০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

বাংলাদেশ-থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য সহযোগিতায় বিএফটিআই ও আইটিডির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি ব্যাংককে এক স্মারক চুক্তি (মৌলিকভাবে সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে both প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও নীতি বিশ্লেষণ খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি, আসিয়ান ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যান্য দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশ-থাইল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্য সহযোগিতায় বিএফটিআই ও আইটিডির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি ব্যাংককে এক স্মারক চুক্তি (মৌলিকভাবে সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। এই চুক্তির মাধ্যমে both প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, মানব সম্পদ উন্নয়ন ও নীতি বিশ্লেষণ খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি, আসিয়ান ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যান্য দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।