০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুতা উৎপাদন খাত রক্ষায় জরুরি সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর

দেশের স্পিনিং বা সুতা উৎপাদন খাত রক্ষার জন্য অবিলম্বে কার্যকর এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের তিন শীর্ষ সংগঠন—বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ। এই আহ্বানটি উঠে আসে গত মঙ্গলবার এক জরুরি বৈঠকে, যেখানে তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সুতা ও পোশাকশিল্পের চলমান সংকট, বিশেষ করে স্পিনিং খাতে উত্থাপন করেন।

বৈঠকে দেশের বর্তমান স্পিনিং মিলগুলোর পরিস্থিতি ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করে। ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করে বলেন, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে দেশের স্পিনিং খাত যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি, দেশের মূল রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র বিদেশি বাজারে আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, যা এই খাতের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।

অতএব, পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে করণীয় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এছাড়াও, সরকারের সম্প্রতি জারি করা ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। ব্যবসায়ী নেতারা জানিয়েছেন, ত্রিপক্ষীয় পরামর্শক পরিষদের (টিসিসি) যৌথ সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে, সংগঠনগুলো সেই অধ্যাদেশটি প্রত্যাখ্যান করে এবং সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর দ্রুত সংশোধনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

বস্ত্র ও তৈরির নীতিনির্ধারক নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, যেন দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত বড় ধরনের সংকটে না পড়ে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সুতা উৎপাদন খাত রক্ষায় জরুরি সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

দেশের স্পিনিং বা সুতা উৎপাদন খাত রক্ষার জন্য অবিলম্বে কার্যকর এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের তিন শীর্ষ সংগঠন—বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ। এই আহ্বানটি উঠে আসে গত মঙ্গলবার এক জরুরি বৈঠকে, যেখানে তিন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এবং বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সুতা ও পোশাকশিল্পের চলমান সংকট, বিশেষ করে স্পিনিং খাতে উত্থাপন করেন।

বৈঠকে দেশের বর্তমান স্পিনিং মিলগুলোর পরিস্থিতি ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করে। ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করে বলেন, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে দেশের স্পিনিং খাত যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি, দেশের মূল রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র বিদেশি বাজারে আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, যা এই খাতের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করবে।

অতএব, পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে করণীয় নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এছাড়াও, সরকারের সম্প্রতি জারি করা ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। ব্যবসায়ী নেতারা জানিয়েছেন, ত্রিপক্ষীয় পরামর্শক পরিষদের (টিসিসি) যৌথ সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তের বাইরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে, সংগঠনগুলো সেই অধ্যাদেশটি প্রত্যাখ্যান করে এবং সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর দ্রুত সংশোধনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

বস্ত্র ও তৈরির নীতিনির্ধারক নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে, যেন দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত বড় ধরনের সংকটে না পড়ে।