদের ভরসার নাম এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে। যে কিনা গোলবারের সামনে দেওয়ালের মতো দাঁড়িয়ে দলকে রক্ষা করে যাচ্ছে।

কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদির বিপক্ষে দুই গোল হজম করার পরই যেন আরো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জ্বলে উঠে। গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর বিপক্ষে অসাধারণ কিছু সেভ। পরে শেষ ষোলো এর ম্যাচে তো অস্ট্রেলিয়ার কিছু মারাত্মক আক্রমণ আটকে দিয়ে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠালেন। সব শেষ শুক্রবার শেষ আটের খেলায় টাইব্রেকারে ডাচদের প্রথম দুই শট আটকে দিয়েই নিজেদের জয় কনফার্ম করে ফেলেন এই মার্টিনেজ।

তবে মার্টিনেজ যে শুধু বিশ্বকাপেই নিজে সামর্থ্যের প্রমাণ দিচ্ছে এমনটি নয়। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকাতে এই মার্টিনেজের কল্যাণেই ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। কোপা আমেরিকাতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে তার অসাধারণ পেনাল্টি আটকে দিয়ে দক্ষতা পুরো পৃথিবীর জুড়ে প্রশংসিত হয়েছিল। যেখানে মার্টিনেজ তিনটি পেনাল্টি শট আটকে দিয়ে দলকে ফাইনালে তুলেছিল। মূলত গোলবারের সামনে তার চটপটে ভাব যিনি পেনাল্টি নিতে আসেন তার মনে বিভ্রান্তির উদ্রেক করে যে কারণে কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলেন তারা।

এদিকে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে জ্বলার অপেক্ষায় ছিলেন এই এস্টন ভিলার গোলরক্ষক। কোয়ার্টার ফাইনালে আবারও নেদারল্যান্ডসকে হতাশায় ডুবালেন আরেক আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। এর আগে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হওয়া ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সার্জিও রোমেরো আর্জেন্টিনাকে এই ডাচদের বিপক্ষেই টাইব্রেকারে জিতিয়েছিলেন। এবার তিনি না থাকলেও তার কাজটা করলেন মার্টিনেজ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

গোলবারে আর্জেন্টিনার ভরসার নাম মার্টিনেজ

প্রকাশিতঃ ১১:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে তাদের নানা কীর্তি রয়েছে। দুইবার হয়েছে বিশ্বসেরাও। একবার ১৯৯৮ এবং ১৯৮৬ এরপর লম্বা সময় ধরে আর বিশ্বকাপ ট্রফির মুখ দেখেনি। আর্জেন্টাইন দলে প্রতিবারেই সব পজিশনে ভালো খেলোয়াড় নিয়ে আসলেও বিপত্তি ঠেকতো গোলবারের দায়িত্ব পালনকারীর ভুলে। কিন্তু ধীরে ধিরে যেন সেটাও কাটাতে শুরু করেছে। এবারের বিশ্বকাপ আসরে আর্জেন্টিনা সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে তাদের ভরসার নাম এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে। যে কিনা গোলবারের সামনে দেওয়ালের মতো দাঁড়িয়ে দলকে রক্ষা করে যাচ্ছে।

কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সৌদির বিপক্ষে দুই গোল হজম করার পরই যেন আরো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জ্বলে উঠে। গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর বিপক্ষে অসাধারণ কিছু সেভ। পরে শেষ ষোলো এর ম্যাচে তো অস্ট্রেলিয়ার কিছু মারাত্মক আক্রমণ আটকে দিয়ে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠালেন। সব শেষ শুক্রবার শেষ আটের খেলায় টাইব্রেকারে ডাচদের প্রথম দুই শট আটকে দিয়েই নিজেদের জয় কনফার্ম করে ফেলেন এই মার্টিনেজ।

তবে মার্টিনেজ যে শুধু বিশ্বকাপেই নিজে সামর্থ্যের প্রমাণ দিচ্ছে এমনটি নয়। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকাতে এই মার্টিনেজের কল্যাণেই ফাইনালে উঠে শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। কোপা আমেরিকাতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে তার অসাধারণ পেনাল্টি আটকে দিয়ে দক্ষতা পুরো পৃথিবীর জুড়ে প্রশংসিত হয়েছিল। যেখানে মার্টিনেজ তিনটি পেনাল্টি শট আটকে দিয়ে দলকে ফাইনালে তুলেছিল। মূলত গোলবারের সামনে তার চটপটে ভাব যিনি পেনাল্টি নিতে আসেন তার মনে বিভ্রান্তির উদ্রেক করে যে কারণে কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলেন তারা।

এদিকে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে জ্বলার অপেক্ষায় ছিলেন এই এস্টন ভিলার গোলরক্ষক। কোয়ার্টার ফাইনালে আবারও নেদারল্যান্ডসকে হতাশায় ডুবালেন আরেক আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। এর আগে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হওয়া ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সার্জিও রোমেরো আর্জেন্টিনাকে এই ডাচদের বিপক্ষেই টাইব্রেকারে জিতিয়েছিলেন। এবার তিনি না থাকলেও তার কাজটা করলেন মার্টিনেজ।