০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

জনগণের সম্মতি ছাড়া কেউ এগোতে পারে না: হোসেন জিল্লুর

জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকরী হওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের মনোভাব ও স্বীকৃতি; এটি চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়, বরং জনগণকে সম্মতি দিতে হবে, কারণ তারা সমাজের সর্বশেষ অভিভাবক।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তরুণদের নিয়ে আয়োজিত ‘ইউথ পারসপেকটিভস অন স্যোশাল প্রোগ্রেস: গ্রাসরুটস, নেটওয়ার্কস অ্যান্ড লিডারশিপ ভয়েসেস’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এই সম্মেলনের আয়োজক ছিল পিপিআরসি (পাওয়ার অ্যান্ড পার্সিপেশন রিসার্চ সেন্টার)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করার জন্য নাগরিকদের আরও সক্রিয় হতে হবে। নাগরিকের সক্রিয়তা ছাড়া কোনো পরিবর্তন সম্ভব না; হয়তো কিছু হতাশা আসতে পারে, কিন্তু সমস্যা থাকা সত্ত্বেও পরিবর্তন আনা সম্ভব, যদি আমরা আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করি।

সম্মেলনের সূচনালিখনে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, তরুণদের কথাও শোনা প্রয়োজন, তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো বোঝার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তরুণেরা সমাজের কোথায় সম্পৃক্ত হচ্ছেন, সমাজের পরিবর্তনের যে দিকগুলো তাঁরা গুরুত্ব দিচ্ছেন, সেগুলোতে তারা কীভাবে নিজেরা অংশগ্রহণ করবে, সেই বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ২৪-এর আন্দোলনের পর কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে, তার মূলমন্ত্র হলো ‘ইনক্লুসিভিটি অ্যান্ড জাস্টিস’ ও ‘ কালেক্টিভ অ্যাকশন’। সমাজে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তন আনার জন্য কেবল তরুণ নয়, সব বয়সী মানুষরই যথেষ্ট দায়িত্ব রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন হোসেন জিল্লুর রহমান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

জনগণের সম্মতি ছাড়া কেউ এগোতে পারে না: হোসেন জিল্লুর

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকরী হওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের মনোভাব ও স্বীকৃতি; এটি চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়, বরং জনগণকে সম্মতি দিতে হবে, কারণ তারা সমাজের সর্বশেষ অভিভাবক।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তরুণদের নিয়ে আয়োজিত ‘ইউথ পারসপেকটিভস অন স্যোশাল প্রোগ্রেস: গ্রাসরুটস, নেটওয়ার্কস অ্যান্ড লিডারশিপ ভয়েসেস’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এই সম্মেলনের আয়োজক ছিল পিপিআরসি (পাওয়ার অ্যান্ড পার্সিপেশন রিসার্চ সেন্টার)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করার জন্য নাগরিকদের আরও সক্রিয় হতে হবে। নাগরিকের সক্রিয়তা ছাড়া কোনো পরিবর্তন সম্ভব না; হয়তো কিছু হতাশা আসতে পারে, কিন্তু সমস্যা থাকা সত্ত্বেও পরিবর্তন আনা সম্ভব, যদি আমরা আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করি।

সম্মেলনের সূচনালিখনে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, তরুণদের কথাও শোনা প্রয়োজন, তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো বোঝার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তরুণেরা সমাজের কোথায় সম্পৃক্ত হচ্ছেন, সমাজের পরিবর্তনের যে দিকগুলো তাঁরা গুরুত্ব দিচ্ছেন, সেগুলোতে তারা কীভাবে নিজেরা অংশগ্রহণ করবে, সেই বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ২৪-এর আন্দোলনের পর কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে, তার মূলমন্ত্র হলো ‘ইনক্লুসিভিটি অ্যান্ড জাস্টিস’ ও ‘ কালেক্টিভ অ্যাকশন’। সমাজে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তন আনার জন্য কেবল তরুণ নয়, সব বয়সী মানুষরই যথেষ্ট দায়িত্ব রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন হোসেন জিল্লুর রহমান।