০৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

বিপিএল আয়োজনের সময় সংকট ও চ্যালেঞ্জের মুখে বিসিবি

বিপিএল আয়োজনের জন্য মাত্র দুই মাসেরও কম সময় হাতে থাকা অবস্থায়, বিসিবির নতুন কমিটির পরিকল্পনায় এবার থাকছে নানা জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ। এবারের আসরের জন্য নির্ধারিত সময় রয়েছে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে বিসিবির উদ্যোগে আসরটি ঢেলে সাজানোর কাজ এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি। এর অন্যতম বড় সমস্যা হলো ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মালিকানা নির্ধারিত না হওয়া। ইতিমধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য পাঁচ বছরের মালিকানার আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়েছে, যা ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য। কিন্তু এত কম সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র পর্যালোচনা, আইনি প্রক্রিয়া, আর্থিক সক্ষমতা যাচাই ও মালিকানার নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে মোটেও অসম্ভব নয়। এর সাথে রয়েছে চুক্তি সম্পাদন, বিপণন ও স্পনসরশিপ, সম্প্রচার স্বত্ব, বিদেশি ক্রিকেটার ড্রাফট, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভেন্যু সংস্কার, সরঞ্জাম ও হোটেল ব্যবস্থা নিশ্চিতকরনের কাজ। এসব দ্রুত সম্পন্ন করতে গেলে বহু সমস্যা ও ঝুঁকি থাকছে, এটি বোঝা যায় ফারুক আহমেদ, যিনি গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে এই পরিস্থিতির সমাধানে সতর্ক। তিনি বলেন, ‘সময় খুবই কম, অনেক কাজ বাকি, বোর্ড চেষ্টা করছে সব কিছু গুছিয়ে আনতে, কিন্তু সময় খুবই সংকুচিত।’ গত রোববার সিলেটে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথাগুলো প্রকাশ করেন। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমানও সময়ের ঘাটতিকে স্বীকার করেছেন, বলতে হয় ‘নেক্সট টু-ইম্পসিবল’, তবে তারা সব চেষ্টাই করবেন বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ২ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ঘরোয়া টি-২০ সিরিজের পাশাপাশি ৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের আইজিসি টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। এর মাঝামাঝি সময়ে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক আসর চলবে, যেমন অস্ট্রেলিয়ার বিগব্যাশ (১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি), শ্রীলঙ্কান প্রিমিয়ার লীগ (২৭ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর), আরব আমিরাতে আইএল টি-২০ (২ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি), ও দক্ষিণ আফ্রিকায় এসএ টি-২০ (২৬ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি)। এই সফরগুলোতে বিদেশি ক্রিকেটাররা অংশগ্রহণ করে থাকেন, ফলে বিপিএলে তাদের উপস্থিতি নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের ক্রিকেটারদের বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার ছাড়পত্র দেবে না। এতে করে কে, কতজন খেলোয়াড় নিয়ে এবার বিপিএল আয়োজন সম্ভব হবে সেটিও অপ্রকাশিত থেকেই যাচ্ছে। সব মিলিয়ে, এই পরিস্থিতিতে বিসিবির জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা আসরটি সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের পথে নানা ধরণের বিঘ্ন তৈরি হচ্ছে, এই ভাবনা আরও জোরাল হয়ে উঠছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

বিপিএল আয়োজনের সময় সংকট ও চ্যালেঞ্জের মুখে বিসিবি

প্রকাশিতঃ ১০:৫১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

বিপিএল আয়োজনের জন্য মাত্র দুই মাসেরও কম সময় হাতে থাকা অবস্থায়, বিসিবির নতুন কমিটির পরিকল্পনায় এবার থাকছে নানা জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ। এবারের আসরের জন্য নির্ধারিত সময় রয়েছে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে মধ্য জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে বিসিবির উদ্যোগে আসরটি ঢেলে সাজানোর কাজ এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি। এর অন্যতম বড় সমস্যা হলো ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মালিকানা নির্ধারিত না হওয়া। ইতিমধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য পাঁচ বছরের মালিকানার আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়েছে, যা ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য। কিন্তু এত কম সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র পর্যালোচনা, আইনি প্রক্রিয়া, আর্থিক সক্ষমতা যাচাই ও মালিকানার নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে মোটেও অসম্ভব নয়। এর সাথে রয়েছে চুক্তি সম্পাদন, বিপণন ও স্পনসরশিপ, সম্প্রচার স্বত্ব, বিদেশি ক্রিকেটার ড্রাফট, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ভেন্যু সংস্কার, সরঞ্জাম ও হোটেল ব্যবস্থা নিশ্চিতকরনের কাজ। এসব দ্রুত সম্পন্ন করতে গেলে বহু সমস্যা ও ঝুঁকি থাকছে, এটি বোঝা যায় ফারুক আহমেদ, যিনি গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে এই পরিস্থিতির সমাধানে সতর্ক। তিনি বলেন, ‘সময় খুবই কম, অনেক কাজ বাকি, বোর্ড চেষ্টা করছে সব কিছু গুছিয়ে আনতে, কিন্তু সময় খুবই সংকুচিত।’ গত রোববার সিলেটে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথাগুলো প্রকাশ করেন। বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমানও সময়ের ঘাটতিকে স্বীকার করেছেন, বলতে হয় ‘নেক্সট টু-ইম্পসিবল’, তবে তারা সব চেষ্টাই করবেন বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ২ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ঘরোয়া টি-২০ সিরিজের পাশাপাশি ৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের আইজিসি টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। এর মাঝামাঝি সময়ে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক আসর চলবে, যেমন অস্ট্রেলিয়ার বিগব্যাশ (১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি), শ্রীলঙ্কান প্রিমিয়ার লীগ (২৭ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর), আরব আমিরাতে আইএল টি-২০ (২ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি), ও দক্ষিণ আফ্রিকায় এসএ টি-২০ (২৬ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি)। এই সফরগুলোতে বিদেশি ক্রিকেটাররা অংশগ্রহণ করে থাকেন, ফলে বিপিএলে তাদের উপস্থিতি নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়ে দিয়েছে যে, তাদের ক্রিকেটারদের বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার ছাড়পত্র দেবে না। এতে করে কে, কতজন খেলোয়াড় নিয়ে এবার বিপিএল আয়োজন সম্ভব হবে সেটিও অপ্রকাশিত থেকেই যাচ্ছে। সব মিলিয়ে, এই পরিস্থিতিতে বিসিবির জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা আসরটি সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের পথে নানা ধরণের বিঘ্ন তৈরি হচ্ছে, এই ভাবনা আরও জোরাল হয়ে উঠছে।