০২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে চান কিম, উত্তর কোরিয়া এখনও জাতীয়ভাবে কিছু বলে নি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে দেখা করতে চান। তবে এখন পর্যন্ত পিয়ংইয়ং থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর আসেনি। ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়া সফরের আগে কয়েকবার কিমের সাথে সাক্ষাৎ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং এর জন্য আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন বলে ওয়াশিংটন ও সিউলের কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে কোনোরকম চূড়ান্ত প্রস্তুতি বা বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি। ট্রাম্পের কাছে জানা গেছে, তিনি উত্তর কোরিয়ার নতুন হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর বিষয়ে অবগত হয়েছেন। এশিয়া সফরকালে ট্রাম্প আবারও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তিনি কিমের সঙ্গে বৈঠক করতে আগ্রহী—যেমনটি তিনি তার প্রথম মেয়াদে করেছিলেন। তিনি বলেছেন, আমার তার (কিমের) সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। যদি সে চায়, আমি তার সঙ্গে দেখা করতে প্রস্তুত। আমরা এখনো কোন আনুষ্ঠানিক বার্তা পাঠাইনি, তবে সে জানে আমি সেখানে যাচ্ছি। যদি সে দেখা করতে চায়, আমি একেবারেই রাজি। কিমকে আলোচনায় আনতে কী অস্ত্র ব্যবহার করবেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেছেন, নিষেধাজ্ঞাই হচ্ছে সবচেয়ে বড়ো অস্ত্র। ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে তিন দফা বৈঠক হয়, তবে পরমাণু বিষয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনা ভেঙে যায়। উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে দেশটি এখন আন্তর্জাতিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি। গত মাসে কিম ইঙ্গিত দিয়েছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরমাণু কর্মসূচি ত্যাগের দাবি থেকে সরে আসে, তবে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী। তিনি যোগ করেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র আমাদের নিরস্ত্রীকরণের অযৌক্তিক দাবি বাদ দেয় এবং বাস্তবতা মেনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বসতে সম্মত হয়, তবে বৈঠক থেকে বিরত থাকার কোনও কারণ নেই। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো বৈঠকের প্রস্তুতির কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী ডিমিলিটারাইজড জোনে সফরের কথা ভাবছিলেন, কিন্তু তা চূড়ান্ত হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং, যিনি জুনে শপথ নিয়েছেন, উত্তরের সঙ্গে সম্পর্ক সহজ করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, ট্রাম্প তার সফরকালে কিমের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিতে পারেন। এছাড়াও, উত্তর কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রী চুং ডং-ইয়ং জানিয়েছেন, পিয়ংইয়ং হয়তো মঙ্গলবার বা বুধবার ট্রাম্পের প্রস্তাবের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে চান কিম, উত্তর কোরিয়া এখনও জাতীয়ভাবে কিছু বলে নি

প্রকাশিতঃ ১২:০২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সাথে দেখা করতে চান। তবে এখন পর্যন্ত পিয়ংইয়ং থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক উত্তর আসেনি। ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়া সফরের আগে কয়েকবার কিমের সাথে সাক্ষাৎ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং এর জন্য আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন বলে ওয়াশিংটন ও সিউলের কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে কোনোরকম চূড়ান্ত প্রস্তুতি বা বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারিত হয়নি। ট্রাম্পের কাছে জানা গেছে, তিনি উত্তর কোরিয়ার নতুন হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর বিষয়ে অবগত হয়েছেন। এশিয়া সফরকালে ট্রাম্প আবারও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তিনি কিমের সঙ্গে বৈঠক করতে আগ্রহী—যেমনটি তিনি তার প্রথম মেয়াদে করেছিলেন। তিনি বলেছেন, আমার তার (কিমের) সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। যদি সে চায়, আমি তার সঙ্গে দেখা করতে প্রস্তুত। আমরা এখনো কোন আনুষ্ঠানিক বার্তা পাঠাইনি, তবে সে জানে আমি সেখানে যাচ্ছি। যদি সে দেখা করতে চায়, আমি একেবারেই রাজি। কিমকে আলোচনায় আনতে কী অস্ত্র ব্যবহার করবেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেছেন, নিষেধাজ্ঞাই হচ্ছে সবচেয়ে বড়ো অস্ত্র। ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে তিন দফা বৈঠক হয়, তবে পরমাণু বিষয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনা ভেঙে যায়। উত্তর কোরিয়ার পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে দেশটি এখন আন্তর্জাতিক কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি। গত মাসে কিম ইঙ্গিত দিয়েছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরমাণু কর্মসূচি ত্যাগের দাবি থেকে সরে আসে, তবে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আগ্রহী। তিনি যোগ করেছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র আমাদের নিরস্ত্রীকরণের অযৌক্তিক দাবি বাদ দেয় এবং বাস্তবতা মেনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বসতে সম্মত হয়, তবে বৈঠক থেকে বিরত থাকার কোনও কারণ নেই। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো বৈঠকের প্রস্তুতির কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা দক্ষিণ ও উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী ডিমিলিটারাইজড জোনে সফরের কথা ভাবছিলেন, কিন্তু তা চূড়ান্ত হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং, যিনি জুনে শপথ নিয়েছেন, উত্তরের সঙ্গে সম্পর্ক সহজ করার চেষ্টা করছেন। তিনি প্রস্তাব দিয়েছেন, ট্রাম্প তার সফরকালে কিমের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিতে পারেন। এছাড়াও, উত্তর কোরিয়ার একীকরণ মন্ত্রী চুং ডং-ইয়ং জানিয়েছেন, পিয়ংইয়ং হয়তো মঙ্গলবার বা বুধবার ট্রাম্পের প্রস্তাবের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।