১১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি হলো সত্যিকার মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দলের প্রতিচ্ছবি। আমরা এই আদর্শকে গভীর অন্তরে ধারণ করি এবং লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্ব দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল। তখন এক দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার, শহীদ জিয়াউর রহমান, অপ্রতিরোধ্য সাহসে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করছি। আমি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছি। যদি আমরা স্বাধীন না হই, তাহলে আমার ফাঁসি হবে কোট মার্শালে। জানি, এই বিদ্রোহের জন্য আমার ফাঁসি হতে পারে, তবুও আমি দেশ মাতৃকার জন্য এই সাহসী ঘোষণা দিচ্ছি। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মঈন কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেছেন এসএম জিলানী।

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে জেনেছি, যখন কোনো দেশে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়, তখন সেই দেশের নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক দল বা নেতা সাধারণত স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মানুষ সেই দিনটি দেখেনি। দেশের অবস্থা তখন নেতৃত্ব শূন্য ছিল। শহীদ জিয়াউর রহমান প্রত্যাশা করেছিলেন যে হয়তো কেউ স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেন। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক নেতা সে দায়িত্ব গ্রহণ করেনি। এর ফলে জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করলেন, যদি তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা না দেন, দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ হবে না। আর ঐক্যবদ্ধ না হলে, মুক্তিযুদ্ধের সফলতা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। আরও ছিলেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়নের উর্ধ্বতন নেতারা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি হলো সত্যিকার মুক্তিযুদ্ধের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দলের প্রতিচ্ছবি। আমরা এই আদর্শকে গভীর অন্তরে ধারণ করি এবং লালন করি। মুক্তিযুদ্ধের মূল নেতৃত্ব দেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল। তখন এক দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার, শহীদ জিয়াউর রহমান, অপ্রতিরোধ্য সাহসে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করছি। আমি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছি। যদি আমরা স্বাধীন না হই, তাহলে আমার ফাঁসি হবে কোট মার্শালে। জানি, এই বিদ্রোহের জন্য আমার ফাঁসি হতে পারে, তবুও আমি দেশ মাতৃকার জন্য এই সাহসী ঘোষণা দিচ্ছি। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কাজী মঈন কলেজ মাঠে আয়োজিত ‘সম্প্রীতি সমাবেশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেছেন এসএম জিলানী।

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইতিহাস থেকে জেনেছি, যখন কোনো দেশে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়, তখন সেই দেশের নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক দল বা নেতা সাধারণত স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের মানুষ সেই দিনটি দেখেনি। দেশের অবস্থা তখন নেতৃত্ব শূন্য ছিল। শহীদ জিয়াউর রহমান প্রত্যাশা করেছিলেন যে হয়তো কেউ স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেন। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক নেতা সে দায়িত্ব গ্রহণ করেনি। এর ফলে জিয়াউর রহমান উপলব্ধি করলেন, যদি তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা না দেন, দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ হবে না। আর ঐক্যবদ্ধ না হলে, মুক্তিযুদ্ধের সফলতা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।

কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী আবুল খায়ের। আরও ছিলেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অলিউর রহমান হাওলাদার, মুক্তিযোদ্ধা মোদাচ্ছের ঠাকুরসহ জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়নের উর্ধ্বতন নেতারা।