০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

বরিশালে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা ও আদালতে বিশৃঙ্খলা

বরিশালে আদালত বর্জন, হট্টগোল এবং বিচারকদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে ২০ জন বিএনপিপন্থি আইনজীবীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দাখিল করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত এই মামলা করেন। বাদী হয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার। মামলার প্রধান আসামি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। আলোচিত ঘটনার শুরু হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, যখন একটি মামলার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত বা আদালতের পরিবেশে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন একদল আসামি বরিশালের মুখ্য ও অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। তারা দুপুর দেড়টার দিকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়তুল্লাহর এজলাসে হঠাৎ প্রবেশ করে স্বাভাবিক শুনানি বন্ধের নির্দেশ দেন এবং আদালতকর্মীদের হুমকি দিতে থাকেন। এরপর আদালতের সভাপতি বা প্রিজিডিং আইনজীবী এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন সবাইকে তাত্ক্ষণিক বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। কিছু সময় পরে তিনি একটি আইনজীবীকে গলা ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দেন। অন্যদিকে, বিচারক ও আদালতের কার্জক্রমের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপরও হঠাৎ আক্রমণ চালান আসামিরা। তারা আদালতকক্ষে থাকা রাইফার, মাইক্রোফোন, বেঞ্চ ও টেবিল ভাঙচুর করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথিপত্র ও কজলিস্টের ফাইল ছিঁড়ে দেয়। প্রায় মুহুর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, আদালত ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর ও অশোভন আচরণ চলে। এই বিশৃঙ্খলার ফলে বিচার বিভাগ কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং মামলার নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি লিংকনসহ সন্দেহভাজন আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনায় দ্রুত মামলা দাখিল করে আদালত, যা এই অশান্তির সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারের পথে ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

বরিশালে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা ও আদালতে বিশৃঙ্খলা

প্রকাশিতঃ ০৩:৪২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বরিশালে আদালত বর্জন, হট্টগোল এবং বিচারকদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগে ২০ জন বিএনপিপন্থি আইনজীবীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দাখিল করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত এই মামলা করেন। বাদী হয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার। মামলার প্রধান আসামি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। আলোচিত ঘটনার শুরু হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, যখন একটি মামলার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত বা আদালতের পরিবেশে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন একদল আসামি বরিশালের মুখ্য ও অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন। তারা দুপুর দেড়টার দিকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরিয়তুল্লাহর এজলাসে হঠাৎ প্রবেশ করে স্বাভাবিক শুনানি বন্ধের নির্দেশ দেন এবং আদালতকর্মীদের হুমকি দিতে থাকেন। এরপর আদালতের সভাপতি বা প্রিজিডিং আইনজীবী এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন সবাইকে তাত্ক্ষণিক বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। কিছু সময় পরে তিনি একটি আইনজীবীকে গলা ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দেন। অন্যদিকে, বিচারক ও আদালতের কার্জক্রমের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপরও হঠাৎ আক্রমণ চালান আসামিরা। তারা আদালতকক্ষে থাকা রাইফার, মাইক্রোফোন, বেঞ্চ ও টেবিল ভাঙচুর করে এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথিপত্র ও কজলিস্টের ফাইল ছিঁড়ে দেয়। প্রায় মুহুর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, আদালত ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর ও অশোভন আচরণ চলে। এই বিশৃঙ্খলার ফলে বিচার বিভাগ কার্যত অচল হয়ে পড়ে এবং মামলার নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি লিংকনসহ সন্দেহভাজন আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনায় দ্রুত মামলা দাখিল করে আদালত, যা এই অশান্তির সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারের পথে ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।