০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

এ বছর আমন মৌসুমে ৭ লাখ টন ধান ও চাল সরকার কিনবে

চলতি আমন মৌসুমে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট ৭ লাখ টনের বেশি ধান ও চাল সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ লাখ টন সিদ্ধ চাল, ৫০ হাজার টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার টন ধান। এই সংগ্রহ কার্যক্রম চলতি বছরের ২০ নভেম্বর শুরু হয়ে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

গতকাল রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভা কক্ষে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভার শেষে খাদ্য উপদেষ্টা জনাব আলী ইমাম মজুমদার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

এই বছর সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল কেনা হবে ৫০ টাকা, আতপ চাল ৪৯ টাকা এবং ধান ৩৪ টাকায়। খাদ্য উপদেষ্টা আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর ধান ও চালের সংগ্রহ মূল্য আরও বাড়ানো হয়েছে। গত বছর আইনত নিজে চলাকালীন, সিদ্ধ চালের দাম ছিল প্রতি কেজি ৪৭ টাকা, আতপ চাল ৪৬ টাকা এবং ধান ৩৩ টাকা।

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘আমন ধানের উৎপাদন খরচ কম। এই মৌসুমে বৃষ্টি থাকায় সেচের খরচও কম। এর পরেও দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে অন্যান্য অর্থনৈতিক বিবেচনায়। আমরা আশাবাদী লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।’

অন্যদিকে, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা কমতি এসেছে। অভ্যন্তরীণ সংগ্রহের পাশাপাশি সিদ্ধ চাল আমদানি চলছে। আমরা পুরো খাদ্য প্যাকেজ নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বেসরকারি খাত গম ও চাল আমদানি করছে, যা বাজারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করছে। সার্বিক পরিস্থিতি এখনও সন্তোষজনক। আশা করছি, আমরা আরও উন্নত পরিস্থিতি রেখে যেতে পারবো।’

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ৫৫ লাখ পরিবারের সাহায্য চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি টিসিবি এবং ওএমএসের মাধ্যমে ২ কোটির বেশি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘জেলে পরিবারদের ভিজিএফ দেয়ার পরিকল্পনায় কিছু বাড়ানোর কথা ভাবছি।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

এ বছর আমন মৌসুমে ৭ লাখ টন ধান ও চাল সরকার কিনবে

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

চলতি আমন মৌসুমে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট ৭ লাখ টনের বেশি ধান ও চাল সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে ৬ লাখ টন সিদ্ধ চাল, ৫০ হাজার টন আতপ চাল এবং ৫০ হাজার টন ধান। এই সংগ্রহ কার্যক্রম চলতি বছরের ২০ নভেম্বর শুরু হয়ে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

গতকাল রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভা কক্ষে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভার শেষে খাদ্য উপদেষ্টা জনাব আলী ইমাম মজুমদার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

এই বছর সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি সিদ্ধ চাল কেনা হবে ৫০ টাকা, আতপ চাল ৪৯ টাকা এবং ধান ৩৪ টাকায়। খাদ্য উপদেষ্টা আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর ধান ও চালের সংগ্রহ মূল্য আরও বাড়ানো হয়েছে। গত বছর আইনত নিজে চলাকালীন, সিদ্ধ চালের দাম ছিল প্রতি কেজি ৪৭ টাকা, আতপ চাল ৪৬ টাকা এবং ধান ৩৩ টাকা।

আলী ইমাম মজুমদার বলেন, ‘আমন ধানের উৎপাদন খরচ কম। এই মৌসুমে বৃষ্টি থাকায় সেচের খরচও কম। এর পরেও দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে অন্যান্য অর্থনৈতিক বিবেচনায়। আমরা আশাবাদী লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।’

অন্যদিকে, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা কমতি এসেছে। অভ্যন্তরীণ সংগ্রহের পাশাপাশি সিদ্ধ চাল আমদানি চলছে। আমরা পুরো খাদ্য প্যাকেজ নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বেসরকারি খাত গম ও চাল আমদানি করছে, যা বাজারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করছে। সার্বিক পরিস্থিতি এখনও সন্তোষজনক। আশা করছি, আমরা আরও উন্নত পরিস্থিতি রেখে যেতে পারবো।’

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ৫৫ লাখ পরিবারের সাহায্য চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি টিসিবি এবং ওএমএসের মাধ্যমে ২ কোটির বেশি পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘জেলে পরিবারদের ভিজিএফ দেয়ার পরিকল্পনায় কিছু বাড়ানোর কথা ভাবছি।’