০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

২৬ বছর পর ফিরে আসছে দেবাশীষ বিশ্বাসের জনপ্রিয় স্ট্রিট শো ‘পথের প্যাঁচালী’

নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে একুশে টেলিভিশনের পর্দায় তরুণ উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস সাধারণ মানুষকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা আর অপ্রত্যাশিত প্রশ্ন করে রাতারাতি জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছিলেন। সেই ভাষা-আচরণ আর প্রাণবন্ত শৈলীর অনুষ্ঠানের নাম ছিল ‘পথের প্যাঁচালী’—যার ছোঁয়া আজও অনেক দর্শকের মনের কোণে টিকে আছে।

দীর্ঘ ২৬ বছর পার হলেও দর্শকদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এখন আবারও ছোট পর্দায় ফিরছে কালজয়ী এই স্ট্রিট শো। নির্মাতা ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস নিশ্চিত করেছেন যে রোজার ঈদের পর একুশে টেলিভিশনে ‘পথের প্যাঁচালী’র নতুন সিজন শুরু হবে।

এই পুনরাবৃত্তি সম্পর্কে দেবাশীষ অত্যন্ত উচ্ছ্বাসিত ও আবেগপ্রবণ। তিনি বলেছেন, একুশে টিভি এবং ‘পথের প্যাঁচালী’ই তাকে আজকের দেবাশীষ বিশ্বাস বানিয়েছে। দীর্ঘ বছর দর্শকেরা সর্বক্ষেত্রে এই অনুষ্ঠানের পুনরায় সূচনার আবেদন জানিয়ে আসছিলেন—ভক্তদের সেই অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই রাজপথে মাইক্রোফোন হাতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি একুশে টেলিভিশনের সাথে হওয়া আনুষ্ঠানিক বৈঠকে নতুন সিজন শুরু করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুসারে, ঈদের পরপরই একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে ‘পথের প্যাঁচালী’র নতুন পথচলা শুরু হবে। মূল কাঠামো আগের মতোই থাকবে—রাস্তায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত কথাবার্তা ও মজার প্রশ্ন—but উপস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া মিলবে। দেবাশীষ স্বীকার করেছেন, ২৬ বছর আগের সেই তরুণ বয়স আর পরিস্থিতি এখন নেই, তবুও তিনি দর্শকদের নির্মল বিনোদন দেওয়ার পুরনো আমেজ বজায় রাখার পূর্ণ চেষ্টা করবেন।

চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত দেবাশীষের কাছে এই শোটি শুধুই একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং শেকড়ে ফেরার এক মাধ্যম। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে যারা শোটির প্রত্যাবর্তনের আশায় ছিলেন, তাদের জন্য এটি হবে বড়সড় উপহার। একুশে টেলিভিশনও আশা করছে—পুরনো স্মৃতি ও নতুন প্রজন্মের কৌতূহল মিলে রাজপথের আড্ডা আবারও জমে উঠবে এবং দর্শকের মুখে হাসি ফোটাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

২৬ বছর পর ফিরে আসছে দেবাশীষ বিশ্বাসের জনপ্রিয় স্ট্রিট শো ‘পথের প্যাঁচালী’

প্রকাশিতঃ ০৮:২০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে একুশে টেলিভিশনের পর্দায় তরুণ উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস সাধারণ মানুষকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা আর অপ্রত্যাশিত প্রশ্ন করে রাতারাতি জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছিলেন। সেই ভাষা-আচরণ আর প্রাণবন্ত শৈলীর অনুষ্ঠানের নাম ছিল ‘পথের প্যাঁচালী’—যার ছোঁয়া আজও অনেক দর্শকের মনের কোণে টিকে আছে।

দীর্ঘ ২৬ বছর পার হলেও দর্শকদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এখন আবারও ছোট পর্দায় ফিরছে কালজয়ী এই স্ট্রিট শো। নির্মাতা ও উপস্থাপক দেবাশীষ বিশ্বাস নিশ্চিত করেছেন যে রোজার ঈদের পর একুশে টেলিভিশনে ‘পথের প্যাঁচালী’র নতুন সিজন শুরু হবে।

এই পুনরাবৃত্তি সম্পর্কে দেবাশীষ অত্যন্ত উচ্ছ্বাসিত ও আবেগপ্রবণ। তিনি বলেছেন, একুশে টিভি এবং ‘পথের প্যাঁচালী’ই তাকে আজকের দেবাশীষ বিশ্বাস বানিয়েছে। দীর্ঘ বছর দর্শকেরা সর্বক্ষেত্রে এই অনুষ্ঠানের পুনরায় সূচনার আবেদন জানিয়ে আসছিলেন—ভক্তদের সেই অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসার প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই রাজপথে মাইক্রোফোন হাতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি একুশে টেলিভিশনের সাথে হওয়া আনুষ্ঠানিক বৈঠকে নতুন সিজন শুরু করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুসারে, ঈদের পরপরই একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে ‘পথের প্যাঁচালী’র নতুন পথচলা শুরু হবে। মূল কাঠামো আগের মতোই থাকবে—রাস্তায় ঘুরে মানুষের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত কথাবার্তা ও মজার প্রশ্ন—but উপস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া মিলবে। দেবাশীষ স্বীকার করেছেন, ২৬ বছর আগের সেই তরুণ বয়স আর পরিস্থিতি এখন নেই, তবুও তিনি দর্শকদের নির্মল বিনোদন দেওয়ার পুরনো আমেজ বজায় রাখার পূর্ণ চেষ্টা করবেন।

চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত দেবাশীষের কাছে এই শোটি শুধুই একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং শেকড়ে ফেরার এক মাধ্যম। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে যারা শোটির প্রত্যাবর্তনের আশায় ছিলেন, তাদের জন্য এটি হবে বড়সড় উপহার। একুশে টেলিভিশনও আশা করছে—পুরনো স্মৃতি ও নতুন প্রজন্মের কৌতূহল মিলে রাজপথের আড্ডা আবারও জমে উঠবে এবং দর্শকের মুখে হাসি ফোটাবে।