টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড আজ কানাডার দেওয়া ১৭৪ রানের টার্গেট সহজে তাড়া করে বড় জয় উদযাপন করেছে। এই জয়ের ফলে নিউজিল্যান্ড গ্রুপ ‘ডি’-এর ষষ্ঠ দল হিসেবে সুপার-এইটে স্থান পাকা করে।
টসে জিতে ব্যাটিং করা কানাডা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৩ রানের সংগ্রহ গড়ে, যা চলতি টুর্নামেন্টে তাদের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর। দলের ইনিংসের প্রাণভোমরা ছিলেন তরুণ ওপেনার যুবরাজ সিং সামরা। মাত্র ৬৫ বলে ১০টি চারের সঙ্গে ৬টি ছক্কায় তিনি দুর্দান্ত ১১০ রান করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে কমবয়সে সেঞ্চুরি করা খেলোয়াড়ের মর্যাদা পেলেন। যুবরাজের সঙ্গে উদ্বোধনী জুটিতে দিলপ্রীত বাজওয়ার ৩৬ রানের ভূমিকা রাখেন এবং তাদের জুটিই কানাডার ইনিংসকে শক্ত ভিত্তি দিয়েছিল। তবে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা না রাখায় পরে দলের স্কোর দুইশর নিচে আটকে যায়।
নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ছিল চ্যালেঞ্জিং — শুরুতেই দুই ওপেনার ফিরে আসায় চাপ তৈরি হয়। কিন্তু দ্রুতই রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস ম্যাচের মেজাজ বদলে দেন। এই দুজন খেলোয়াড় কিউই বোলারদের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে মাত্র ৭৩ বলে অবিচ্ছিন্নভাবে ১৪৬ রানের এক বিশাল জুটি গড়েন এবং দলের জয় অনায়াসে নিশ্চিত করেন। গ্লেন ফিলিপস মাত্র ৩৬ বলে ৭৬* রান করে অনবদ্য আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখান (৪ চার, ৬ ছক্কা), অপরদিকে রাচিন রবীন্দ্র ৩৯ বলে ৫৯ রান করে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন। নিউজিল্যান্ড মাত্র ১৫.১ ওভারে ১৭৬ রান করে দেখে ফেলে এবং ২৯ বল বাঁচিয়ে ৮ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে।
এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘ডি’-র সব রকম সমীকরণ পরিষ্কার হয়ে গেল; দক্ষিণ আফ্রিকা আগেই সুপার-এইটে ছিল, আর এখন নিউজিল্যান্ডও তাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছে। যদিও নিউজিল্যান্ড আগের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছিল, আজকের বড় জয়ে তারা রান-রেট ও আত্মবিশ্বাস—দুটোই বাড়িয়েছে। যুবরাজ সিং সামরার ব্যক্তিগত রেকর্ড সত্ত্বেও কানাডা অভিজ্ঞ নিউজিল্যান্ডি ব্যাটিং লাইনের কাছে টিকে থাকতে পারলো না।
নিউজিল্যান্ড এখন সুপার-এইটে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্ত করে তুলে দিতে প্রস্তুত এবং ভবিষ্যৎ লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে আছে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 

























