১০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে অন্যরা সাড়া দিলে আমরাও আলোচনায় বসতে রাজি: তাহের

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা শুরু করতে প্রধান উপদেষ্টার আভাসে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেন, যদি অন্য দলগুলো তার আহ্বানে সাড়া দেয়, তাহলে তিনি আলোচনা করতেও প্রস্তুত থাকবেন। তবে এ বিষয়ে সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ। তাহের এ কথা বলেছেন গতকাল সোমবার আট দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে। সেখানে দলগুলোর নেতারা আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন, এবং সেই সঙ্গে নতুন কর্মসূচি হিসেবে সমাবেশ ও গণমিছিলের ঘোষণা দেন। আন্দোলনরত দলগুলোর প্রতিনিধিরা রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কার্যালয়ে জরুরি সভা করে ঐক্যবদ্ধভাবে পরবর্তী করণীয় ঠিক করেন। সভা শেষে এই দলে একযোগে সংবাদ সম্মেলন হয়। তাহের বলেন, ‘উচ্চকক্ষে পিআরের ব্যাপারে আট দল, জনগণ ও সরকার এককথায় সমর্থন দিয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে এই দাবির পূরণ হবে না। প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে অন্যরা সাড়া দিলে আমরাও আলোচনা করতে রাজি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদি উপদেষ্টা পরিষদ কিছু না করে আমাদের ওপরেই সব ছেড়ে দেয়, তবে রেফারির দায়িত্ব কে পালন করবে?’ তাহের বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা করে একমত হওয়ার বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তবে সরকারের রোল হলো রেফারির মতো দায়িত্ব গ্রহণ করা। সব দল, সব ধরণের মতামতকে কেন্দ্র করে আলোচনা চালাতে চায়।’ পাশাপাশি, বিএনপি নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি জানান, তারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাইছেন। তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের দিনে গণভোট হলে সেই ভোটের কোনো মূল্যায়ন থাকবে না।’ বিএনপির একেকজন নেতার বিভিন্ন মন্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সংশোধনী সংক্রান্ত বিষয়ে একেকজন একেক মন্তব্য করছেন, যা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।’ একই অনুষ্ঠানে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম বলেন, ‘জুলাই সনদ আইনি ভিত্তি না পেলে পরবর্তী নির্বাচন বৈধতা পাবে না। একই দিনে গণভোট ও নির্বাচন হলে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন হুমকির মুখে পড়বে। পাশাপাশি, দুই একই দিনে অনুষ্ঠিত হলে এর কোনও ঐতিহাসিক নজির নেই।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে অন্যরা সাড়া দিলে আমরাও আলোচনায় বসতে রাজি: তাহের

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা শুরু করতে প্রধান উপদেষ্টার আভাসে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। তিনি বলেন, যদি অন্য দলগুলো তার আহ্বানে সাড়া দেয়, তাহলে তিনি আলোচনা করতেও প্রস্তুত থাকবেন। তবে এ বিষয়ে সরকারের উদ্যোগের ওপর নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ। তাহের এ কথা বলেছেন গতকাল সোমবার আট দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে। সেখানে দলগুলোর নেতারা আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন, এবং সেই সঙ্গে নতুন কর্মসূচি হিসেবে সমাবেশ ও গণমিছিলের ঘোষণা দেন। আন্দোলনরত দলগুলোর প্রতিনিধিরা রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কার্যালয়ে জরুরি সভা করে ঐক্যবদ্ধভাবে পরবর্তী করণীয় ঠিক করেন। সভা শেষে এই দলে একযোগে সংবাদ সম্মেলন হয়। তাহের বলেন, ‘উচ্চকক্ষে পিআরের ব্যাপারে আট দল, জনগণ ও সরকার এককথায় সমর্থন দিয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে এই দাবির পূরণ হবে না। প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানে অন্যরা সাড়া দিলে আমরাও আলোচনা করতে রাজি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যদি উপদেষ্টা পরিষদ কিছু না করে আমাদের ওপরেই সব ছেড়ে দেয়, তবে রেফারির দায়িত্ব কে পালন করবে?’ তাহের বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা করে একমত হওয়ার বিষয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তবে সরকারের রোল হলো রেফারির মতো দায়িত্ব গ্রহণ করা। সব দল, সব ধরণের মতামতকে কেন্দ্র করে আলোচনা চালাতে চায়।’ পাশাপাশি, বিএনপি নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি জানান, তারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাইছেন। তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের দিনে গণভোট হলে সেই ভোটের কোনো মূল্যায়ন থাকবে না।’ বিএনপির একেকজন নেতার বিভিন্ন মন্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সংশোধনী সংক্রান্ত বিষয়ে একেকজন একেক মন্তব্য করছেন, যা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।’ একই অনুষ্ঠানে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম বলেন, ‘জুলাই সনদ আইনি ভিত্তি না পেলে পরবর্তী নির্বাচন বৈধতা পাবে না। একই দিনে গণভোট ও নির্বাচন হলে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন হুমকির মুখে পড়বে। পাশাপাশি, দুই একই দিনে অনুষ্ঠিত হলে এর কোনও ঐতিহাসিক নজির নেই।’