০৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে প্রথম: রশিদ খান পৌঁছালেন ৭০০ উইকেট

আফগান অধিনায়ক ও বিশ্বের পুরষ্কারপ্রাপ্ত লেগ স্পিনার রশিদ খান টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে খেলায় তিনি এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে প্রথম বোলার হিসেবে ৭০০ উইকেট পূর্ণ করেন।

ম্যাচ শুরুর আগে রশিদের কাঁধে ছিল ৬৯৯টি উইকেট। প্রথম স্পেলে তিনি উইকেট পাননি, কিন্তু ইনিংসের ১৬তম ওভারেই কাঙ্খিত সাফল্য আসে। ওভারের দ্বিতীয় বলে আরব আমিরাতের ব্যাটার মোহাম্মদ আরফান ‘হিট উইকেট’ হওয়ার মাধ্যমে রশিদ টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৭০০তম উইকেট তুলে নেন। এর আগে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে ৬৯৮ ও ৬৯৯ নম্বর উইকেট সংগ্রহ করেছেন।

টি-টোয়েন্টি (ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে) সর্বমোট উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় রশিদ দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে। ইতোমধ্যেই অবসর নেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ডোয়াইন ব্রাভো ৬৩১ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। সক্রিয় বোলারদের মধ্যে সুনীল নারিন ৬১৩ উইকেট নিয়ে রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ৭০০–এর এই সংখ্যানুগতি রশিদের একক আধিপত্যকে দৃঢ় করে।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও রশিদের দাপট অসামান্য; সেখানে তার উইকেটসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১-এ, যা অন্য সকলের চেয়ে অনেক এগিয়ে। নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি ও ইশ সোধি যথাক্রমে ১৬৪ ও ১৬২ উইকেট নিয়ে তার পেছনে আছেন।

ম্যাচ পর রশিদ বলেন, ৭০০ উইকেট একটি বড় অর্জন, কিন্তু তিনি কখনোই নির্দিষ্ট সংখ্যাকে লক্ষ্য করে খেলা করেন না। জাতীয় জার্সি পরে মাঠে নামলে তার একমাত্র লক্ষ্য থাকে দলের জন্য যথাসম্ভব ভাল পারফরম্যান্স দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় উইকেট শিকার করা। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এই মাইলফলক এখানেই থামবে না।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মাত্র ২৯ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনারের বর্তমান ফর্ম ও ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও তিনি আরও অনেক অনুমেয় রেকর্ড গড়ে তুলতে পারবেন। রশিদের এই অর্জন শুধু আফগানিস্তান ক্রিকেটের জন্যই গর্বের নয়, বরং বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসেও এটি একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে প্রথম: রশিদ খান পৌঁছালেন ৭০০ উইকেট

প্রকাশিতঃ ০৩:২২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফগান অধিনায়ক ও বিশ্বের পুরষ্কারপ্রাপ্ত লেগ স্পিনার রশিদ খান টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে খেলায় তিনি এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে প্রথম বোলার হিসেবে ৭০০ উইকেট পূর্ণ করেন।

ম্যাচ শুরুর আগে রশিদের কাঁধে ছিল ৬৯৯টি উইকেট। প্রথম স্পেলে তিনি উইকেট পাননি, কিন্তু ইনিংসের ১৬তম ওভারেই কাঙ্খিত সাফল্য আসে। ওভারের দ্বিতীয় বলে আরব আমিরাতের ব্যাটার মোহাম্মদ আরফান ‘হিট উইকেট’ হওয়ার মাধ্যমে রশিদ টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৭০০তম উইকেট তুলে নেন। এর আগে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে ৬৯৮ ও ৬৯৯ নম্বর উইকেট সংগ্রহ করেছেন।

টি-টোয়েন্টি (ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে) সর্বমোট উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় রশিদ দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে। ইতোমধ্যেই অবসর নেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ডোয়াইন ব্রাভো ৬৩১ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। সক্রিয় বোলারদের মধ্যে সুনীল নারিন ৬১৩ উইকেট নিয়ে রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ৭০০–এর এই সংখ্যানুগতি রশিদের একক আধিপত্যকে দৃঢ় করে।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও রশিদের দাপট অসামান্য; সেখানে তার উইকেটসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯১-এ, যা অন্য সকলের চেয়ে অনেক এগিয়ে। নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি ও ইশ সোধি যথাক্রমে ১৬৪ ও ১৬২ উইকেট নিয়ে তার পেছনে আছেন।

ম্যাচ পর রশিদ বলেন, ৭০০ উইকেট একটি বড় অর্জন, কিন্তু তিনি কখনোই নির্দিষ্ট সংখ্যাকে লক্ষ্য করে খেলা করেন না। জাতীয় জার্সি পরে মাঠে নামলে তার একমাত্র লক্ষ্য থাকে দলের জন্য যথাসম্ভব ভাল পারফরম্যান্স দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় উইকেট শিকার করা। তিনি আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এই মাইলফলক এখানেই থামবে না।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মাত্র ২৯ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনারের বর্তমান ফর্ম ও ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও তিনি আরও অনেক অনুমেয় রেকর্ড গড়ে তুলতে পারবেন। রশিদের এই অর্জন শুধু আফগানিস্তান ক্রিকেটের জন্যই গর্বের নয়, বরং বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসেও এটি একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে থাকবে।