বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশে এখনও পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি হয়নি বলে মনে করেন। তিনি বলেন, সরকার এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিতে পারেনি, যা সরকারের ব্যর্থতা প্রমাণ করে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নির্বাচনের সময় দেশের পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
গতকাল সোমবার, সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁওয়ের কালিবাড়িতে অবস্থিত নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপের সময় এই মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল আরও দাবি করেন, বিএনপি দেশের সংস্কার, একদলীয় থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে।
ভারত-সম্পর্কিত বিষয়ে তিনি বলেন, ‘একটি দেশের সঙ্গে অন্য দেশের পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখেই সব রকম দাবি আদায়ে আমরা চেষ্টা করব। ভালো সম্পর্ক রাখতে পারলে ভারতের বিরূপ আচরণও কমে আসবে।’
পানি চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে আমাদের একটি অঙ্গীকার রয়েছে। তিস্তা, পদ্মা এবং অন্যান্য অভিন্ন নদীর ব্যাপারে আমরা ভারতের সঙ্গে আলোচনা করব। পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের জন্য তাদের সঙ্গে উন্নত ডিপ্লোমেটিক সম্পর্ক বজায় রাখবো। পারস্পরিক সম্মান দিয়ে দখল নেওয়া বা দাবি আদায়ের কাজ সহজ হবে।’
এছাড়াও, প্রশ্ন ওঠে যে, বর্তমান রাষ্ট্র কাঠামোতে যদি সরকার গঠন হয়, তাহলে কি সেটি ফ্যাসিস্ট সরকার হবে, বা না-হলে কি হবে। এর উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যারা সব সময় ফ্যাসিস্টদের ভয় করে এবং নিজেরা কিছু করে না, তারা এসব বিষয়ে ভীত হওয়ার কিছু নেই। আমরা জানি কিভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারকে মোকাবিলা করতে হয়। মারতেও, রুখতেও জানি আমরা।’
ক্রিকেটে বিশ্বকাপের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতি ক্রিকেটে জড়িত। দেশের সম্মানও এর সঙ্গে জড়িত। মনে রাখতে হবে, আমাদের একজন ক্রিকেটারকে অপমান করা হয়েছে, যা আমাদের দেশের জন্য অপমানজনক। আমরা বোর্ডের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত, তবে ছোটখাটো বিষয়গুলোতে একসাথে আলোচনা হওয়া উচিত।’
সঙ্গে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী ও দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 

























