০৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

নভেম্বরে এলএনজি আমদানিতে সরকারের ব্যয় ৩৬১ মিলিয়ন ডলার

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নভেম্বর মাসে মোট ১১ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করেছে। এসব কার্গোর মোট পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ এমএমবিটিইউ, যার বিপরীতে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৬১ মিলিয়ন ডলার।

পেট্রোবাংলার পরিচালক একেএম মিজানুর রহমান বাসসকে জানিয়েছেন, দেশের বাড়তে থাকা জ্বালানি চাহিদা মেটাতে তারা দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ও স্পট মার্কেট থেকে নিয়মিতভাবে এলএনজি আমদানির ব্যবস্থা করছে।

তিনি আরও বলেছেন, অক্টোবর মাসে তারা মোট প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি ক্রয় করেছেন, যার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের আওতায় দেশটি মোট ১০ কার্গো থেকে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি সংগ্রহ করেছে। গড়ে এক কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি ছিল।

তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতারএনার্জি চার কার্গো এলএনজি সরবরাহ করে ১১৫.৯৭ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে। একই চুক্তির অধীন ওমানের ওকিউ ট্রেডিং (ওকিউটি) দুই কার্গো জন্য ৫৫.২৮ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে।

উল্লেখ্য, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ওমানভিত্তিক ওকিউটির দوء কার্গো জন্য ৭৫.২১ মিলিয়ন ডলার এবং স্পট মার্কেট থেকে তিন কার্গো এলএনজি আমদানির জন্য সরকার ব্যয় করেছে ১১৪.৫৩ মিলিয়ন ডলার।

নভেম্বরে স্পট মার্কেটের আওতায় পেট্রোচায়না ইন্টারন্যাশনাল এক কার্গো জন্য ৩৮.০৮ মিলিয়ন ডলার এবং টোটালএনার্জিজ গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার দুই কার্গো জন্য ৭৬.৪৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির তথ্য অনুযায়ী, দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এলএনজি আমদানির জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব ইতিমধ্যে অনুমোদন হয়েছে। এর আগে ক্রয় কমিটির এক বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সরকারের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি এলএনজির সরবরাহ বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দিচ্ছেন সদস্যরা। তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তুলনামূলকভাবে যুক্তিসঙ্গত মূল্যে এলএনজি সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

নভেম্বরে এলএনজি আমদানিতে সরকারের ব্যয় ৩৬১ মিলিয়ন ডলার

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নভেম্বর মাসে মোট ১১ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করেছে। এসব কার্গোর মোট পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ এমএমবিটিইউ, যার বিপরীতে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩৬১ মিলিয়ন ডলার।

পেট্রোবাংলার পরিচালক একেএম মিজানুর রহমান বাসসকে জানিয়েছেন, দেশের বাড়তে থাকা জ্বালানি চাহিদা মেটাতে তারা দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পমেয়াদি চুক্তি ও স্পট মার্কেট থেকে নিয়মিতভাবে এলএনজি আমদানির ব্যবস্থা করছে।

তিনি আরও বলেছেন, অক্টোবর মাসে তারা মোট প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি ক্রয় করেছেন, যার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের আওতায় দেশটি মোট ১০ কার্গো থেকে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি সংগ্রহ করেছে। গড়ে এক কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি ছিল।

তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতারএনার্জি চার কার্গো এলএনজি সরবরাহ করে ১১৫.৯৭ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে। একই চুক্তির অধীন ওমানের ওকিউ ট্রেডিং (ওকিউটি) দুই কার্গো জন্য ৫৫.২৮ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে।

উল্লেখ্য, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ওমানভিত্তিক ওকিউটির দوء কার্গো জন্য ৭৫.২১ মিলিয়ন ডলার এবং স্পট মার্কেট থেকে তিন কার্গো এলএনজি আমদানির জন্য সরকার ব্যয় করেছে ১১৪.৫৩ মিলিয়ন ডলার।

নভেম্বরে স্পট মার্কেটের আওতায় পেট্রোচায়না ইন্টারন্যাশনাল এক কার্গো জন্য ৩৮.০৮ মিলিয়ন ডলার এবং টোটালএনার্জিজ গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার দুই কার্গো জন্য ৭৬.৪৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির তথ্য অনুযায়ী, দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এলএনজি আমদানির জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব ইতিমধ্যে অনুমোদন হয়েছে। এর আগে ক্রয় কমিটির এক বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সরকারের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি এলএনজির সরবরাহ বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দিচ্ছেন সদস্যরা। তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তুলনামূলকভাবে যুক্তিসঙ্গত মূল্যে এলএনজি সংগ্রহ করা হচ্ছে।