১১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

জনগণের সম্মতি ছাড়া কেউ এগোতে পারে না: হোসেন জিল্লুর

জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকরী হওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের মনোভাব ও স্বীকৃতি; এটি চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়, বরং জনগণকে সম্মতি দিতে হবে, কারণ তারা সমাজের সর্বশেষ অভিভাবক।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তরুণদের নিয়ে আয়োজিত ‘ইউথ পারসপেকটিভস অন স্যোশাল প্রোগ্রেস: গ্রাসরুটস, নেটওয়ার্কস অ্যান্ড লিডারশিপ ভয়েসেস’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এই সম্মেলনের আয়োজক ছিল পিপিআরসি (পাওয়ার অ্যান্ড পার্সিপেশন রিসার্চ সেন্টার)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করার জন্য নাগরিকদের আরও সক্রিয় হতে হবে। নাগরিকের সক্রিয়তা ছাড়া কোনো পরিবর্তন সম্ভব না; হয়তো কিছু হতাশা আসতে পারে, কিন্তু সমস্যা থাকা সত্ত্বেও পরিবর্তন আনা সম্ভব, যদি আমরা আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করি।

সম্মেলনের সূচনালিখনে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, তরুণদের কথাও শোনা প্রয়োজন, তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো বোঝার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তরুণেরা সমাজের কোথায় সম্পৃক্ত হচ্ছেন, সমাজের পরিবর্তনের যে দিকগুলো তাঁরা গুরুত্ব দিচ্ছেন, সেগুলোতে তারা কীভাবে নিজেরা অংশগ্রহণ করবে, সেই বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ২৪-এর আন্দোলনের পর কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে, তার মূলমন্ত্র হলো ‘ইনক্লুসিভিটি অ্যান্ড জাস্টিস’ ও ‘ কালেক্টিভ অ্যাকশন’। সমাজে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তন আনার জন্য কেবল তরুণ নয়, সব বয়সী মানুষরই যথেষ্ট দায়িত্ব রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন হোসেন জিল্লুর রহমান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

জনগণের সম্মতি ছাড়া কেউ এগোতে পারে না: হোসেন জিল্লুর

প্রকাশিতঃ ১১:৪৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী ও কার্যকরী হওয়া সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের মনোভাব ও স্বীকৃতি; এটি চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়, বরং জনগণকে সম্মতি দিতে হবে, কারণ তারা সমাজের সর্বশেষ অভিভাবক।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তরুণদের নিয়ে আয়োজিত ‘ইউথ পারসপেকটিভস অন স্যোশাল প্রোগ্রেস: গ্রাসরুটস, নেটওয়ার্কস অ্যান্ড লিডারশিপ ভয়েসেস’ শীর্ষক জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এই সম্মেলনের আয়োজক ছিল পিপিআরসি (পাওয়ার অ্যান্ড পার্সিপেশন রিসার্চ সেন্টার)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করার জন্য নাগরিকদের আরও সক্রিয় হতে হবে। নাগরিকের সক্রিয়তা ছাড়া কোনো পরিবর্তন সম্ভব না; হয়তো কিছু হতাশা আসতে পারে, কিন্তু সমস্যা থাকা সত্ত্বেও পরিবর্তন আনা সম্ভব, যদি আমরা আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে পারি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করি।

সম্মেলনের সূচনালিখনে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, তরুণদের কথাও শোনা প্রয়োজন, তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো বোঝার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তরুণেরা সমাজের কোথায় সম্পৃক্ত হচ্ছেন, সমাজের পরিবর্তনের যে দিকগুলো তাঁরা গুরুত্ব দিচ্ছেন, সেগুলোতে তারা কীভাবে নিজেরা অংশগ্রহণ করবে, সেই বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ২৪-এর আন্দোলনের পর কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে, তার মূলমন্ত্র হলো ‘ইনক্লুসিভিটি অ্যান্ড জাস্টিস’ ও ‘ কালেক্টিভ অ্যাকশন’। সমাজে সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ পরিবর্তন আনার জন্য কেবল তরুণ নয়, সব বয়সী মানুষরই যথেষ্ট দায়িত্ব রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন হোসেন জিল্লুর রহমান।