০৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

মেসির রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলল ফ্রান্স, ব্যালন ডিঅর জয়ে আর্জেন্টিনাকে ছাড়িয়ে গেলো

সব জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে উসমান দেম্বেলেই উঠে এলেন ব্যালন ডিঅর ট্রফির শীর্ষে। তিনি এর মাধ্যমে ষষ্ঠ ফরাসি ফুটবলার হিসেবে এই মহাযাত্রার অংশীদার হলেন। দেম্বেলেকে ছাড়াও, ফরাসিদের মধ্যে ব্যালন ডিঅর জিতেছেন রাইমন্ড কোপা, মিশেল প্লাতিনি, জ্যাঁ পিয়েরে পাপিন, জিনেদিন জিদান ও করিম বেনজেমা—এই ছয়জন মিলে মোট ৮ বার এই পুরস্কার জিতেছেন। এর মধ্যে, মিশেল প্লাতিনি একাই তিনবার এই ট্রফি জেতেন, অন্যরা একবার করে জয়ী। এই ধারাবাহিকতায়, ব্যালন ডিঅর জেতার সংখ্যায় ফ্রান্স পৌঁছেছে ৮ বার, যা আর্জেন্টিনাকে ছাড়িয়ে গেল। যদিও উভয় দেশের ফুটবল তারকারা মোট ৮ বার করে এই পুরস্কার অর্জন করেছেন, তবে জেতার ধরনে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। ফ্রান্সের মোট ৬ জন ফুটবলার এই ট্রফি জেতেন, যার মধ্যে প্রত্যেকেরই তিন বা অধিকবার পর্বে রয়েছে। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার জন্যে, লিওনেল মেসিই একা এই পুরস্কার আটবার জিতেছেন, যা ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রেকর্ড। মেসি প্রথম ২০০৯ সালে ব্যালন ডিঅর জিতেছিলেন। এরপর ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালে টানা তিন বছর এই পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের এই ট্রফি ফের জেতেন তিনি। এরপর ২০১৯, ২০২১ ও ২০২৩ সালে আরও তিনবার এই স্বীকৃতি পান। অন্যদিকে, ফ্রান্সের হয়ে প্রথম ব্যালন ডিঅর জেতেন রাইমন্ড কোপা। এরপর ১৯৮৩, ১৯৮৪ ও ১৯৮৫ সালে তিনবার ধারাবাহিকভাবে ট্রফি লাভ করেন মিশেল প্লাতিনি। ১৯৯১ সালে জেতেন জ্যাঁ পিয়েরে পাপিন। ১৯৯৮ সালে জিতেন জিদান, বিশ্বকাপ জেতার পর। দীর্ঘ বিরতির পরে, ২০২২ সালে করিম বেনজেমার হাতে ওঠে এই ট্রফি। আর এ বছর, দেম্বেলের জন্য এটি সম্ভব হয়। দেশ হিসেবে, ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনা যৌথভাবে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে, যেখানে প্রত্যেকেরই ৮ বার করে বিজয় রয়েছে। এর পাশাপাশা, পর্তুগাল একাকী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ৫ বার এই পুরস্কার জিতেছেন। জার্মানি, নেদারল্যান্ডস এবং আরও কিছু দেশও এই তালিকায় সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিও ২ বার এই ট্রফি জিতেছেন, আর অন্যরা ৫ বার করে জিতেছেন। এই রেকর্ডে শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

মেসির রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলল ফ্রান্স, ব্যালন ডিঅর জয়ে আর্জেন্টিনাকে ছাড়িয়ে গেলো

প্রকাশিতঃ ০৬:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সব জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে উসমান দেম্বেলেই উঠে এলেন ব্যালন ডিঅর ট্রফির শীর্ষে। তিনি এর মাধ্যমে ষষ্ঠ ফরাসি ফুটবলার হিসেবে এই মহাযাত্রার অংশীদার হলেন। দেম্বেলেকে ছাড়াও, ফরাসিদের মধ্যে ব্যালন ডিঅর জিতেছেন রাইমন্ড কোপা, মিশেল প্লাতিনি, জ্যাঁ পিয়েরে পাপিন, জিনেদিন জিদান ও করিম বেনজেমা—এই ছয়জন মিলে মোট ৮ বার এই পুরস্কার জিতেছেন। এর মধ্যে, মিশেল প্লাতিনি একাই তিনবার এই ট্রফি জেতেন, অন্যরা একবার করে জয়ী। এই ধারাবাহিকতায়, ব্যালন ডিঅর জেতার সংখ্যায় ফ্রান্স পৌঁছেছে ৮ বার, যা আর্জেন্টিনাকে ছাড়িয়ে গেল। যদিও উভয় দেশের ফুটবল তারকারা মোট ৮ বার করে এই পুরস্কার অর্জন করেছেন, তবে জেতার ধরনে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। ফ্রান্সের মোট ৬ জন ফুটবলার এই ট্রফি জেতেন, যার মধ্যে প্রত্যেকেরই তিন বা অধিকবার পর্বে রয়েছে। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার জন্যে, লিওনেল মেসিই একা এই পুরস্কার আটবার জিতেছেন, যা ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রেকর্ড। মেসি প্রথম ২০০৯ সালে ব্যালন ডিঅর জিতেছিলেন। এরপর ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালে টানা তিন বছর এই পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের এই ট্রফি ফের জেতেন তিনি। এরপর ২০১৯, ২০২১ ও ২০২৩ সালে আরও তিনবার এই স্বীকৃতি পান। অন্যদিকে, ফ্রান্সের হয়ে প্রথম ব্যালন ডিঅর জেতেন রাইমন্ড কোপা। এরপর ১৯৮৩, ১৯৮৪ ও ১৯৮৫ সালে তিনবার ধারাবাহিকভাবে ট্রফি লাভ করেন মিশেল প্লাতিনি। ১৯৯১ সালে জেতেন জ্যাঁ পিয়েরে পাপিন। ১৯৯৮ সালে জিতেন জিদান, বিশ্বকাপ জেতার পর। দীর্ঘ বিরতির পরে, ২০২২ সালে করিম বেনজেমার হাতে ওঠে এই ট্রফি। আর এ বছর, দেম্বেলের জন্য এটি সম্ভব হয়। দেশ হিসেবে, ফ্রান্স এবং আর্জেন্টিনা যৌথভাবে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে, যেখানে প্রত্যেকেরই ৮ বার করে বিজয় রয়েছে। এর পাশাপাশা, পর্তুগাল একাকী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ৫ বার এই পুরস্কার জিতেছেন। জার্মানি, নেদারল্যান্ডস এবং আরও কিছু দেশও এই তালিকায় সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিও ২ বার এই ট্রফি জিতেছেন, আর অন্যরা ৫ বার করে জিতেছেন। এই রেকর্ডে শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা।