০৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উসকানিমূলক কার্যক্রমের চিহ্ন দেখামাত্র ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রনাথ পাহাড়ে উসকানিমূলক কার্যক্রমের কোনো ছায়া দেখা মাত্রই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন সরকারছাড়ের তিন উপদেষ্টা। গতকাল বুধবার রেলভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা এই নির্দেশ দেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে বৈঠকের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে একজন প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত পাঁচ বছর ধরে মন্দিরের আশপাশে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তারা মাঠ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। কোনো উসকানিমূলক চিহ্ন দেখা মাত্রই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়। কমিটির সদস্যরা বলেন, পাহাড়ে অবস্থিত মন্দিরে যাতায়াতের জন্য সিঁড়ির সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। তারা উল্লেখ করেন, বর্তমানে সিঁড়িগুলি খুবই খারাপ অবস্থায়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তারা চট্টগ্রামের স্থানীয় সরকারের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদীকে ফোন করে বিষয়টি জানান উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, আওয়ামী সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের কাজ। অন্যদিকে, ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, যারা অন্য ধর্মের মানুষের স্থাপনায় আঘাত করে, তারা কখনোই ধার্মিক হতে পারেন না। এ ধরনের অপরাধই ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করে। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আপনার দাবিগুলো মন্ত্রণালয়ে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে পাঠান, আমরা উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করব। রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, চন্দ্রনাথ মন্দিরের সাথে ইতিহাস ও ঐতিহ্য জড়িত। আমাদের সম্প্রীতি বিনষ্ট হতে পারে, এমন কোনো উসকানিমূলক কার্যক্রম আমরা বরদাশত করব না। কোনো উসকানির সন্ধান পেলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উসকানিমূলক কার্যক্রমের চিহ্ন দেখামাত্র ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী চন্দ্রনাথ পাহাড়ে উসকানিমূলক কার্যক্রমের কোনো ছায়া দেখা মাত্রই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন সরকারছাড়ের তিন উপদেষ্টা। গতকাল বুধবার রেলভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তারা এই নির্দেশ দেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে বৈঠকের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে একজন প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত পাঁচ বছর ধরে মন্দিরের আশপাশে বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তারা মাঠ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। কোনো উসকানিমূলক চিহ্ন দেখা মাত্রই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়। কমিটির সদস্যরা বলেন, পাহাড়ে অবস্থিত মন্দিরে যাতায়াতের জন্য সিঁড়ির সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। তারা উল্লেখ করেন, বর্তমানে সিঁড়িগুলি খুবই খারাপ অবস্থায়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তারা চট্টগ্রামের স্থানীয় সরকারের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদীকে ফোন করে বিষয়টি জানান উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, আওয়ামী সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের কাজ। অন্যদিকে, ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, যারা অন্য ধর্মের মানুষের স্থাপনায় আঘাত করে, তারা কখনোই ধার্মিক হতে পারেন না। এ ধরনের অপরাধই ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করে। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা আপনার দাবিগুলো মন্ত্রণালয়ে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে পাঠান, আমরা উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করব। রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, চন্দ্রনাথ মন্দিরের সাথে ইতিহাস ও ঐতিহ্য জড়িত। আমাদের সম্প্রীতি বিনষ্ট হতে পারে, এমন কোনো উসকানিমূলক কার্যক্রম আমরা বরদাশত করব না। কোনো উসকানির সন্ধান পেলেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।