০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঋণের জট খুলছে: ১.৩ বিলিয়ন ডলারের কিস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবद्धভাবে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার ক্ষতিপূরণে ১০টি শনিবার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার নির্দেশ জুলাই দায়মুক্তি অধ্যাদেশে সবাই একমত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব গাবতলী থেকে স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত তোরণ-পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ দেড় যুগ পর ফিরে আসছে স্বাধীনতা দিবসে ঐতিহ্যবাহী সামরিক কুচকাওয়াজ ডেপুটি স্পিকারের স্বেচ্ছাসেবীদের মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান ঈদের সফরে কুমিল্লার কোটবাড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় রূপগঞ্জের ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈদ ছুটির পর মঙ্গলবার থেকে অফিস, আদালত ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা

পিএসএলে খেলতে পাকিস্তান গেলেন মুস্তাফিজ, শরিফুলসহ চার বাংলাদেশি

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে দেশের চার স্টার ক্রিকেটার আজ সকালে ঢাকা ছাড়েন। আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে রেকর্ড ছয়জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার বিভিন্ন দলে ডাক পেয়েছেন। প্রথম ধাপে আজ সোমবার সকালে মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, পারভেজ হোসেন ইমন এবং তরুণ ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। বাকি দুই ক্রিকেটার—রিশাদ হোসেন ও তানজিদ হাসান তামিম—দ্বিতীয় ধাপে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।

এই মরসুমে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে সরাসরি চুক্তি করেছেন অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান; একই দলে জায়গা পেয়েছেন তরুণ ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন। পেশোয়ার জালমি দলে এবার বাংলাদেশি শোক্তির আধিক্য দেখা যাবে—নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম এবং ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম সবাইকে পেশোওয়ারের জার্সি গায়ে দেখা যাবে। অন্যদিকে রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজের হয়ে খেলবেন দেশের আলোচিত লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এত সংখ্যক খেলোয়াড়ের পিএসএলে অংশগ্রহণকে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতায় খেলা তাদের দক্ষতা উন্নয়নে সহায়ক হবে এবং পাকিস্তানের কন্ডিশনে মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেবে।

তবে পুরো টুর্নামেন্ট খেলার অনুমতি পাননি এই ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিয়েছে। এই সময়সীমা নির্ধারণের মূল কারণ হলো অ্যাডজাস্ট করা জাতীয় সূচি—এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তাই জাতীয় দলের প্রয়োজনে প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে মাঝপথেই ক্রিকেটারদের দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পিএসএলকে অনেকেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতির বড় মঞ্চ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের পিচে মুস্তাফিজ ও শরিফুলের মতো পেসাররা বোলিং রুটিন ফিরিয়ে আনতে পারবেন; পাশাপাশি রিশাদ হোসেনের লেগস্পিন এবং নাহিদ রানার গতির試 পরীক্ষা হবে। বিসিবি ও সমর্থকদের প্রত্যাশা, এই অভিজ্ঞতা ক্রিকেটাররা কাজে লাগিয়ে নিউজিল্যান্ড সিরিজে জাতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবद्धভাবে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পিএসএলে খেলতে পাকিস্তান গেলেন মুস্তাফিজ, শরিফুলসহ চার বাংলাদেশি

প্রকাশিতঃ ০৭:২২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে দেশের চার স্টার ক্রিকেটার আজ সকালে ঢাকা ছাড়েন। আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে রেকর্ড ছয়জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার বিভিন্ন দলে ডাক পেয়েছেন। প্রথম ধাপে আজ সোমবার সকালে মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, পারভেজ হোসেন ইমন এবং তরুণ ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন। বাকি দুই ক্রিকেটার—রিশাদ হোসেন ও তানজিদ হাসান তামিম—দ্বিতীয় ধাপে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।

এই মরসুমে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে সরাসরি চুক্তি করেছেন অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান; একই দলে জায়গা পেয়েছেন তরুণ ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমন। পেশোয়ার জালমি দলে এবার বাংলাদেশি শোক্তির আধিক্য দেখা যাবে—নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম এবং ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম সবাইকে পেশোওয়ারের জার্সি গায়ে দেখা যাবে। অন্যদিকে রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজের হয়ে খেলবেন দেশের আলোচিত লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এত সংখ্যক খেলোয়াড়ের পিএসএলে অংশগ্রহণকে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতায় খেলা তাদের দক্ষতা উন্নয়নে সহায়ক হবে এবং পাকিস্তানের কন্ডিশনে মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেবে।

তবে পুরো টুর্নামেন্ট খেলার অনুমতি পাননি এই ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিয়েছে। এই সময়সীমা নির্ধারণের মূল কারণ হলো অ্যাডজাস্ট করা জাতীয় সূচি—এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। তাই জাতীয় দলের প্রয়োজনে প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে মাঝপথেই ক্রিকেটারদের দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পিএসএলকে অনেকেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতির বড় মঞ্চ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের পিচে মুস্তাফিজ ও শরিফুলের মতো পেসাররা বোলিং রুটিন ফিরিয়ে আনতে পারবেন; পাশাপাশি রিশাদ হোসেনের লেগস্পিন এবং নাহিদ রানার গতির試 পরীক্ষা হবে। বিসিবি ও সমর্থকদের প্রত্যাশা, এই অভিজ্ঞতা ক্রিকেটাররা কাজে লাগিয়ে নিউজিল্যান্ড সিরিজে জাতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবেন।