০৬:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

মহেশপুরে মাত্র ৩ টাকায় সুস্বাদু রসগোল্লা: মানুষের মন জয় করছে

ঝিনাইদহের মহেশপুরে মাত্র ৩ টাকায় সুস্বাদু রসগোল্লা পাওয়া যায়, যা শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবতা এই যে, এর স্বাদ এতই মজাদার যে, একবার খেলে আবারও কিনতে ইচ্ছে করে। ছোট আকারের হলেও এর স্বাদ বড় বড় দোকানের মিষ্টিকেও হার মানিয়েছে। খাঁটি ছানার তৈরি রসগোল্লা মুখে দিলেই গলে যায় এবং এতে কোনো ভেজাল, কৃত্রিম রং বা অতিরিক্ত ঘ্রাণ নেই; শুধুমাত্র খাঁটি দুধের স্বাদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহেশপুরের শিবানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা সুমাল ঘোষ তিন দশকের বেশি সময় ধরে নিজ হাতে তৈরি এই প্রসিদ্ধ রসগোল্লা বাজারে বিক্রি করে আসছেন। প্রতিদিন সকালে বাইসাইকেলে করে বের হন এবং মহেশপুরের বিভিন্ন এলাকাকে শুধু মাত্র পণ্যটি বিক্রি করতে ঘুরে যান। আগে যেখানে প্রতি রসগোল্লার দাম ছিল ২ টাকা, এখন সেটি বেড়ে ৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কিছুটা বাড়লেও ক্রেতাদের চাহিদা কমেনি, বরং বেড়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি প্রায় এক হাজার পিস রসগোল্লা বিক্রি করেন, যা তাঁর সংসার চালানোর জন্য যথেষ্ট।

স্থানীয় একজন ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘৩ টাকায় এত সুস্বাদু রসগোল্লা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমরা প্রতিদিনই তার কাছ থেকে কিনি। দাম কম, স্বাদ অসাধারণ।’ অন্য একজন ক্রেতা, স্কুলশিক্ষক মাহবুব হোসেন বলেন, ‘বিশ্বস্তভাবে বলতে পারি, সুমাল ঘোষের তৈরি রসগোল্লা বড় দোকানের থেকে অনেক বেশি খাঁটি ও স্বাদে দুর্দান্ত। তাই বাজারের অন্যান্য মিষ্টির দোকান থাকলেও, মানুষ ওনার কাছেই ভিড় জমায়।’

মহেশপুরের বাসিন্দা রাসেল হোসেনও বলেন, ‘সুমাল ঘোষের রসগোল্লা এখন এলাকার এক জনপ্রিয় নাম। কম দামে মানসম্মত মিষ্টি পেয়ে ক্রেতাদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।’ এই প্রসঙ্গে সুমাল ঘোষ বলেন, ‘কম লাভের ব্যবসাই আমার মূলনীতি। দিনে কমপক্ষে এক হাজার পিস বিক্রি করতে পারলেই আমার সংসার চলে যায়। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় মানুষ আমার মিষ্টির স্বাদ গ্রহণ করছে, এটিই আমার الجو큰 প্রাপ্তি।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

মহেশপুরে মাত্র ৩ টাকায় সুস্বাদু রসগোল্লা: মানুষের মন জয় করছে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহের মহেশপুরে মাত্র ৩ টাকায় সুস্বাদু রসগোল্লা পাওয়া যায়, যা শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও বাস্তবতা এই যে, এর স্বাদ এতই মজাদার যে, একবার খেলে আবারও কিনতে ইচ্ছে করে। ছোট আকারের হলেও এর স্বাদ বড় বড় দোকানের মিষ্টিকেও হার মানিয়েছে। খাঁটি ছানার তৈরি রসগোল্লা মুখে দিলেই গলে যায় এবং এতে কোনো ভেজাল, কৃত্রিম রং বা অতিরিক্ত ঘ্রাণ নেই; শুধুমাত্র খাঁটি দুধের স্বাদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহেশপুরের শিবানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা সুমাল ঘোষ তিন দশকের বেশি সময় ধরে নিজ হাতে তৈরি এই প্রসিদ্ধ রসগোল্লা বাজারে বিক্রি করে আসছেন। প্রতিদিন সকালে বাইসাইকেলে করে বের হন এবং মহেশপুরের বিভিন্ন এলাকাকে শুধু মাত্র পণ্যটি বিক্রি করতে ঘুরে যান। আগে যেখানে প্রতি রসগোল্লার দাম ছিল ২ টাকা, এখন সেটি বেড়ে ৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কিছুটা বাড়লেও ক্রেতাদের চাহিদা কমেনি, বরং বেড়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি প্রায় এক হাজার পিস রসগোল্লা বিক্রি করেন, যা তাঁর সংসার চালানোর জন্য যথেষ্ট।

স্থানীয় একজন ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘৩ টাকায় এত সুস্বাদু রসগোল্লা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমরা প্রতিদিনই তার কাছ থেকে কিনি। দাম কম, স্বাদ অসাধারণ।’ অন্য একজন ক্রেতা, স্কুলশিক্ষক মাহবুব হোসেন বলেন, ‘বিশ্বস্তভাবে বলতে পারি, সুমাল ঘোষের তৈরি রসগোল্লা বড় দোকানের থেকে অনেক বেশি খাঁটি ও স্বাদে দুর্দান্ত। তাই বাজারের অন্যান্য মিষ্টির দোকান থাকলেও, মানুষ ওনার কাছেই ভিড় জমায়।’

মহেশপুরের বাসিন্দা রাসেল হোসেনও বলেন, ‘সুমাল ঘোষের রসগোল্লা এখন এলাকার এক জনপ্রিয় নাম। কম দামে মানসম্মত মিষ্টি পেয়ে ক্রেতাদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।’ এই প্রসঙ্গে সুমাল ঘোষ বলেন, ‘কম লাভের ব্যবসাই আমার মূলনীতি। দিনে কমপক্ষে এক হাজার পিস বিক্রি করতে পারলেই আমার সংসার চলে যায়। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় মানুষ আমার মিষ্টির স্বাদ গ্রহণ করছে, এটিই আমার الجو큰 প্রাপ্তি।’