১০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তরেক রহমান: টিকে থাকতে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রই একমাত্র বিকল্প দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে সাধারণ জনগণের জন্য নতুন পরিকল্পনা সরকারের সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে দেরিতে আসা কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ সচিব ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে অতিরিক্ত আইজি মো. সরওয়ার মনোনীত হওয়ার পরও বাংলা একাডেমি পুরস্কার ‘সাময়িকভাবে স্থগিত’ এগ্রো-প্রোডাক্টকে দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারি: কৃষি মন্ত্রী মনোনীত হলেও মোহন রায়হানের বাংলা একাডেমি পুরস্কার সাময়িক স্থগিত অফিসে দেরি করলে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রিপরিষদ সচিব বইমেলা: দেশের মেধা ও মননের প্রতিচ্ছবি

বরিশালে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা ও আদালতে বিশৃঙ্খলা

বরিশালে আদালত বর্জন, হট্টগোল এবং বিচারকদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে ২০ জন বিএনপিপন্থি আইনজীবীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দাখিল করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত এই মামলা করেন। বাদী হয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার। মামলার প্রধান আসামি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। আলোচিত ঘটনার শুরু হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, যখন একটি মামলার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত বা আদালতের পরিবেশে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন একদল আসামি বরিশালের মুখ্য ও অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। তারা দুপুর দেড়টার দিকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়তুল্লাহর এজলাসে হঠাৎ প্রবেশ করে স্বাভাবিক শুনানি বন্ধের নির্দেশ দেন এবং আদালতকর্মীদের হুমকি দিতে থাকেন। এরপর আদালতের সভাপতি বা প্রিজিডিং আইনজীবী এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন সবাইকে তাত্ক্ষণিক বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। কিছু সময় পরে তিনি একটি আইনজীবীকে গলা ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দেন। অন্যদিকে, বিচারক ও আদালতের কার্জক্রমের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপরও হঠাৎ আক্রমণ চালান আসামিরা। তারা আদালতকক্ষে থাকা রাইফার, মাইক্রোফোন, বেঞ্চ ও টেবিল ভাঙচুর করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথিপত্র ও কজলিস্টের ফাইল ছিঁড়ে দেয়। প্রায় মুহুর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, আদালত ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর ও অশোভন আচরণ চলে। এই বিশৃঙ্খলার ফলে বিচার বিভাগ কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং মামলার নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি লিংকনসহ সন্দেহভাজন আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনায় দ্রুত মামলা দাখিল করে আদালত, যা এই অশান্তির সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারের পথে ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দীর্ঘ ১০–১৫ বছর ধরে গড়া বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বরিশালে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা ও আদালতে বিশৃঙ্খলা

প্রকাশিতঃ ০৩:৪২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বরিশালে আদালত বর্জন, হট্টগোল এবং বিচারকদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে ২০ জন বিএনপিপন্থি আইনজীবীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দাখিল করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত এই মামলা করেন। বাদী হয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার। মামলার প্রধান আসামি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। আলোচিত ঘটনার শুরু হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, যখন একটি মামলার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত বা আদালতের পরিবেশে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন একদল আসামি বরিশালের মুখ্য ও অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। তারা দুপুর দেড়টার দিকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়তুল্লাহর এজলাসে হঠাৎ প্রবেশ করে স্বাভাবিক শুনানি বন্ধের নির্দেশ দেন এবং আদালতকর্মীদের হুমকি দিতে থাকেন। এরপর আদালতের সভাপতি বা প্রিজিডিং আইনজীবী এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন সবাইকে তাত্ক্ষণিক বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। কিছু সময় পরে তিনি একটি আইনজীবীকে গলা ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দেন। অন্যদিকে, বিচারক ও আদালতের কার্জক্রমের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপরও হঠাৎ আক্রমণ চালান আসামিরা। তারা আদালতকক্ষে থাকা রাইফার, মাইক্রোফোন, বেঞ্চ ও টেবিল ভাঙচুর করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথিপত্র ও কজলিস্টের ফাইল ছিঁড়ে দেয়। প্রায় মুহুর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, আদালত ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর ও অশোভন আচরণ চলে। এই বিশৃঙ্খলার ফলে বিচার বিভাগ কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং মামলার নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি লিংকনসহ সন্দেহভাজন আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনায় দ্রুত মামলা দাখিল করে আদালত, যা এই অশান্তির সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারের পথে ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।