০৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি হলো সত্যিকার মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দলের প্রতিচ্ছবি। আমরা এই আদর্শকে গভীর অন্তরে ধারণ করি এবং লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্ব দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল। তখন এক দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার, শহীদ জিয়াউর রহমান, অপ্রতিরোধ্য সাহসে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করছি। আমি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছি। যদি আমরা স্বাধীন না হই, তাহলে আমার ফাঁসি হবে কোট মার্শালে। জানি, এই বিদ্রোহের জন্য আমার ফাঁসি হতে পারে, তবুও আমি দেশ মাতৃকার জন্য এই সাহসী ঘোষণা দিচ্ছি। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মঈন কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেছেন এসএম জিলানী।

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে জেনেছি, যখন কোনো দেশে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়, তখন সেই দেশের নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক দল বা নেতা সাধারণত স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মানুষ সেই দিনটি দেখেনি। দেশের অবস্থা তখন নেতৃত্ব শূন্য ছিল। শহীদ জিয়াউর রহমান প্রত্যাশা করেছিলেন যে হয়তো কেউ স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেন। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক নেতা সে দায়িত্ব গ্রহণ করেনি। এর ফলে জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করলেন, যদি তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা না দেন, দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ হবে না। আর ঐক্যবদ্ধ না হলে, মুক্তিযুদ্ধের সফলতা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। আরও ছিলেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়নের উর্ধ্বতন নেতারা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি হলো সত্যিকার মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দলের প্রতিচ্ছবি। আমরা এই আদর্শকে গভীর অন্তরে ধারণ করি এবং লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্ব দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল। তখন এক দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার, শহীদ জিয়াউর রহমান, অপ্রতিরোধ্য সাহসে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করছি। আমি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছি। যদি আমরা স্বাধীন না হই, তাহলে আমার ফাঁসি হবে কোট মার্শালে। জানি, এই বিদ্রোহের জন্য আমার ফাঁসি হতে পারে, তবুও আমি দেশ মাতৃকার জন্য এই সাহসী ঘোষণা দিচ্ছি। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মঈন কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেছেন এসএম জিলানী।

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে জেনেছি, যখন কোনো দেশে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়, তখন সেই দেশের নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক দল বা নেতা সাধারণত স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মানুষ সেই দিনটি দেখেনি। দেশের অবস্থা তখন নেতৃত্ব শূন্য ছিল। শহীদ জিয়াউর রহমান প্রত্যাশা করেছিলেন যে হয়তো কেউ স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেন। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক নেতা সে দায়িত্ব গ্রহণ করেনি। এর ফলে জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করলেন, যদি তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা না দেন, দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ হবে না। আর ঐক্যবদ্ধ না হলে, মুক্তিযুদ্ধের সফলতা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। আরও ছিলেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়নের উর্ধ্বতন নেতারা।