১০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময় ইলিশ সংরক্ষণের জন্য রোববার থেকে দুই মাসের জন্য মাছ ধরা নিষেধ ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের জন্য কাতারে সতর্কতা নির্দেশনা প্রতি বছর ২০২৫ সালে দেশে ৪০৩ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা প্রথমবার নিজের কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী ইরান-ইসরাইল সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে কাতারে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের বিশেষ সতর্কতা পুলিশ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে, প্রয়োজনে আবারও হবে: স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী

২০২৬ বিশ্বকাপে রেকর্ড পুরস্কার সত্ত্বেও ইউরোপীয় দেশগুলোর আংশিক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা

আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য গত ডিসেম্বরে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ঘোষণা করেছে রেকর্ড সাতটি অর্থ পুরস্কার। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে এই টুর্নামেন্টে ৪৮টি দলের জন্য মোট অর্থায়ন নির্ধারণ করা হয়েছে ৭২৭ মিলিয়ন ডলার, যা ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের চেয়েও প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। কিন্তু অর্থের পরিমাণ বাড়লেও, ইউরোপীয় দেশগুলো এই আসরে অংশগ্রহণের জন্য আর্থিক বিশাল বোঝার মুখোমুখি হচ্ছে এবং ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও পিএমিডিয়ার যৌথ অনুসন্ধান বলছে, দল সংখ্যা বাড়ার কারণে প্রতিটি দেশের জন্য সরাসরি অর্থপ্রাপ্তির পরিমাণ বাড়েনি। বরং, আনুষঙ্গিক খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় অন্তত১০টি দেশ এ অর্থনৈতিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে ফিফার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দল অংশগ্রহণের জন্য ৯ মিলিয়ন ডলার পাবে, আর প্রস্তুতি ও অন্যান্য খরচের জন্য অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ। অর্থাৎ, কোনো দল যদি গ্রুপ পর্বে কোনও ম্যাচ না জিতেও বিদায় নেয়, তারপরও অন্তত ১০.৫ মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারবে, যা কাতার বিশ্বকাপের সময়ও ছিল। তবে এবার ফিফা দলগুলোর দৈনিক ভাতার পরিমাণ থেকে সেটি কমিয়ে ৬০০ ডলার নির্ধারণ করেছে, যেখানে আগে ছিল ৮৫০ ডলার। ফলে, সেমিফাইনালও খেললে গত আসরের তুলনায় কয়েক লাখ ডলার আয় কম হবে।

অতিরিক্ত, মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণে ডলারের বিপরীতে অর্থের প্রকৃত মূল্য আরও কমে যাওয়ার ভয় রয়েছে। বিশালাকার ভৌগোলিক প্রসারে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে, দর্শক আসন, যানবাহন ও আবাসনের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে উচ্চ বেতন এবং করোর কারণে এই খরচ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে, ইউরোপে বিভিন্ন ফুটবল সংস্থাগুলো পূর্বাভাস করেছেন, খরচের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় টুর্নামেন্ট থেকে তাদের লাভ ক্ষতিপূরণ অনেকটাই কমে যাবে। এমনকি, গ্রুপ পর্বে বাদ পড়া দেশেরাও এই আসর শেষে বড় ধরনের আর্থিক ঘাটতিতে পড়তে পারে, যা তাদের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী

২০২৬ বিশ্বকাপে রেকর্ড পুরস্কার সত্ত্বেও ইউরোপীয় দেশগুলোর আংশিক আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা

প্রকাশিতঃ ০৪:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য গত ডিসেম্বরে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা ঘোষণা করেছে রেকর্ড সাতটি অর্থ পুরস্কার। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে এই টুর্নামেন্টে ৪৮টি দলের জন্য মোট অর্থায়ন নির্ধারণ করা হয়েছে ৭২৭ মিলিয়ন ডলার, যা ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের চেয়েও প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। কিন্তু অর্থের পরিমাণ বাড়লেও, ইউরোপীয় দেশগুলো এই আসরে অংশগ্রহণের জন্য আর্থিক বিশাল বোঝার মুখোমুখি হচ্ছে এবং ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও পিএমিডিয়ার যৌথ অনুসন্ধান বলছে, দল সংখ্যা বাড়ার কারণে প্রতিটি দেশের জন্য সরাসরি অর্থপ্রাপ্তির পরিমাণ বাড়েনি। বরং, আনুষঙ্গিক খরচ অনেক বেড়ে যাওয়ায় অন্তত১০টি দেশ এ অর্থনৈতিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে ফিফার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দল অংশগ্রহণের জন্য ৯ মিলিয়ন ডলার পাবে, আর প্রস্তুতি ও অন্যান্য খরচের জন্য অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ। অর্থাৎ, কোনো দল যদি গ্রুপ পর্বে কোনও ম্যাচ না জিতেও বিদায় নেয়, তারপরও অন্তত ১০.৫ মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারবে, যা কাতার বিশ্বকাপের সময়ও ছিল। তবে এবার ফিফা দলগুলোর দৈনিক ভাতার পরিমাণ থেকে সেটি কমিয়ে ৬০০ ডলার নির্ধারণ করেছে, যেখানে আগে ছিল ৮৫০ ডলার। ফলে, সেমিফাইনালও খেললে গত আসরের তুলনায় কয়েক লাখ ডলার আয় কম হবে।

অতিরিক্ত, মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণে ডলারের বিপরীতে অর্থের প্রকৃত মূল্য আরও কমে যাওয়ার ভয় রয়েছে। বিশালাকার ভৌগোলিক প্রসারে আয়োজিত এই বিশ্বকাপে, দর্শক আসন, যানবাহন ও আবাসনের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে উচ্চ বেতন এবং করোর কারণে এই খরচ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে, ইউরোপে বিভিন্ন ফুটবল সংস্থাগুলো পূর্বাভাস করেছেন, খরচের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় টুর্নামেন্ট থেকে তাদের লাভ ক্ষতিপূরণ অনেকটাই কমে যাবে। এমনকি, গ্রুপ পর্বে বাদ পড়া দেশেরাও এই আসর শেষে বড় ধরনের আর্থিক ঘাটতিতে পড়তে পারে, যা তাদের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।